ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৫ মার্চ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৪৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৭৭ বার

২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ধার্য দিনে কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে না আসায় দুদকের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসাইন জানান, এ দিন কারাগার থেকে জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তবে এ মামলায় এখনও পলাতক রয়েছেন তারা মা আয়েশা।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর অভিযোগের তদন্ত শেষে জি কে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় দুদক।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন। ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির বিচার শুরু হয়।

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, জি কে শামীম ২০১৮-১৯ কর বর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এরমধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এ ছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধার নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরও ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক। অনুসন্ধানে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে না পাওয়া মামলাটি করে দুদক।

উল্লেখ্য, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়। তিন মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিন মামলার রিমান্ড শেষে কারাগারে তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৫ মার্চ

আপডেট টাইম : ০১:৪৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ধার্য দিনে কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে না আসায় দুদকের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসাইন জানান, এ দিন কারাগার থেকে জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তবে এ মামলায় এখনও পলাতক রয়েছেন তারা মা আয়েশা।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর অভিযোগের তদন্ত শেষে জি কে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় দুদক।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন। ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির বিচার শুরু হয়।

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, জি কে শামীম ২০১৮-১৯ কর বর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এরমধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এ ছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধার নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরও ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক। অনুসন্ধানে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে না পাওয়া মামলাটি করে দুদক।

উল্লেখ্য, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়। তিন মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিন মামলার রিমান্ড শেষে কারাগারে তিনি।