ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খাল খনন অব্যাহত থাকলে দেশে নতুন বিপ্লব সৃষ্টি হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী সরকারের দুই মাসে ৬০ পদক্ষেপ এক অবিস্মরণীয় অর্জন: মাহদী আমিন আমার বেতন-ভাতা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিলিয়ে দেব : কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের পাকিস্তানের দল ঘোষণা, নতুন কোচ সরফরাজ হরমুজ প্রণালীতে পুনরায় ‘কঠোর নিয়ন্ত্রণ’ আরোপ করল ইরান এ বছর হজে যাচ্ছেন সাড়ে ৭৮ হাজার বাংলাদেশি যেসব কারণে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা বাতিল ও বহিষ্কার বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : তারেক রহমান ‘নারী শিক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম’ এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি : স্পিকার

বাসা কেমন হবে, সিদ্ধান্ত নেয় পাখি যুগল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০১৫
  • ১০২৭ বার

বাসা বাঁধে এমন প্রাণীর সংখ্যা বিশ্বে কম নয়। এদের মধ্যে নান্দনিক বাসা বাঁধায় পাখি কখনও কখনও মানুষকেও হার মানিয়ে দেয়। প্রজাতি ভেদে পাখি যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমন অঞ্চল ভেদে বৈচিত্র্যের দিক থেকে তাদের বাসাও কম যায় না।

পাখির বাসা কেন ভিন্ন ধরনের হয়- এ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই গবেষণা করছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের অনুসন্ধানে দেখা যায়, পাখি মূলত ‍বাসা বাঁধে শিকারি প্রাণীর হাত থেকে সন্তানদের, কখনও কখনও নিজেদেরও রক্ষা করতে।

এ ভাবনা থেকেই বাসার ‍অবস্থান, অর্থাৎ মাটি থেকে ঠিক কতটা উপরে, কেমন পরিবেশে, বাসা তৈরিতে কি ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হবে এবং আকৃতি কেমন হবে এসব নির্ধারণ করে পাখি যুগল।

স্কটল্যান্ডের দ্য ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট এন্ড্রোস-এর গবেষক জ্যাক্যারি হল, শেলী অটি এবং সুসান হেলী বলেন, এ পর্যন্ত আমরা খুব সামান্য জানতে পেরেছি। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাসার ধরন নির্ধারণে শিকারি প্রাণীর চিন্তাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘কেন পাখির বাসার ধরন ‍আলাদা হয়’ এ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে হল ‘নিউরো-বায়োলজি অব নেস্ট-বিল্ডিং বিহ্যাভিয়র’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি নেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় এটা খুবই অশ্চর্যজনক! কারণ পাখির প্রজাতি ভেদে ও অঞ্চল ভেদে বাসার ধরন বদলে যায়। প্রায় ১৫৫টি প্রজাতির পাখির বাসা পর্যবেক্ষণ কর‍া হয় এ গবেষণায়।

এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, যেসব পাখিরা মাটির কাছাকাছি বসবাস করে, এলাকা পরিবর্তন করলে তারা বাসার ‍অবস্থানও পাল্টে ফেলে। কখনও কখনও গাছের মগডালেও বাসা বাঁধে। মূলত শিকারি প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা পেতেই এমনটা করে থাকে তারা। এই চিন্তা থেকে বাসা তৈরি উপকরণও তারা বদলে ফেলে।

হল আরও বলেন, এই কাজটি করে আমরা খুবই আনন্দিত। তবে আমাদের গবেষণা এখনও আইসবার্গ অবস্থায় রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, ধারাবাহিকভাবে আরও জানা সম্ভব হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খনন অব্যাহত থাকলে দেশে নতুন বিপ্লব সৃষ্টি হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

বাসা কেমন হবে, সিদ্ধান্ত নেয় পাখি যুগল

আপডেট টাইম : ০৪:০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০১৫

বাসা বাঁধে এমন প্রাণীর সংখ্যা বিশ্বে কম নয়। এদের মধ্যে নান্দনিক বাসা বাঁধায় পাখি কখনও কখনও মানুষকেও হার মানিয়ে দেয়। প্রজাতি ভেদে পাখি যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমন অঞ্চল ভেদে বৈচিত্র্যের দিক থেকে তাদের বাসাও কম যায় না।

পাখির বাসা কেন ভিন্ন ধরনের হয়- এ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই গবেষণা করছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের অনুসন্ধানে দেখা যায়, পাখি মূলত ‍বাসা বাঁধে শিকারি প্রাণীর হাত থেকে সন্তানদের, কখনও কখনও নিজেদেরও রক্ষা করতে।

এ ভাবনা থেকেই বাসার ‍অবস্থান, অর্থাৎ মাটি থেকে ঠিক কতটা উপরে, কেমন পরিবেশে, বাসা তৈরিতে কি ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হবে এবং আকৃতি কেমন হবে এসব নির্ধারণ করে পাখি যুগল।

স্কটল্যান্ডের দ্য ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট এন্ড্রোস-এর গবেষক জ্যাক্যারি হল, শেলী অটি এবং সুসান হেলী বলেন, এ পর্যন্ত আমরা খুব সামান্য জানতে পেরেছি। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাসার ধরন নির্ধারণে শিকারি প্রাণীর চিন্তাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘কেন পাখির বাসার ধরন ‍আলাদা হয়’ এ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে হল ‘নিউরো-বায়োলজি অব নেস্ট-বিল্ডিং বিহ্যাভিয়র’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি নেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় এটা খুবই অশ্চর্যজনক! কারণ পাখির প্রজাতি ভেদে ও অঞ্চল ভেদে বাসার ধরন বদলে যায়। প্রায় ১৫৫টি প্রজাতির পাখির বাসা পর্যবেক্ষণ কর‍া হয় এ গবেষণায়।

এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, যেসব পাখিরা মাটির কাছাকাছি বসবাস করে, এলাকা পরিবর্তন করলে তারা বাসার ‍অবস্থানও পাল্টে ফেলে। কখনও কখনও গাছের মগডালেও বাসা বাঁধে। মূলত শিকারি প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা পেতেই এমনটা করে থাকে তারা। এই চিন্তা থেকে বাসা তৈরি উপকরণও তারা বদলে ফেলে।

হল আরও বলেন, এই কাজটি করে আমরা খুবই আনন্দিত। তবে আমাদের গবেষণা এখনও আইসবার্গ অবস্থায় রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, ধারাবাহিকভাবে আরও জানা সম্ভব হবে।