ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায় জবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন অফিসে অবস্থান-জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা স্বাস্থ্য খাত দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সরকারি ছুটিতেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল পরিদর্শনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামাতে ৪ মুসলিম দেশের জরুরি বৈঠক শুরু মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মামুন ও মাসুদ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার করে নতুন ডিসি নিয়োগ ঢাকায় পৌঁছেছে স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের মরদেহ

জন্মের আগেই যেসব নবি-রাসুলের নাম রেখেছিলেন আল্লাহ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২২৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহ তাআলা ৫ জন নবি-রাসুলের নাম তাদের জন্মের আগেই রেখেছিলেন। কোরআনের বর্ণনায় তা ওঠে এসেছে। এসব নবি-রাসুলের আগমনের আগেই আল্লাহ তাআলা তাদের আগে আগমনকারী নবি-রাসুলদের মাধ্যমে সুসংবাদ দিয়েছেন। কোরআনের বর্ণনায় তা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। সেসব নবি-রাসুল কারা; যাদের নাম রাখার ঘোষণা এসেছে কোরআনে?

১. হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
وَ اِذۡ قَالَ عِیۡسَی ابۡنُ مَرۡیَمَ یٰبَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ اِنِّیۡ رَسُوۡلُ اللّٰهِ اِلَیۡکُمۡ مُّصَدِّقًا لِّمَا بَیۡنَ یَدَیَّ مِنَ التَّوۡرٰىۃِ وَ مُبَشِّرًۢا بِرَسُوۡلٍ یَّاۡتِیۡ مِنۡۢ بَعۡدِی اسۡمُهٗۤ اَحۡمَدُ ؕ فَلَمَّا جَآءَهُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ قَالُوۡا هٰذَا سِحۡرٌ مُّبِیۡنٌ
আর যখন মারইয়াম পুত্র ঈসা বলেছিল, ‘হে বনি ইসরাইল! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রাসুল। আমার পূর্ববর্তী তাওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং একজন রাসুলের সুসংবাদদাতা; যিনি আমার পরে আসবেন। যার নাম ‘আহমদ’। এরপর সে যখন সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে আগমন করলো, তখন তারা বলল, ‘এটাতো স্পষ্ট জাদু’।’ (সুরা আস-সফ : আয়াত ৬)

২. হজরত ইসহাক আলাইহিস সালাম
وَ بَشَّرۡنٰهُ بِاِسۡحٰقَ نَبِیًّا مِّنَ الصّٰلِحِیۡنَ
‘আর আমরা তাকে (ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে) সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের, তিনি ছিলেন একজন নবি, সৎকর্ম পরায়ণদের অন্যতম।’ (সুরা আস-সাফফাত : আয়াত ১১২)

৩. হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম
وَ امۡرَاَتُهٗ قَآئِمَۃٌ فَضَحِکَتۡ فَبَشَّرۡنٰهَا بِاِسۡحٰقَ ۙ وَ مِنۡ وَّرَآءِ اِسۡحٰقَ یَعۡقُوۡبَ
আর তাঁর (ইবরাহিমের) স্ত্রী দাঁড়িয়েছিল, সে হেসে ফেলল। তখন আমি তাকে (ইবরাহিমের স্ত্রীকে) ইসহাকের আর ইসহাকের পর ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।’ (সুরা হুদ : আয়াত ৭১)

৪. হজরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম
یٰزَکَرِیَّاۤ اِنَّا نُبَشِّرُکَ بِغُلٰمِۣ اسۡمُهٗ یَحۡیٰی ۙ لَمۡ نَجۡعَلۡ لَّهٗ مِنۡ قَبۡلُ سَمِیًّا
‘(আল্লাহ বললেন) ‘হে যাকারিয়া! আমি তোমাকে একটি পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিচ্ছি; তার নাম- ইয়াহইয়া। ইতিপূর্বে কাউকে আমি এ নাম দেইনি।’ (সুরা মারইয়াম : আয়াত ৭)

৫. হজরত ঈসা আলাইহিস সালামের আগমনের সুসংবাদ
اِذۡ قَالَتِ الۡمَلٰٓئِکَۃُ یٰمَرۡیَمُ اِنَّ اللّٰهَ یُبَشِّرُکِ بِکَلِمَۃٍ مِّنۡهُ ٭ۖ اسۡمُهُ الۡمَسِیۡحُ عِیۡسَی ابۡنُ مَرۡیَمَ وَجِیۡهًا فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ وَ مِنَ الۡمُقَرَّبِیۡنَ
‘স্মরণ করুন, যখন ফেরেশতাগণ বললেন, ‘হে মারইয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নিজের পক্ষ থেকে একটি কালেমার (দ্বারা সৃষ্ট সন্তানের) সুসংবাদ দিচ্ছেন। যার নাম হবে মসিহ, মারইয়াম তনয় ঈসা। তিনি হবেন দুনিয়া ও পরকালে সম্মানিত এবং সান্নিধ্যপ্রাপ্তগণের অন্যতম হবেন।’ (সুরা আল-ইমরান : ৪৫)

কোরআনে উল্লেখিত এ পাঁচ নবি-রাসুলের জন্মের আগেই মহান আল্লাহ তাদের নামকরণ করেছিলেন। দুনিয়াতে তাদের নাম কী হবে তা সুস্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন। আর প্রত্যেকটি নামই ছিল অভিনব ও ব্যতিক্রম। এর সবই ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য সত্যতার নিদর্শন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায়

