ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার আগেই মারা যাবে ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২
  • ২০৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার আগেই মারা যাবে ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী
(আবেদনকারী)। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিভাগে নতুন গ্রিনকার্ডের জন্য পাহাড়
সমান আবেদনপত্র জমা পড়ে আছে। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত গ্রিনকার্ডের জন্য
৮৬ লাখ বা ৮ দশমিক ৬ মিলিয়ন আবেদন বিচারাধীন রয়েছে। এসব আবেদনপত্রের
এমন স্থির প্রক্রিয়া চলতে থাকলে গ্রিনকার্ড হাতে পাওয়ার আগেই ১.৬ মিলিয়ন
অর্থাৎ ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী (আবেদনকারী) মারা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন পরিস্থিতি এর আগে কখনো দেখা যায়নি। সম্প্রতি
লসএঞ্জেলেস টাইমসে প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ৩০ বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা, গ্রিনকার্ড ও নাগরিকত্বের আবেদন বেড়ে
চলেছে। কিন্তু সে তুলনায় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের কাজের গতি ও জনবল বাড়েনি।
এছাড়া ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিক্যানদের ক্ষমতার মহড়ায় এ বিভাগের কাজকর্ম
কয়েক বছর পরপরই ঝুলে পড়ে। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ইমিগ্রেশন বিরোধী
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আমলে। কোভিড-১৯ ইমিগ্রেশনে জ্যাম আরও বাড়িয়ে
দিয়েছে। বাইডেন দায়িত্ব নেওয়ার পর আশার বাণী শোনালেও কাজের গতি বাড়েনি।
আত্মীয়স্বজনের জন্য কেউ ইমিগ্রেশন বা গ্রিনকার্ডের আবেদন করলে তা হাতে
আসতে ২০ বছরও লেগে যায়। অপেক্ষায় থাকাবস্থায় অনেকেই মারা যান। স্বপ্নের
আমেরিকা দেখার সুযোগ তাদেও আর হয় না। লসএঞ্জেলস টাইমসের জরিপে উঠে
এসেছে ১৬ লাখ আবেদনকারী আগামী কয়েক বছরে মারা যাবে গ্রিনকার্ড হাতে পাবার
আগেই।
ইমিগ্রেশনে আগ্রহী বাংলাদেশিদের দুরবস্থা ইউরোপের দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি
হতাশাজনক। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে ভাইবোনদের জন্য
আবেদনের অপেক্ষাকাল ১২-১৩ বছর দেখালেও লেগে যাচ্ছে ১৫-১৬ বছর। বিবাহিত
সন্তানের জন্য আবেদন করে ১৫ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে যাবার দৃষ্টান্তও তৈরি
হয়েছে। অনেকের সবকিছু রেডি থাকলেও ভিসার জন্য ইন্টারভিউ নিতে অনেক সময়
নেওয়া হচ্ছে। ইন্টারভিউয়ের তারিখ বারবার পরিবর্তন করে বছরেরও বেশি সময় পার
করে দিচ্ছে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার আগেই মারা যাবে ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী

আপডেট টাইম : ১১:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার আগেই মারা যাবে ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী
(আবেদনকারী)। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিভাগে নতুন গ্রিনকার্ডের জন্য পাহাড়
সমান আবেদনপত্র জমা পড়ে আছে। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত গ্রিনকার্ডের জন্য
৮৬ লাখ বা ৮ দশমিক ৬ মিলিয়ন আবেদন বিচারাধীন রয়েছে। এসব আবেদনপত্রের
এমন স্থির প্রক্রিয়া চলতে থাকলে গ্রিনকার্ড হাতে পাওয়ার আগেই ১.৬ মিলিয়ন
অর্থাৎ ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশী (আবেদনকারী) মারা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন পরিস্থিতি এর আগে কখনো দেখা যায়নি। সম্প্রতি
লসএঞ্জেলেস টাইমসে প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ৩০ বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা, গ্রিনকার্ড ও নাগরিকত্বের আবেদন বেড়ে
চলেছে। কিন্তু সে তুলনায় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের কাজের গতি ও জনবল বাড়েনি।
এছাড়া ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিক্যানদের ক্ষমতার মহড়ায় এ বিভাগের কাজকর্ম
কয়েক বছর পরপরই ঝুলে পড়ে। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ইমিগ্রেশন বিরোধী
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আমলে। কোভিড-১৯ ইমিগ্রেশনে জ্যাম আরও বাড়িয়ে
দিয়েছে। বাইডেন দায়িত্ব নেওয়ার পর আশার বাণী শোনালেও কাজের গতি বাড়েনি।
আত্মীয়স্বজনের জন্য কেউ ইমিগ্রেশন বা গ্রিনকার্ডের আবেদন করলে তা হাতে
আসতে ২০ বছরও লেগে যায়। অপেক্ষায় থাকাবস্থায় অনেকেই মারা যান। স্বপ্নের
আমেরিকা দেখার সুযোগ তাদেও আর হয় না। লসএঞ্জেলস টাইমসের জরিপে উঠে
এসেছে ১৬ লাখ আবেদনকারী আগামী কয়েক বছরে মারা যাবে গ্রিনকার্ড হাতে পাবার
আগেই।
ইমিগ্রেশনে আগ্রহী বাংলাদেশিদের দুরবস্থা ইউরোপের দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি
হতাশাজনক। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে ভাইবোনদের জন্য
আবেদনের অপেক্ষাকাল ১২-১৩ বছর দেখালেও লেগে যাচ্ছে ১৫-১৬ বছর। বিবাহিত
সন্তানের জন্য আবেদন করে ১৫ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে যাবার দৃষ্টান্তও তৈরি
হয়েছে। অনেকের সবকিছু রেডি থাকলেও ভিসার জন্য ইন্টারভিউ নিতে অনেক সময়
নেওয়া হচ্ছে। ইন্টারভিউয়ের তারিখ বারবার পরিবর্তন করে বছরেরও বেশি সময় পার
করে দিচ্ছে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।