ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

‘মশাল’ কার, সিদ্ধান্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৬
  • ৩৮১ বার

জাসদের ‘মশাল’ শেষ পযন্ত স্থায়ীভাবে জাসদের কোন অংশের হবে, সে সিদ্ধান্ত হবে বুধবার। তবে সেটি শেষ পযন্ত হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন অংশই পেতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রগুলো বলছে। এক্ষেত্রে ‍বুধবার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গত ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত জাসদের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে বিরোধের জেরে সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি অংশ দল থেকে বের হয়ে যায়। এরপর তারা নিজেদের প্রকৃত জাসদ আখ্যা দিয়ে কমিটি ঘোষণা করে। একই সঙ্গে হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন অংশটিও কমিটি গঠন করে।

এরপর দু’পক্ষই নিজেদের প্রকৃত জাসদ দাবি করে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নিজেদের সমির্থত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ‘মশাল’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ইসিতে চিঠি দেয়।

‘মশাল’ কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণে ৬ এপ্রিল দু’পক্ষেরই শুনানি করে ইসি। শুনানি শেষে আপাতত দু’পক্ষকেই ‘মশাল’ দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

এরপর রোববার ১০ এপ্রিল ‘মশাল’ অন্য কাউকে না দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদকে চিঠি দেন হাসানুল হক ইনু।

ইসি’র কর্মকর্তারা জানান, শুনানির সময় দু’পক্ষকেই দলের কাউন্সিলের দলিলাদি এবং কাউন্সিরলদের মধ্যে কোন পক্ষের অধীনে কত কাউন্সিলর ও সদস্য রয়েছেন ইত্যাদি তথ্য দেওয়ার জন্য বলা হয়। সে সময় দু’পক্ষই দলিলাদি জমা দেয়।

সেসব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জাসদের কাউন্সিলের সময় সভাপতি পদ নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব হয়নি। সে সময় সবার সমর্থনেই হাসানুল হক ইনু সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাই তার অংশটিকেই মূল জাসদ হিসেবে সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা ভাবছে ইসি।

এ বিষয়ে এক নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, আমি হাসানুল হক ইনুকেই ‘মশাল’ প্রতীক দেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছি।

নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, আমি ফাইলে মতামত দিয়েছি। মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনজন নির্বাচন কমিশনার ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন।

জানা গেছে, বুধবার সকালে নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক ও সিইসি মতামত দিলে দু’পক্ষকেই চিঠি দিয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে শরীফ নুরুল আম্বিয়ার পক্ষের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দীন খান বাদল সাংবাদিকদের জানান, ইসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে আমরা আদালতে যাবো কি-না। এক্ষেত্রে দলের সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

‘মশাল’ কার, সিদ্ধান্ত

আপডেট টাইম : ১২:০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৬

জাসদের ‘মশাল’ শেষ পযন্ত স্থায়ীভাবে জাসদের কোন অংশের হবে, সে সিদ্ধান্ত হবে বুধবার। তবে সেটি শেষ পযন্ত হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন অংশই পেতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রগুলো বলছে। এক্ষেত্রে ‍বুধবার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গত ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত জাসদের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে বিরোধের জেরে সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি অংশ দল থেকে বের হয়ে যায়। এরপর তারা নিজেদের প্রকৃত জাসদ আখ্যা দিয়ে কমিটি ঘোষণা করে। একই সঙ্গে হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন অংশটিও কমিটি গঠন করে।

এরপর দু’পক্ষই নিজেদের প্রকৃত জাসদ দাবি করে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নিজেদের সমির্থত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ‘মশাল’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ইসিতে চিঠি দেয়।

‘মশাল’ কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণে ৬ এপ্রিল দু’পক্ষেরই শুনানি করে ইসি। শুনানি শেষে আপাতত দু’পক্ষকেই ‘মশাল’ দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

এরপর রোববার ১০ এপ্রিল ‘মশাল’ অন্য কাউকে না দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদকে চিঠি দেন হাসানুল হক ইনু।

ইসি’র কর্মকর্তারা জানান, শুনানির সময় দু’পক্ষকেই দলের কাউন্সিলের দলিলাদি এবং কাউন্সিরলদের মধ্যে কোন পক্ষের অধীনে কত কাউন্সিলর ও সদস্য রয়েছেন ইত্যাদি তথ্য দেওয়ার জন্য বলা হয়। সে সময় দু’পক্ষই দলিলাদি জমা দেয়।

সেসব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জাসদের কাউন্সিলের সময় সভাপতি পদ নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব হয়নি। সে সময় সবার সমর্থনেই হাসানুল হক ইনু সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাই তার অংশটিকেই মূল জাসদ হিসেবে সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা ভাবছে ইসি।

এ বিষয়ে এক নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, আমি হাসানুল হক ইনুকেই ‘মশাল’ প্রতীক দেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছি।

নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, আমি ফাইলে মতামত দিয়েছি। মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনজন নির্বাচন কমিশনার ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন।

জানা গেছে, বুধবার সকালে নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক ও সিইসি মতামত দিলে দু’পক্ষকেই চিঠি দিয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে শরীফ নুরুল আম্বিয়ার পক্ষের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দীন খান বাদল সাংবাদিকদের জানান, ইসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে আমরা আদালতে যাবো কি-না। এক্ষেত্রে দলের সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।