জন্মের আগেই যেসব নবি-রাসুলের নাম রেখেছিলেন আল্লাহ

আপডেট টাইম : ০৮:০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহ তাআলা ৫ জন নবি-রাসুলের নাম তাদের জন্মের আগেই রেখেছিলেন। কোরআনের বর্ণনায় তা ওঠে এসেছে। এসব নবি-রাসুলের আগমনের আগেই আল্লাহ তাআলা তাদের আগে আগমনকারী নবি-রাসুলদের মাধ্যমে সুসংবাদ দিয়েছেন। কোরআনের বর্ণনায় তা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। সেসব নবি-রাসুল কারা; যাদের নাম রাখার ঘোষণা এসেছে কোরআনে?

১. হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
وَ اِذۡ قَالَ عِیۡسَی ابۡنُ مَرۡیَمَ یٰبَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ اِنِّیۡ رَسُوۡلُ اللّٰهِ اِلَیۡکُمۡ مُّصَدِّقًا لِّمَا بَیۡنَ یَدَیَّ مِنَ التَّوۡرٰىۃِ وَ مُبَشِّرًۢا بِرَسُوۡلٍ یَّاۡتِیۡ مِنۡۢ بَعۡدِی اسۡمُهٗۤ اَحۡمَدُ ؕ فَلَمَّا جَآءَهُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ قَالُوۡا هٰذَا سِحۡرٌ مُّبِیۡنٌ
আর যখন মারইয়াম পুত্র ঈসা বলেছিল, ‘হে বনি ইসরাইল! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রাসুল। আমার পূর্ববর্তী তাওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং একজন রাসুলের সুসংবাদদাতা; যিনি আমার পরে আসবেন। যার নাম ‘আহমদ’। এরপর সে যখন সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে আগমন করলো, তখন তারা বলল, ‘এটাতো স্পষ্ট জাদু’।’ (সুরা আস-সফ : আয়াত ৬)

২. হজরত ইসহাক আলাইহিস সালাম
وَ بَشَّرۡنٰهُ بِاِسۡحٰقَ نَبِیًّا مِّنَ الصّٰلِحِیۡنَ
‘আর আমরা তাকে (ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে) সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের, তিনি ছিলেন একজন নবি, সৎকর্ম পরায়ণদের অন্যতম।’ (সুরা আস-সাফফাত : আয়াত ১১২)

৩. হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম
وَ امۡرَاَتُهٗ قَآئِمَۃٌ فَضَحِکَتۡ فَبَشَّرۡنٰهَا بِاِسۡحٰقَ ۙ وَ مِنۡ وَّرَآءِ اِسۡحٰقَ یَعۡقُوۡبَ
আর তাঁর (ইবরাহিমের) স্ত্রী দাঁড়িয়েছিল, সে হেসে ফেলল। তখন আমি তাকে (ইবরাহিমের স্ত্রীকে) ইসহাকের আর ইসহাকের পর ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।’ (সুরা হুদ : আয়াত ৭১)

৪. হজরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম
یٰزَکَرِیَّاۤ اِنَّا نُبَشِّرُکَ بِغُلٰمِۣ اسۡمُهٗ یَحۡیٰی ۙ لَمۡ نَجۡعَلۡ لَّهٗ مِنۡ قَبۡلُ سَمِیًّا
‘(আল্লাহ বললেন) ‘হে যাকারিয়া! আমি তোমাকে একটি পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিচ্ছি; তার নাম- ইয়াহইয়া। ইতিপূর্বে কাউকে আমি এ নাম দেইনি।’ (সুরা মারইয়াম : আয়াত ৭)

৫. হজরত ঈসা আলাইহিস সালামের আগমনের সুসংবাদ
اِذۡ قَالَتِ الۡمَلٰٓئِکَۃُ یٰمَرۡیَمُ اِنَّ اللّٰهَ یُبَشِّرُکِ بِکَلِمَۃٍ مِّنۡهُ ٭ۖ اسۡمُهُ الۡمَسِیۡحُ عِیۡسَی ابۡنُ مَرۡیَمَ وَجِیۡهًا فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ وَ مِنَ الۡمُقَرَّبِیۡنَ
‘স্মরণ করুন, যখন ফেরেশতাগণ বললেন, ‘হে মারইয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে নিজের পক্ষ থেকে একটি কালেমার (দ্বারা সৃষ্ট সন্তানের) সুসংবাদ দিচ্ছেন। যার নাম হবে মসিহ, মারইয়াম তনয় ঈসা। তিনি হবেন দুনিয়া ও পরকালে সম্মানিত এবং সান্নিধ্যপ্রাপ্তগণের অন্যতম হবেন।’ (সুরা আল-ইমরান : ৪৫)

কোরআনে উল্লেখিত এ পাঁচ নবি-রাসুলের জন্মের আগেই মহান আল্লাহ তাদের নামকরণ করেছিলেন। দুনিয়াতে তাদের নাম কী হবে তা সুস্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন। আর প্রত্যেকটি নামই ছিল অভিনব ও ব্যতিক্রম। এর সবই ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য সত্যতার নিদর্শন।