ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

— ভুল সংশোধন করে বাংলাদেশ ও ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি পুনরায় পাস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০১৫
  • ৬৫৭ বার

আগের পাস করা ভুল সংশোধন করে বাংলাদেশ ও ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল পুনরায় ভারতের রাজ্যসভায় সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। সোমবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলের পক্ষে ১৮১টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। এখন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বিলে সই করবেন। আজ বিলটি পাসের জন্য উঠলেও কোনো বিতর্কের সুযোগ ছিল না। শুধু ভুলগুলো সংশোধন করে ভোটাভুটির মাধ্যমে বিলটি পাস করা হয়। তবে বিল উত্থাপনে ভুলের জন্য সরকারের সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা গোলাম নবী আজাদ। ইতোপূর্বে রাজ্যসভায় পাস হয়ে যাওয়া বিলটিকে ভারতের ১১৯তম সংবিধান সংশোধনী বিল বলা হলেও আসলে এটি ছিলো ১০০তম সংবিধান সংশোধনী বিল। বিলের ক্রমিক সংখ্যা ১১৯ ছিল। এছাড়া বিলের দিন-তারিখ নিয়ে মোট সাতটি জায়গায় ভুল ছিল। এই ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় বিল পাস করা হয়। গত বুধবার রাজ্যসভায় বিলটি পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে তখনই ভুলগুলো ধরা পড়ে। পরদিন সংশোধনী এনে বিলটি লোকসভায় পাস হলেও রাজ্যসভায় ফের উত্থাপন করতে হয়। ২০১৩ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হয়। তখন বিল উত্থাপনে ২০১৩ সালের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এবার ভুলক্রমে হুবহুভাবে উত্থাপিত বিলে ২০১৫ সাল না লিখে ২০১৩ রয়ে যায়। প্রসঙ্গত, ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী ছিটমহল বিনিময় ও অপদখলীয় ভূমির বিরোধ অবসানে বাংলাদেশের দিক থেকে সব প্রক্রিয়া সারা হলেও তা আটকে ছিল ভারতের দিকে। এ চুক্তির আওতায় ভারত ও বাংলাদেশের ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হওয়ার কথা। বাংলাদেশি ছিটমহলগুলোতে জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ১৪ হাজার। আর ভারতীয় ছিটমহলগুলোর জনসংখ্যা ৩৭ হাজারের মতো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি

— ভুল সংশোধন করে বাংলাদেশ ও ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি পুনরায় পাস

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০১৫

আগের পাস করা ভুল সংশোধন করে বাংলাদেশ ও ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল পুনরায় ভারতের রাজ্যসভায় সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। সোমবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলের পক্ষে ১৮১টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। এখন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বিলে সই করবেন। আজ বিলটি পাসের জন্য উঠলেও কোনো বিতর্কের সুযোগ ছিল না। শুধু ভুলগুলো সংশোধন করে ভোটাভুটির মাধ্যমে বিলটি পাস করা হয়। তবে বিল উত্থাপনে ভুলের জন্য সরকারের সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা গোলাম নবী আজাদ। ইতোপূর্বে রাজ্যসভায় পাস হয়ে যাওয়া বিলটিকে ভারতের ১১৯তম সংবিধান সংশোধনী বিল বলা হলেও আসলে এটি ছিলো ১০০তম সংবিধান সংশোধনী বিল। বিলের ক্রমিক সংখ্যা ১১৯ ছিল। এছাড়া বিলের দিন-তারিখ নিয়ে মোট সাতটি জায়গায় ভুল ছিল। এই ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় বিল পাস করা হয়। গত বুধবার রাজ্যসভায় বিলটি পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে তখনই ভুলগুলো ধরা পড়ে। পরদিন সংশোধনী এনে বিলটি লোকসভায় পাস হলেও রাজ্যসভায় ফের উত্থাপন করতে হয়। ২০১৩ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হয়। তখন বিল উত্থাপনে ২০১৩ সালের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এবার ভুলক্রমে হুবহুভাবে উত্থাপিত বিলে ২০১৫ সাল না লিখে ২০১৩ রয়ে যায়। প্রসঙ্গত, ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী ছিটমহল বিনিময় ও অপদখলীয় ভূমির বিরোধ অবসানে বাংলাদেশের দিক থেকে সব প্রক্রিয়া সারা হলেও তা আটকে ছিল ভারতের দিকে। এ চুক্তির আওতায় ভারত ও বাংলাদেশের ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হওয়ার কথা। বাংলাদেশি ছিটমহলগুলোতে জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ১৪ হাজার। আর ভারতীয় ছিটমহলগুলোর জনসংখ্যা ৩৭ হাজারের মতো।