ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা নতুন ভাইরাস তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই! বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা কঠিন বিপদে বা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যে ৩ আমল বেশি বেশি করবেন টাঙ্গুয়ার হাওরে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু দেশে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচার, সতর্ক করল পুলিশ বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ‘গরিবের এসি বাড়ি’ ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল জনতার, কোনো রাজনৈতিক দলের নয় : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এক দিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বি. চৌধুরীর বিশেষ প্রস্তাব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০১৬
  • ৩৮৪ বার

সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করার প্রস্তাব করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশ প্রধান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

রোববার রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব দেন তিনি। তবে তার ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

বি. চৌধুরী বলেন, আমার একটা বিশেষ প্রস্তাব আছে। প্রতিবেশী অনেক দেশে যান, চার বছর পর পর নির্বাচন হয়। আমেরিকায় যান, চার বছর পর পর নির্বাচন, ইংল্যান্ডে যান, চার বছর পর নির্বাচন।

তিনি বলেন, আমাদের কেন পাঁচ বছরে থাকতে হবে? এটা বদলানো যায় না? সরকারকে বলব, সময়টা চার বছরে আনুন।

সেইসঙ্গে নির্দলীয় সরকারের দাবিও তুলে ধরেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি চৌধুরী।

তিনি বলেন, শেষের তিন মাস সত্যিকার অর্থে যারা নির্বাচিত তাদের নিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন করুন। তাহলেই তাদের অধীনে একটা ফার্স্ট ক্লাস নির্বাচন হবে। এখনকার

মতো নির্বাচন তো জিরো।

বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার সংবিধানে পুনর্স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। একই দাবি করছেন বি. চৌধুরীরও।

বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থার হাল তুলে ধরতে গিয়ে চলমান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টানেন বিকল্প ধারা সভাপতি বি. চৌধুরী।

তিনি বলেন, সরকারের লজ্জা লাগে না, আমাদের লজ্জা লাগে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমরা লজ্জিত, আমাদের মায়েরা লজ্জিত, সন্তানরা লজ্জিত, দেশের মানুষ লজ্জিত।

এ ধরনের ভোটের জন্য সরকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) দায়ী করেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কোনো মেরুদণ্ড নেই। খবরের কাগজে দেখেছি, উনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনে আমার ট্যাংক লাগবে।

তিনি বলেন, ট্যাংক নিয়ে যুদ্ধ করে নির্বাচন হবে- লজ্জা লাগে না। আপনার মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথায় লজ্জায় মরে যাই। এরপরও দাঁড়িয়ে আছেন, পদত্যাগ করেন না। আপনি লজ্জায় মরে যান, শরমে মরে যান।

বি. চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্র মানে কী, এটা সরকারের বোঝা উচিত। সরকার বোঝে না, তা বলছি না। কিন্তু সাধারণ মানুষ মনে করে, যতদিন জোর করে ক্ষমতায় থাকা যায়।

মুসলিম লীগের অষ্টম জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্য রাখেন বিকল্প ধারা সভাপতি। এতে সভাপতিত্ব করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার।

বক্তব্য রাখেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান এম এ রকিব, মুসলিম লীগের একাংশের সভানেত্রী জোবেয়দা কাদের চৌধুরী, একাংশের মহাসচিব আতিকুল ইসলাম খোকন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব এ টি এম হেমায়েতউদ্দিন, মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, কেন্দ্রীয় নেতা বদরুদ্দোজা সূজা, এস আই ইসলাম মিলন, আনোয়ার হোসেন, আবু তাহের বাচ্চু মিয়া, ওসমান গনি, হাজেরা বেগম প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা

বি. চৌধুরীর বিশেষ প্রস্তাব

আপডেট টাইম : ১১:১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০১৬

সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করার প্রস্তাব করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশ প্রধান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

রোববার রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব দেন তিনি। তবে তার ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

বি. চৌধুরী বলেন, আমার একটা বিশেষ প্রস্তাব আছে। প্রতিবেশী অনেক দেশে যান, চার বছর পর পর নির্বাচন হয়। আমেরিকায় যান, চার বছর পর পর নির্বাচন, ইংল্যান্ডে যান, চার বছর পর নির্বাচন।

তিনি বলেন, আমাদের কেন পাঁচ বছরে থাকতে হবে? এটা বদলানো যায় না? সরকারকে বলব, সময়টা চার বছরে আনুন।

সেইসঙ্গে নির্দলীয় সরকারের দাবিও তুলে ধরেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি চৌধুরী।

তিনি বলেন, শেষের তিন মাস সত্যিকার অর্থে যারা নির্বাচিত তাদের নিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন করুন। তাহলেই তাদের অধীনে একটা ফার্স্ট ক্লাস নির্বাচন হবে। এখনকার

মতো নির্বাচন তো জিরো।

বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার সংবিধানে পুনর্স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। একই দাবি করছেন বি. চৌধুরীরও।

বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থার হাল তুলে ধরতে গিয়ে চলমান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টানেন বিকল্প ধারা সভাপতি বি. চৌধুরী।

তিনি বলেন, সরকারের লজ্জা লাগে না, আমাদের লজ্জা লাগে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমরা লজ্জিত, আমাদের মায়েরা লজ্জিত, সন্তানরা লজ্জিত, দেশের মানুষ লজ্জিত।

এ ধরনের ভোটের জন্য সরকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) দায়ী করেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কোনো মেরুদণ্ড নেই। খবরের কাগজে দেখেছি, উনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনে আমার ট্যাংক লাগবে।

তিনি বলেন, ট্যাংক নিয়ে যুদ্ধ করে নির্বাচন হবে- লজ্জা লাগে না। আপনার মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথায় লজ্জায় মরে যাই। এরপরও দাঁড়িয়ে আছেন, পদত্যাগ করেন না। আপনি লজ্জায় মরে যান, শরমে মরে যান।

বি. চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্র মানে কী, এটা সরকারের বোঝা উচিত। সরকার বোঝে না, তা বলছি না। কিন্তু সাধারণ মানুষ মনে করে, যতদিন জোর করে ক্ষমতায় থাকা যায়।

মুসলিম লীগের অষ্টম জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্য রাখেন বিকল্প ধারা সভাপতি। এতে সভাপতিত্ব করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার।

বক্তব্য রাখেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান এম এ রকিব, মুসলিম লীগের একাংশের সভানেত্রী জোবেয়দা কাদের চৌধুরী, একাংশের মহাসচিব আতিকুল ইসলাম খোকন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব এ টি এম হেমায়েতউদ্দিন, মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, কেন্দ্রীয় নেতা বদরুদ্দোজা সূজা, এস আই ইসলাম মিলন, আনোয়ার হোসেন, আবু তাহের বাচ্চু মিয়া, ওসমান গনি, হাজেরা বেগম প্রমুখ।