ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

কানাডার পার্লামেন্টে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ বিল পাস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩
  • ১৮৯ বার

ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সম্মান জানিয়ে কানাডার পার্লামেন্টে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিল পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) কানাডার হাউস অব কমন্সে ‘ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাক্ট’ (বিল নম্বর ২১৪) পাস হয়।

অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এই বিল পাসের মাধ্যমে কানাডা এখন থেকে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালন করবে। এটা বাংলাদেশি-কানাডিয়ানদের জন্য এবং সারা বিশ্বের মাতৃভাষাপ্রেমিদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

বাংলাদেশ ছাড়া কানাডাই বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিল।

কানাডার পার্লামেন্টে বিলটি উত্থাপন করেন হাউস অব কমন্সের সদস্য কেন হার্ডি। কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান বিলটির ওপর আলোচনা করেন ও পাসের সময় পার্লামেন্টে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিলটির সমর্থক সিনেটর মোবিনা এস জাফরসহ কানাডার পার্লামেন্ট সদস্য ও সিনেটরেরা উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এই শুভক্ষণে ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কোর এবং পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায়ে মরহুম রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিলটি পাস হওয়ায় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভারস অব দ্য ওয়ার্ল্ড সোসাইটি সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলামের অবদানকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়। তিনি কানাডার পার্লামেন্ট মেম্বার ও সিনেটরদের সঙ্গে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিলটি পাসের জন্য চেষ্টা চালিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কানাডার পার্লামেন্টে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ বিল পাস

আপডেট টাইম : ০৪:২৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সম্মান জানিয়ে কানাডার পার্লামেন্টে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিল পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) কানাডার হাউস অব কমন্সে ‘ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাক্ট’ (বিল নম্বর ২১৪) পাস হয়।

অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এই বিল পাসের মাধ্যমে কানাডা এখন থেকে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালন করবে। এটা বাংলাদেশি-কানাডিয়ানদের জন্য এবং সারা বিশ্বের মাতৃভাষাপ্রেমিদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

বাংলাদেশ ছাড়া কানাডাই বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিল।

কানাডার পার্লামেন্টে বিলটি উত্থাপন করেন হাউস অব কমন্সের সদস্য কেন হার্ডি। কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান বিলটির ওপর আলোচনা করেন ও পাসের সময় পার্লামেন্টে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিলটির সমর্থক সিনেটর মোবিনা এস জাফরসহ কানাডার পার্লামেন্ট সদস্য ও সিনেটরেরা উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এই শুভক্ষণে ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কোর এবং পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায়ে মরহুম রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিলটি পাস হওয়ায় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভারস অব দ্য ওয়ার্ল্ড সোসাইটি সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলামের অবদানকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়। তিনি কানাডার পার্লামেন্ট মেম্বার ও সিনেটরদের সঙ্গে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিলটি পাসের জন্য চেষ্টা চালিয়েছেন।