ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস

গ্রিস সীমান্তে ১৯ জনের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না অনেক বাংলাদেশির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২৪২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তুরস্ক থেকে গ্রিসে যাওয়া হলো না, তীব্র ঠান্ডা কেড়ে নিলো ১৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর প্রাণ। গত বুধবার ১২ জন ও বৃহস্পতিবার সাতজনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে তুরস্ক। এ ঘটনায় গ্রিসকে দায়ী করেছে আঙ্কারা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এথেন্স।

ইনফোমাইগ্রেন্টস-এর তথ্য বলছে, গত বুধবার তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তের কাছ থেকে ১২ জনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানান দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোয়লু। এর পরদিন বৃহস্পতিবার এডির্নের প্রশাসন সেখানকার সীমান্ত এলাকা থেকে আরও সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দেয়।

সেখানকার গভর্নরের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঠান্ডায় জমে মারা যাওয়া অভিবাসীপ্রত্যাশীদের সংখ্যা দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

সুলেমান সোয়লু টুইটে দাবি করেছেন, বুধবার মোট ২২ জনের একটি দলকে গ্রিস সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠায় দেশটির সীমান্তরক্ষীরা। এ সময় তাদের শার্ট ও জুতাও খুলে রেখে দেয়। ফলে তীব্র ঠান্ডায় ১২ জন পথেই প্রাণ হারান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গ্রিস। দেশটির অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী নোতিস মিতারাচি তুরস্কের দাবিকে ‘মিথ্যা অপপ্রচার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কখনোই (গ্রিক) সীমান্তে আসেনি। তারা এসেছিল বা তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছিল এমন দাবি কাণ্ডজ্ঞানহীন। ভিত্তিহীন অভিযোগ করার বদলে তুরস্কের উচিত এই ধরনের বিপজ্জনক যাত্রা ঠেকাতে তার দায়িত্ব পালন করা।

ইউরোপের ২৭ দেশের স্বরাষ্টমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আগমুহূর্তে বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, এখানে গ্রিসের মন্ত্রী রয়েছেন, আমি বিষয়টি তার কাছে তুলে ধরবো এবং এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইবো। এটার অবশ্যই তদন্ত হতে হবে।

এদিকে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টুইটে দেওয়া ঝাপসা ছবিতে রাস্তার পাশে অর্ধনগ্ন মরদেহগুলো পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিগুলো তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের ইপসালা শহরের সীমান্ত এলাকা থেকে তোলা বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারা কোন দেশের সেটি জানাননি।

জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। আরও দুই বাংলাদেশি জীবিত ফিরে এসেছেন। এছাড়াও তুরস্ক থেকে গ্রিস প্রবেশকালে আরও অনেক বাংলাদেশির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায়।

তাদের স্বজনরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রিসে বাংলাদেশিদের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ছবি প্রকাশ করে সন্ধান চাচ্ছেন। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি কমিউনিটি ও গ্রিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন”

গ্রিস সীমান্তে ১৯ জনের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না অনেক বাংলাদেশির

আপডেট টাইম : ০৯:৫০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তুরস্ক থেকে গ্রিসে যাওয়া হলো না, তীব্র ঠান্ডা কেড়ে নিলো ১৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর প্রাণ। গত বুধবার ১২ জন ও বৃহস্পতিবার সাতজনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে তুরস্ক। এ ঘটনায় গ্রিসকে দায়ী করেছে আঙ্কারা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এথেন্স।

ইনফোমাইগ্রেন্টস-এর তথ্য বলছে, গত বুধবার তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তের কাছ থেকে ১২ জনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানান দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোয়লু। এর পরদিন বৃহস্পতিবার এডির্নের প্রশাসন সেখানকার সীমান্ত এলাকা থেকে আরও সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দেয়।

সেখানকার গভর্নরের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঠান্ডায় জমে মারা যাওয়া অভিবাসীপ্রত্যাশীদের সংখ্যা দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

সুলেমান সোয়লু টুইটে দাবি করেছেন, বুধবার মোট ২২ জনের একটি দলকে গ্রিস সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠায় দেশটির সীমান্তরক্ষীরা। এ সময় তাদের শার্ট ও জুতাও খুলে রেখে দেয়। ফলে তীব্র ঠান্ডায় ১২ জন পথেই প্রাণ হারান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গ্রিস। দেশটির অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী নোতিস মিতারাচি তুরস্কের দাবিকে ‘মিথ্যা অপপ্রচার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কখনোই (গ্রিক) সীমান্তে আসেনি। তারা এসেছিল বা তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছিল এমন দাবি কাণ্ডজ্ঞানহীন। ভিত্তিহীন অভিযোগ করার বদলে তুরস্কের উচিত এই ধরনের বিপজ্জনক যাত্রা ঠেকাতে তার দায়িত্ব পালন করা।

ইউরোপের ২৭ দেশের স্বরাষ্টমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আগমুহূর্তে বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, এখানে গ্রিসের মন্ত্রী রয়েছেন, আমি বিষয়টি তার কাছে তুলে ধরবো এবং এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইবো। এটার অবশ্যই তদন্ত হতে হবে।

এদিকে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টুইটে দেওয়া ঝাপসা ছবিতে রাস্তার পাশে অর্ধনগ্ন মরদেহগুলো পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিগুলো তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের ইপসালা শহরের সীমান্ত এলাকা থেকে তোলা বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারা কোন দেশের সেটি জানাননি।

জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। আরও দুই বাংলাদেশি জীবিত ফিরে এসেছেন। এছাড়াও তুরস্ক থেকে গ্রিস প্রবেশকালে আরও অনেক বাংলাদেশির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায়।

তাদের স্বজনরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রিসে বাংলাদেশিদের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ছবি প্রকাশ করে সন্ধান চাচ্ছেন। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি কমিউনিটি ও গ্রিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।