ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩২ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে: আরিফুল হক চৌধুরী

বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগে সম্পৃক্ত মালয়েশিয়ার ৮ কর্মকর্তা গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২
  • ১৯২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি) বাংলাদেশি ও নেপালি শ্রমিক নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়ার সরকারকে সেবা প্রদানকারী আইটি কোম্পানি বেস্টিনেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (সিইও) মোট ৮ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। মালয়েশিয়ার সংবাদপত্র দ্য স্টার বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি শ্রমিকদের জন্য কোটা অর্জনে নিয়োগকর্তা বা এজেন্টদের সহযোগিতা করতে ঘুস গ্রহণের অভিযোগে বুধবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাদের বয়স ৪০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তারা প্রতি শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশি টাকায় ১৭ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত মে মাস থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮৬১টি আবেদন প্রক্রিয়া করেছে বেস্টিনেট।

রিক্রুটিং এজেন্টদের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ার দাতো মোহাম্মদ আমিনকেও এমএসিসি গ্রেফতার করেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বেস্টিনেট ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস) নামে পরিচিত একটি ব্যবস্থাপনা দেখভাল করে থাকে। এই সিস্টেমটি ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের জন্যও ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু এই কাজে প্রতি শ্রমিকের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগে মালয়েশিয়া সরকার এই নিয়োগ স্থগিত করে।

সে সময় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়া সরকার ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির একটি সিন্ডিকেটকে অনুমতি দেয়।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের জন্য ২ দেশের সরকার কাজ করলেও এই কাজে মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক প্রস্তাবিত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেশনের অভিযোগ আছে। এই কারণে বুধবারের এই ঘটনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা

বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগে সম্পৃক্ত মালয়েশিয়ার ৮ কর্মকর্তা গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি) বাংলাদেশি ও নেপালি শ্রমিক নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়ার সরকারকে সেবা প্রদানকারী আইটি কোম্পানি বেস্টিনেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (সিইও) মোট ৮ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। মালয়েশিয়ার সংবাদপত্র দ্য স্টার বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি শ্রমিকদের জন্য কোটা অর্জনে নিয়োগকর্তা বা এজেন্টদের সহযোগিতা করতে ঘুস গ্রহণের অভিযোগে বুধবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাদের বয়স ৪০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তারা প্রতি শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশি টাকায় ১৭ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত মে মাস থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮৬১টি আবেদন প্রক্রিয়া করেছে বেস্টিনেট।

রিক্রুটিং এজেন্টদের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ার দাতো মোহাম্মদ আমিনকেও এমএসিসি গ্রেফতার করেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বেস্টিনেট ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস) নামে পরিচিত একটি ব্যবস্থাপনা দেখভাল করে থাকে। এই সিস্টেমটি ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের জন্যও ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু এই কাজে প্রতি শ্রমিকের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগে মালয়েশিয়া সরকার এই নিয়োগ স্থগিত করে।

সে সময় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়া সরকার ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির একটি সিন্ডিকেটকে অনুমতি দেয়।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের জন্য ২ দেশের সরকার কাজ করলেও এই কাজে মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক প্রস্তাবিত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেশনের অভিযোগ আছে। এই কারণে বুধবারের এই ঘটনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।