ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্নযাত্রায় ধীরগতি তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন দেখা হবে রাজপথে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রীকে কর্নেল অলি সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই জাদুঘর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণার কেন্দ্র : ড. ইউনূস

৭ মিনিটের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৪৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৩৩৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানুষ কতভাবেই না ধনী হচ্ছেন। কেউ লটারি পেয়ে, কেউবা আবার গুপ্তধন পেয়ে। রাতারাতি হচ্ছেন কোটিপতি। তবে এবার এক ব্যক্তি মাত্র ৭ মিনিটের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হলেন। ম্যাক্স ফস নামের ইংল্যান্ডের এক ব্যক্তির সঙ্গেই ঘটেছে এমন ঘটনা।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হওয়ার ঠিক ৭ মিনিট পরই তিনি নিজের ইচ্ছাতেই সেই পদ ছেড়ে দেন।। শুধু পদই না, নিজের মালিকানায় থাকা যা কিছু, সবই ত্যাগ করলেন। ম্যাক্স ফস নামের সেই ব্যক্তি কেন এমনটা করেছিলেন আর কীভাবেই বা হলেন এত সম্পত্তির মালিক চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ম্যাক্স ফস পেশায় একজন ইউটিউবার। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে ওঠার কাহিনি নিজেই বলেছেন ম্যাক্স। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডে কোম্পানি তৈরি করা খুবই সহজ। একটি ফর্ম ফিলআপ করলেই হলো।

আর সেভাবেই ম্যাক্স তৈরি করে ফেলেন নিজের কোম্পানি। কোম্পানির নামের শেষে শুধু লিমিটেডে (Ltd) লেখাটি থাকতে হবে। তিনি নিজের কোম্পানির নাম দেন আনলিমিটেড মানি লিমিটেডে (Unlimited Money Ltd)।

অনেকের মনেই প্রশ্ন আসছে এই কোম্পানি কী করে? ম্যাক্স সেখানে লেখেন, তার কোম্পানি ফ্যারিনাসিয়াস (farinaceous) তৈরি করে। ম্যাক্সের বক্তব্য এই ফ্যারিনাসিয়াস (farinaceous) শব্দের মানেও তিনি জানেন না। হাতের কাছে পেয়েছেন, তাই বসিয়ে দিয়েছেন।

এবার শেয়ারের পালা। কোম্পানির এক হাজার কোটি শেয়ারের কথা ঘোষণা করেন ম্যাক্স। তিনি বলেছেন, যদি আমি এক হাজার কোটি শেয়ারের কোম্পানি হিসেবে নাম নথিভুক্ত করি আর প্রতিটি শেয়ার ৫০ পাউন্ডে ছাড়ি, তাহলে কোম্পানির দাম গিয়ে দাঁড়ায় ৫০ হাজার কোটি পাউন্ডে। আর তাতেই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হন ম্যাক্স।

যেই ভাবনা সেই কাজ, তিনি নেমে পড়েন ব্যবসায়। লন্ডনের রাস্তায় টেবিল চেয়ার পেতে বসে পড়েন দোকান সাজিয়ে। প্রথম এক নারী একটি শেয়ার কিনে নেন। তিনি ম্যাক্সের কোম্পানিতে ৫০ পাউন্ড শেয়ার কিনেছিলেন। এরপর আরও অনেকে কিনে নেন ম্যাক্সের কোম্পানির শেয়ার।

তবে জটিলতা শুরু হয় এরপরেই। সরকারের পক্ষ থেকে ম্যাক্সকে জানানো হয়, তিনি নিজের কোম্পানির সম্পর্কে যে দাবি করেছেন, তার সপক্ষে যথাযথ বিনিয়োগ এবং মূলধন দেখাতে পারেননি। তাই শেয়ার বিক্রি করা বন্ধ করতে হবে তাকে। এমন চললে, তার বিরদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব শুনে সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি গুটিয়ে ফেলেন ম্যাক্স।

ম্যাক্সের মাত্র ৭ মিনিট লেগেছিল তার প্রথম শেয়ার বিক্রি করতে। আর সেই সময়টুকুতেই তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হয়েছেন বলে দাবি করেন ম্যাক্স। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে আসা চিঠিতে লেখা ছিল, ম্যাক্স আপনার আনলিমিটেড মানি লিমিটেডের মার্কেট ক্যাপ ৫০০ বিলিয়ন পাউন্ড হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে রাজস্ব ক্রিয়াকলাপের অভাবে আপনার কাজটি প্রতারণামূলক বলে অভিযুক্ত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি

৭ মিনিটের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী

আপডেট টাইম : ০৭:৪৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানুষ কতভাবেই না ধনী হচ্ছেন। কেউ লটারি পেয়ে, কেউবা আবার গুপ্তধন পেয়ে। রাতারাতি হচ্ছেন কোটিপতি। তবে এবার এক ব্যক্তি মাত্র ৭ মিনিটের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হলেন। ম্যাক্স ফস নামের ইংল্যান্ডের এক ব্যক্তির সঙ্গেই ঘটেছে এমন ঘটনা।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হওয়ার ঠিক ৭ মিনিট পরই তিনি নিজের ইচ্ছাতেই সেই পদ ছেড়ে দেন।। শুধু পদই না, নিজের মালিকানায় থাকা যা কিছু, সবই ত্যাগ করলেন। ম্যাক্স ফস নামের সেই ব্যক্তি কেন এমনটা করেছিলেন আর কীভাবেই বা হলেন এত সম্পত্তির মালিক চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ম্যাক্স ফস পেশায় একজন ইউটিউবার। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে ওঠার কাহিনি নিজেই বলেছেন ম্যাক্স। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডে কোম্পানি তৈরি করা খুবই সহজ। একটি ফর্ম ফিলআপ করলেই হলো।

আর সেভাবেই ম্যাক্স তৈরি করে ফেলেন নিজের কোম্পানি। কোম্পানির নামের শেষে শুধু লিমিটেডে (Ltd) লেখাটি থাকতে হবে। তিনি নিজের কোম্পানির নাম দেন আনলিমিটেড মানি লিমিটেডে (Unlimited Money Ltd)।

অনেকের মনেই প্রশ্ন আসছে এই কোম্পানি কী করে? ম্যাক্স সেখানে লেখেন, তার কোম্পানি ফ্যারিনাসিয়াস (farinaceous) তৈরি করে। ম্যাক্সের বক্তব্য এই ফ্যারিনাসিয়াস (farinaceous) শব্দের মানেও তিনি জানেন না। হাতের কাছে পেয়েছেন, তাই বসিয়ে দিয়েছেন।

এবার শেয়ারের পালা। কোম্পানির এক হাজার কোটি শেয়ারের কথা ঘোষণা করেন ম্যাক্স। তিনি বলেছেন, যদি আমি এক হাজার কোটি শেয়ারের কোম্পানি হিসেবে নাম নথিভুক্ত করি আর প্রতিটি শেয়ার ৫০ পাউন্ডে ছাড়ি, তাহলে কোম্পানির দাম গিয়ে দাঁড়ায় ৫০ হাজার কোটি পাউন্ডে। আর তাতেই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হন ম্যাক্স।

যেই ভাবনা সেই কাজ, তিনি নেমে পড়েন ব্যবসায়। লন্ডনের রাস্তায় টেবিল চেয়ার পেতে বসে পড়েন দোকান সাজিয়ে। প্রথম এক নারী একটি শেয়ার কিনে নেন। তিনি ম্যাক্সের কোম্পানিতে ৫০ পাউন্ড শেয়ার কিনেছিলেন। এরপর আরও অনেকে কিনে নেন ম্যাক্সের কোম্পানির শেয়ার।

তবে জটিলতা শুরু হয় এরপরেই। সরকারের পক্ষ থেকে ম্যাক্সকে জানানো হয়, তিনি নিজের কোম্পানির সম্পর্কে যে দাবি করেছেন, তার সপক্ষে যথাযথ বিনিয়োগ এবং মূলধন দেখাতে পারেননি। তাই শেয়ার বিক্রি করা বন্ধ করতে হবে তাকে। এমন চললে, তার বিরদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব শুনে সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি গুটিয়ে ফেলেন ম্যাক্স।

ম্যাক্সের মাত্র ৭ মিনিট লেগেছিল তার প্রথম শেয়ার বিক্রি করতে। আর সেই সময়টুকুতেই তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হয়েছেন বলে দাবি করেন ম্যাক্স। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে আসা চিঠিতে লেখা ছিল, ম্যাক্স আপনার আনলিমিটেড মানি লিমিটেডের মার্কেট ক্যাপ ৫০০ বিলিয়ন পাউন্ড হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে রাজস্ব ক্রিয়াকলাপের অভাবে আপনার কাজটি প্রতারণামূলক বলে অভিযুক্ত হয়েছে।