ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা নতুন ভাইরাস তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই! বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা কঠিন বিপদে বা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যে ৩ আমল বেশি বেশি করবেন টাঙ্গুয়ার হাওরে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু দেশে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচার, সতর্ক করল পুলিশ বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ‘গরিবের এসি বাড়ি’ ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল জনতার, কোনো রাজনৈতিক দলের নয় : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এক দিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এত সুন্দর টয়লেট আমার বাড়িতেও নেই : আনিসুল হক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৬
  • ৭৩০ বার

রাজধানীতে সুস্থ ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে দুটি গণশৌচাগার উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। গণশৌচাগার দুটি রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তার টিঅ্যান্ডটি গেট এবং নাবিস্কোর বিপরীতে হাজী মরণ আলী রাস্তার পাশে নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, আমি দেখেছি, সব জায়গায় আমাদের বোনেরা, বিশেষ করে যারা বাইরে কাজে যান বা যাতায়াত করেন, তারা সুস্থ ও নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের কথা মাথায় রেখেই এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ঢাকায় ১০০টি টয়লেট করব বলে পরিকল্পনা করেছি। চারটি নির্মাণ করা হয়েছে, বাকিগুলো নির্মাণাধীন। এসময় তিনি সবাইকে শৌচাগার সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

মেয়র বলেন, টয়লেট আপনাদের সম্পদ, এটাকে আপনাদেরই সুরক্ষা করতে হবে। এত সুন্দর টয়লেট

আমার বাড়িতেও নেই। এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু জায়গা পাওয়া যায় না, এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা।

তিনি বলেন, আমরা ৮৬টি পেট্রলপাম্পের মালিকদের ডেকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম পাম্পের জায়গায় এ ধরনের টয়লেট নির্মাণ করতে। দুঃখের বিষয়, তারা সাড়া দেননি। আগামী তিন বছরে ঢাকা অনেক বদলে যাবে।

মেয়র বলেন, জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি করেছিলাম, তার সব ক’টির কাজ শুরু করেছি। নিরাপত্তার জন্য ঢাকায় সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ৩০০-এর মতো ক্যামেরা বসানো হয়ে গেছে। দু’মাসের মধ্যে ৬০০ ক্যামেরা বসে যাবে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে অর্ধেক ঢাকা পুরো সিসি ক্যামেরার আওতায় চলে আসবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান প্রিসেল, ওয়াটার এইডের আঞ্চলিক প্রধান তেরেস লোহান প্রমুখ।

শৌচাগারের সুবিধা : এসব শৌচাগারে আছে নারীবান্ধব পরিবেশ। সেখানে নারী কেয়ারটেকার থাকবে। এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব, নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা সুরক্ষিত, পেশাদার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, মূল্যবান জিনিস রাখার জন্য কেবিনেট, সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

শৌচাগার দুটি এইচঅ্যান্ডএম কনসিয়াস ফাউন্ডেশন, ওয়াটারএইড, ঢাকা ওয়াসার সহযোগিতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্মাণ করেছে। ২০১৪ সালে প্রথম গাবতলীতে এ ধরনের পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মেজবাউল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিন এ খান, সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাজমুনাহার হেলেন প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা

এত সুন্দর টয়লেট আমার বাড়িতেও নেই : আনিসুল হক

আপডেট টাইম : ১১:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৬

রাজধানীতে সুস্থ ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে দুটি গণশৌচাগার উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। গণশৌচাগার দুটি রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তার টিঅ্যান্ডটি গেট এবং নাবিস্কোর বিপরীতে হাজী মরণ আলী রাস্তার পাশে নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, আমি দেখেছি, সব জায়গায় আমাদের বোনেরা, বিশেষ করে যারা বাইরে কাজে যান বা যাতায়াত করেন, তারা সুস্থ ও নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের কথা মাথায় রেখেই এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ঢাকায় ১০০টি টয়লেট করব বলে পরিকল্পনা করেছি। চারটি নির্মাণ করা হয়েছে, বাকিগুলো নির্মাণাধীন। এসময় তিনি সবাইকে শৌচাগার সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

মেয়র বলেন, টয়লেট আপনাদের সম্পদ, এটাকে আপনাদেরই সুরক্ষা করতে হবে। এত সুন্দর টয়লেট

আমার বাড়িতেও নেই। এ ধরনের শৌচাগার নির্মাণের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু জায়গা পাওয়া যায় না, এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা।

তিনি বলেন, আমরা ৮৬টি পেট্রলপাম্পের মালিকদের ডেকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম পাম্পের জায়গায় এ ধরনের টয়লেট নির্মাণ করতে। দুঃখের বিষয়, তারা সাড়া দেননি। আগামী তিন বছরে ঢাকা অনেক বদলে যাবে।

মেয়র বলেন, জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি করেছিলাম, তার সব ক’টির কাজ শুরু করেছি। নিরাপত্তার জন্য ঢাকায় সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ৩০০-এর মতো ক্যামেরা বসানো হয়ে গেছে। দু’মাসের মধ্যে ৬০০ ক্যামেরা বসে যাবে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে অর্ধেক ঢাকা পুরো সিসি ক্যামেরার আওতায় চলে আসবে।

এসময় বক্তব্য রাখেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান প্রিসেল, ওয়াটার এইডের আঞ্চলিক প্রধান তেরেস লোহান প্রমুখ।

শৌচাগারের সুবিধা : এসব শৌচাগারে আছে নারীবান্ধব পরিবেশ। সেখানে নারী কেয়ারটেকার থাকবে। এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব, নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা সুরক্ষিত, পেশাদার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, মূল্যবান জিনিস রাখার জন্য কেবিনেট, সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

শৌচাগার দুটি এইচঅ্যান্ডএম কনসিয়াস ফাউন্ডেশন, ওয়াটারএইড, ঢাকা ওয়াসার সহযোগিতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্মাণ করেছে। ২০১৪ সালে প্রথম গাবতলীতে এ ধরনের পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মেজবাউল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিন এ খান, সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাজমুনাহার হেলেন প্রমুখ।