ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

সৌর বিদ্যুতে চলবে দেশের সব সেচপাম্প, সাশ্রয় হবে ডিজেল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩
  • ১৯২ বার

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ডিজেলচালিত সেচ-পাম্প থাকবে না। এসব চলবে সৌরশক্তিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে কমবে ডিজেল আমদানির ব্যয়, রক্ষা পাবে পরিবশেও।

কৃষি উৎপাদনে বিশেষ করে ধান আবাদে সেচের ব্যবহার বেশি হয়। আর সেচকাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে স্যালো ইঞ্জিন বা অগভীর নলকূপ। আর এসব অগভীর নলকূপের তিন-চতুর্থাংশই ডিজেলচালিত। ২০২২-২৩ অর্থবছরে শুধু সেচের জন্য দেশে ডিজেল খরচ হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ টন।

বিপুল এই ডিজেল পুরোটাই আমদানি-নির্ভর। সরকারকে এখাতে ব্যয় করতে হচ্ছে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা। পাশাপাশি ডিজেল ইঞ্জিনের কারণে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের। তাই ডিজেলচলিত সব সেচপাম্পকে পর্যায়ক্রমে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সররকার।

এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি সৌর সেচ পাম্পে অর্থায়ন করেছে ইডকল। এখাতে ব্যাপক অর্থায়নের পরিকল্পনা সংস্থাটির।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, সৌর সেচ প্রকল্প এতোদিন পর্যন্ত খুবই ধীর গতিতে চলছে। এখন কাজের গতি বাড়ানো হবে। যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে সব ডিজেলচালিত পাম্পকে সৌরশক্তিতে রূপান্তর করা যায়।

পাওয়ার সেল মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসইন বলেন, “ আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে ৪৫ হাজার সোলার ডেডিকেশন পাম্প বসানো হবে। ২০৩০ সালের মধ্যেই ডিজেল ভিত্তিক পাম্পগুলোকে সোলারে কনভার্ট করা হবে।”

সেচ মৌসুম শেষে বন্ধ থাকবে সৌরবিদ্যুতচালিত সেচ পাম্প। তাই সেই সময় উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হবে।

মোহাম্মদ হোসইন বলেন, “এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে নেয়া হবে এবং যিনি ওই সোলারের মালিক তিনি এই বিদ্যুৎ বিক্রি করে বাড়তি পয়সা পাবেন।”

সৌরশক্তির সেচ পাম্প ব্যবহারে কৃষকের খরচ অনেক কমে যায় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সৌর বিদ্যুতে চলবে দেশের সব সেচপাম্প, সাশ্রয় হবে ডিজেল

আপডেট টাইম : ১২:০৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ডিজেলচালিত সেচ-পাম্প থাকবে না। এসব চলবে সৌরশক্তিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে কমবে ডিজেল আমদানির ব্যয়, রক্ষা পাবে পরিবশেও।

কৃষি উৎপাদনে বিশেষ করে ধান আবাদে সেচের ব্যবহার বেশি হয়। আর সেচকাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে স্যালো ইঞ্জিন বা অগভীর নলকূপ। আর এসব অগভীর নলকূপের তিন-চতুর্থাংশই ডিজেলচালিত। ২০২২-২৩ অর্থবছরে শুধু সেচের জন্য দেশে ডিজেল খরচ হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ টন।

বিপুল এই ডিজেল পুরোটাই আমদানি-নির্ভর। সরকারকে এখাতে ব্যয় করতে হচ্ছে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা। পাশাপাশি ডিজেল ইঞ্জিনের কারণে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের। তাই ডিজেলচলিত সব সেচপাম্পকে পর্যায়ক্রমে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সররকার।

এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি সৌর সেচ পাম্পে অর্থায়ন করেছে ইডকল। এখাতে ব্যাপক অর্থায়নের পরিকল্পনা সংস্থাটির।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, সৌর সেচ প্রকল্প এতোদিন পর্যন্ত খুবই ধীর গতিতে চলছে। এখন কাজের গতি বাড়ানো হবে। যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে সব ডিজেলচালিত পাম্পকে সৌরশক্তিতে রূপান্তর করা যায়।

পাওয়ার সেল মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসইন বলেন, “ আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে ৪৫ হাজার সোলার ডেডিকেশন পাম্প বসানো হবে। ২০৩০ সালের মধ্যেই ডিজেল ভিত্তিক পাম্পগুলোকে সোলারে কনভার্ট করা হবে।”

সেচ মৌসুম শেষে বন্ধ থাকবে সৌরবিদ্যুতচালিত সেচ পাম্প। তাই সেই সময় উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হবে।

মোহাম্মদ হোসইন বলেন, “এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে নেয়া হবে এবং যিনি ওই সোলারের মালিক তিনি এই বিদ্যুৎ বিক্রি করে বাড়তি পয়সা পাবেন।”

সৌরশক্তির সেচ পাম্প ব্যবহারে কৃষকের খরচ অনেক কমে যায় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।