ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্নযাত্রায় ধীরগতি তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন দেখা হবে রাজপথে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রীকে কর্নেল অলি সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই জাদুঘর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণার কেন্দ্র : ড. ইউনূস

বিশ্বের সবচেয়ে লজ্জাবতী ফুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২১৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাত দিয়ে ছুলেই নুইয়ে পড়ছে লজ্জায়। এমন গাছ ঝোপঝাড়ে প্রায়ই দেখতে পাওয়া যায়। যা আমাদের দেশে লজ্জাবতী গাছ নামেই পরিচিত। তবে এর সাদা বা গোলাপি ফুলের এই বৈশিষ্ট্য নেই।

কয়েক বছর আগে তিব্বতের নাগচুরের একটি হ্রদের কাছে এমনই একটি ফুল আবিষ্কৃত হয়। যেটি আবিষ্কার করেন হুবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব রিসোর্সেস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের গবেষকদের একটি দল। স্পর্শ করার পর মাত্র সাত সেকেন্ডের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় ফুলটি। এজন্য একে বিশ্বের সবচেয়ে লজ্জাবতী ফুল বলা হয়েছে।

ফুলটির নাম জেন্টিয়ানা। চীনা বিজ্ঞানীরা কিংহাই-তিব্বত মালভূমিতে আবিষ্কৃত জেন্টিয়ানার চারটি প্রজাতির উপর পরিচালিত একটি গবেষণা প্রকাশ করেছেন, প্রাথমিকভাবে তারা ফুলের স্পর্শে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষমতার উপর ফোকাস করে। উদ্ভিদকে সাধারণত স্থির জীব হিসেবে ধরা হয়। শুধু ব্যতিক্রম হলো মাংসাশী উদ্ভিদ, যেমন ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ। এগুলো কিছুর স্পর্শ পেলেই নিজেকে গুটিয়ে নেয়।

গবেষণায় তিব্বতের মালভূমিতে আবিষ্কৃত চারটি নতুন প্রজাতির জেন্টিয়ানা ফুলের প্রতিক্রিয়া দেখা হয়। এই ফুলগুলো মাত্র ৭ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

হুবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব রিসোর্সেস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের অধ্যাপক ডাই ক্যান বলেছেন, দলের সদস্যরা এলাকার অন্যান্য ছোট ফুলগুলোকেও স্পর্শ করে দেখেছিল। কিন্তু আর কোনো ফুলই এমন নুইয়ে পড়েনি। আসলে তারা এটা প্রমাণ করতে চেয়েছিল যে জেন্টিয়ানার নড়াচড়া সত্যি। তাদের হ্যালুসিনেশন না।

গবেষকরা বলছনে, এই ফুলটির এমন বৈশিষ্ট্যের কারণ হতে পারে বেশ কয়েকটি। পোকামাকড়ের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে তারা এমন করে। আবার হতে পারে ভ্রমর কে আকৃষ্ট করার একটি কৌশল এটি।

চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের উহান বোটানিক্যাল গার্ডেনের একজন গবেষক ওয়াং কিংফেং বলেছেন, প্ররোচিত প্রতিরক্ষা এবং পরাগায়নের জন্যই জেন্টিয়ানা ফুল কারও স্পর্শ পেলেই সাড়া দেয়।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি

বিশ্বের সবচেয়ে লজ্জাবতী ফুল

আপডেট টাইম : ০২:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাত দিয়ে ছুলেই নুইয়ে পড়ছে লজ্জায়। এমন গাছ ঝোপঝাড়ে প্রায়ই দেখতে পাওয়া যায়। যা আমাদের দেশে লজ্জাবতী গাছ নামেই পরিচিত। তবে এর সাদা বা গোলাপি ফুলের এই বৈশিষ্ট্য নেই।

কয়েক বছর আগে তিব্বতের নাগচুরের একটি হ্রদের কাছে এমনই একটি ফুল আবিষ্কৃত হয়। যেটি আবিষ্কার করেন হুবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব রিসোর্সেস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের গবেষকদের একটি দল। স্পর্শ করার পর মাত্র সাত সেকেন্ডের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় ফুলটি। এজন্য একে বিশ্বের সবচেয়ে লজ্জাবতী ফুল বলা হয়েছে।

ফুলটির নাম জেন্টিয়ানা। চীনা বিজ্ঞানীরা কিংহাই-তিব্বত মালভূমিতে আবিষ্কৃত জেন্টিয়ানার চারটি প্রজাতির উপর পরিচালিত একটি গবেষণা প্রকাশ করেছেন, প্রাথমিকভাবে তারা ফুলের স্পর্শে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষমতার উপর ফোকাস করে। উদ্ভিদকে সাধারণত স্থির জীব হিসেবে ধরা হয়। শুধু ব্যতিক্রম হলো মাংসাশী উদ্ভিদ, যেমন ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ। এগুলো কিছুর স্পর্শ পেলেই নিজেকে গুটিয়ে নেয়।

গবেষণায় তিব্বতের মালভূমিতে আবিষ্কৃত চারটি নতুন প্রজাতির জেন্টিয়ানা ফুলের প্রতিক্রিয়া দেখা হয়। এই ফুলগুলো মাত্র ৭ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

হুবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব রিসোর্সেস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের অধ্যাপক ডাই ক্যান বলেছেন, দলের সদস্যরা এলাকার অন্যান্য ছোট ফুলগুলোকেও স্পর্শ করে দেখেছিল। কিন্তু আর কোনো ফুলই এমন নুইয়ে পড়েনি। আসলে তারা এটা প্রমাণ করতে চেয়েছিল যে জেন্টিয়ানার নড়াচড়া সত্যি। তাদের হ্যালুসিনেশন না।

গবেষকরা বলছনে, এই ফুলটির এমন বৈশিষ্ট্যের কারণ হতে পারে বেশ কয়েকটি। পোকামাকড়ের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে তারা এমন করে। আবার হতে পারে ভ্রমর কে আকৃষ্ট করার একটি কৌশল এটি।

চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের উহান বোটানিক্যাল গার্ডেনের একজন গবেষক ওয়াং কিংফেং বলেছেন, প্ররোচিত প্রতিরক্ষা এবং পরাগায়নের জন্যই জেন্টিয়ানা ফুল কারও স্পর্শ পেলেই সাড়া দেয়।