ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

এত সুন্দর টয়লেট আমার বাড়িতেও নেই : আনিসুল হক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৬
  • ৭৩৮ বার

রাজধানীতে সুস্থ ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে দুটি গণশৌচাগার উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। গণশৌচাগার দুটি রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তার টিঅ্যান্ডটি গেট এবং নাবিস্কোর বিপরীতে হাজী মরণ আলী রাস্তার পাশে নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, আমি দেখেছি, সব জায়গায় আমাদের বোনেরা, বিশেষ করে যারা বাইরে কাজে যান বা যাতায়াত করেন, তারা সুস্থ ও নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের কথা মাথায় রেখেই এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ঢাকায় ১০০টি টয়লেট করব বলে পরিকল্পনা করেছি। চারটি নির্মাণ করা হয়েছে, বাকিগুলো নির্মাণাধীন। এসময় তিনি সবাইকে শৌচাগার সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

মেয়র বলেন, টয়লেট আপনাদের সম্পদ, এটাকে আপনাদেরই সুরক্ষা করতে হবে। এত সুন্দর টয়লেট

আমার বাড়িতেও নেই। এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু জায়গা পাওয়া যায় না, এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা।

তিনি বলেন, আমরা ৮৬টি পেট্রলপাম্পের মালিকদের ডেকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম পাম্পের জায়গায় এ ধরনের টয়লেট নির্মাণ করতে। দুঃখের বিষয়, তারা সাড়া দেননি। আগামী তিন বছরে ঢাকা অনেক বদলে যাবে।

মেয়র বলেন, জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি করেছিলাম, তার সব ক’টির কাজ শুরু করেছি। নিরাপত্তার জন্য ঢাকায় সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ৩০০-এর মতো ক্যামেরা বসানো হয়ে গেছে। দু’মাসের মধ্যে ৬০০ ক্যামেরা বসে যাবে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে অর্ধেক ঢাকা পুরো সিসি ক্যামেরার আওতায় চলে আসবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান প্রিসেল, ওয়াটার এইডের আঞ্চলিক প্রধান তেরেস লোহান প্রমুখ।

শৌচাগারের সুবিধা : এসব শৌচাগারে আছে নারীবান্ধব পরিবেশ। সেখানে নারী কেয়ারটেকার থাকবে। এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব, নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা সুরক্ষিত, পেশাদার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, মূল্যবান জিনিস রাখার জন্য কেবিনেট, সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

শৌচাগার দুটি এইচঅ্যান্ডএম কনসিয়াস ফাউন্ডেশন, ওয়াটারএইড, ঢাকা ওয়াসার সহযোগিতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্মাণ করেছে। ২০১৪ সালে প্রথম গাবতলীতে এ ধরনের পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মেজবাউল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিন এ খান, সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাজমুনাহার হেলেন প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এত সুন্দর টয়লেট আমার বাড়িতেও নেই : আনিসুল হক

আপডেট টাইম : ১১:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৬

রাজধানীতে সুস্থ ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে দুটি গণশৌচাগার উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। গণশৌচাগার দুটি রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তার টিঅ্যান্ডটি গেট এবং নাবিস্কোর বিপরীতে হাজী মরণ আলী রাস্তার পাশে নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, আমি দেখেছি, সব জায়গায় আমাদের বোনেরা, বিশেষ করে যারা বাইরে কাজে যান বা যাতায়াত করেন, তারা সুস্থ ও নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের কথা মাথায় রেখেই এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ঢাকায় ১০০টি টয়লেট করব বলে পরিকল্পনা করেছি। চারটি নির্মাণ করা হয়েছে, বাকিগুলো নির্মাণাধীন। এসময় তিনি সবাইকে শৌচাগার সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

মেয়র বলেন, টয়লেট আপনাদের সম্পদ, এটাকে আপনাদেরই সুরক্ষা করতে হবে। এত সুন্দর টয়লেট

আমার বাড়িতেও নেই। এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু জায়গা পাওয়া যায় না, এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা।

তিনি বলেন, আমরা ৮৬টি পেট্রলপাম্পের মালিকদের ডেকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম পাম্পের জায়গায় এ ধরনের টয়লেট নির্মাণ করতে। দুঃখের বিষয়, তারা সাড়া দেননি। আগামী তিন বছরে ঢাকা অনেক বদলে যাবে।

মেয়র বলেন, জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি করেছিলাম, তার সব ক’টির কাজ শুরু করেছি। নিরাপত্তার জন্য ঢাকায় সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ৩০০-এর মতো ক্যামেরা বসানো হয়ে গেছে। দু’মাসের মধ্যে ৬০০ ক্যামেরা বসে যাবে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে অর্ধেক ঢাকা পুরো সিসি ক্যামেরার আওতায় চলে আসবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান প্রিসেল, ওয়াটার এইডের আঞ্চলিক প্রধান তেরেস লোহান প্রমুখ।

শৌচাগারের সুবিধা : এসব শৌচাগারে আছে নারীবান্ধব পরিবেশ। সেখানে নারী কেয়ারটেকার থাকবে। এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব, নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা সুরক্ষিত, পেশাদার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, মূল্যবান জিনিস রাখার জন্য কেবিনেট, সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

শৌচাগার দুটি এইচঅ্যান্ডএম কনসিয়াস ফাউন্ডেশন, ওয়াটারএইড, ঢাকা ওয়াসার সহযোগিতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্মাণ করেছে। ২০১৪ সালে প্রথম গাবতলীতে এ ধরনের পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মেজবাউল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিন এ খান, সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাজমুনাহার হেলেন প্রমুখ।