ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০২৩ সালে জানুয়ারি থেকে ডলার সংকট থাকবে না : গভর্নর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২
  • ১১৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে দেশে আর ডলার সংকট থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ

ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের রপ্তানি ও রেমিটেন্সের পরিমাণ আমদানির তুলনায় বেশি হওয়ায় ডলার সংকট কাটবে বলে জানান আবদুর রউফ।

তিনি বলেন, ‘ডলার সংকটে আমদানি করা যাচ্ছে না’ কথাটা মোটেই ঠিক নয়। পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। সঠিক দরে এলসি ‍খুলতে বাধা নেই। ব্যাংক এলসি খুলতে পারলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সমস্যা নেই।

এ সময় পণ্য আমদানির নামে বেশি দাম দেখিয়ে ঋণপত্র খোলা হলে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন আবদুর রউফ তালুকদার।

গভর্নর বলেন, প্রবাসীদের রেমিটেন্স ব্যাংকিং চ্যানেলে আনতে আরও গুরত্বারোপ করা হচ্ছে। হুন্ডি প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আবদুর রউফ বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাংক ঋণের সুদহার ৯ শতাংশে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ এ জন্য সুদহার বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, সুদের হার বাজারের ওপর ছেড়ে দিলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানে প্রভাব পড়বে। চাকরির বাজারে নতুনদের কর্মসংস্থান হবে না।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

২০২৩ সালে জানুয়ারি থেকে ডলার সংকট থাকবে না : গভর্নর

আপডেট টাইম : ০৯:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে দেশে আর ডলার সংকট থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ

ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের রপ্তানি ও রেমিটেন্সের পরিমাণ আমদানির তুলনায় বেশি হওয়ায় ডলার সংকট কাটবে বলে জানান আবদুর রউফ।

তিনি বলেন, ‘ডলার সংকটে আমদানি করা যাচ্ছে না’ কথাটা মোটেই ঠিক নয়। পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। সঠিক দরে এলসি ‍খুলতে বাধা নেই। ব্যাংক এলসি খুলতে পারলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সমস্যা নেই।

এ সময় পণ্য আমদানির নামে বেশি দাম দেখিয়ে ঋণপত্র খোলা হলে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন আবদুর রউফ তালুকদার।

গভর্নর বলেন, প্রবাসীদের রেমিটেন্স ব্যাংকিং চ্যানেলে আনতে আরও গুরত্বারোপ করা হচ্ছে। হুন্ডি প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আবদুর রউফ বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাংক ঋণের সুদহার ৯ শতাংশে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ এ জন্য সুদহার বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, সুদের হার বাজারের ওপর ছেড়ে দিলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানে প্রভাব পড়বে। চাকরির বাজারে নতুনদের কর্মসংস্থান হবে না।