ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ভ্যাট হবে ১৫ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৬
  • ৪৫১ বার

২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁ হোটেলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৩৭তম সভায় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‌‌‌‘ডিফারেন্সিয়াল ভ্যাট হতে পারে। তাতে আপত্তি নাই। তবে এখন ১৫ শতাংশই রাখি। কিছু দিন রাখি। বিভিন্ন দেশে আছে, ব্রিটেনেও আছে। আবার কোনো দেশে ২০ শতাংশের উপরেও আছে।’

‘ভ্যাট অনেক দেশে ১০ শতাংশও আছে। তবে আমার প্রস্তাব হলো এবার (২০১৬-১৭ অর্থবছরে) মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট ১৫ শতাংশই থাকবে। তবে তা পর্যায়ক্রমে কমানো যেতে পারে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যথারীতি প্রতি বছর পরিবহন ও এনার্জি খাতের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এবার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরো এগিয়ে নিতে বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

‌‌‘আমরা এক সময় বৈদেশিক সাহায্য নিয়ে আসতাম। তা কম্বাইন্ড বাজেটের বেশি ছিল। সেখানে আজ এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশ। এটা থাকুক, আমরা তা চাই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ভ্যাট হবে ১৫ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৫৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৬

২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁ হোটেলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৩৭তম সভায় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‌‌‌‘ডিফারেন্সিয়াল ভ্যাট হতে পারে। তাতে আপত্তি নাই। তবে এখন ১৫ শতাংশই রাখি। কিছু দিন রাখি। বিভিন্ন দেশে আছে, ব্রিটেনেও আছে। আবার কোনো দেশে ২০ শতাংশের উপরেও আছে।’

‘ভ্যাট অনেক দেশে ১০ শতাংশও আছে। তবে আমার প্রস্তাব হলো এবার (২০১৬-১৭ অর্থবছরে) মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট ১৫ শতাংশই থাকবে। তবে তা পর্যায়ক্রমে কমানো যেতে পারে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যথারীতি প্রতি বছর পরিবহন ও এনার্জি খাতের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এবার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরো এগিয়ে নিতে বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

‌‌‘আমরা এক সময় বৈদেশিক সাহায্য নিয়ে আসতাম। তা কম্বাইন্ড বাজেটের বেশি ছিল। সেখানে আজ এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশ। এটা থাকুক, আমরা তা চাই।’