ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০২২
  • ৩৪৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চলতি মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ার ব্যাপারে প্রত্যয় ব্যক্ত করলেও ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আশংকায় রয়েছে খাদ্য বিভাগ।

গত বছরের ৭ নভেম্বর আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সময় চাল ৪০ টাকা ও ধান ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ধান ও চাল উভয়েরই বাজারদর সরকারঘোষিত রেটের চেয়ে অনেক বেশি।

জেলার কৃষকরা বলছে, সরকারঘোষিত রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ধান কৃষকের উঠান থেকে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছেন তাহলে লোকসান দিয়ে সরকারি গুদামে ধান দিতে কেন যাব? তাছাড়া সেখানে ধান দিতে গেলে নিজ খরচে পৌঁছে দিতে হবে, ধানের আদ্রতা ঠিক রাখতে হবে, সেইসঙ্গে অফিশিয়াল ঝামেলা আছে।

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনের পর থেকে ২৭ ডিসেম্বর ধান সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮৪০ টন। আর সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৪ হাজার ৩২৩ টন। যা লক্ষ্যমাত্রার ১৩ শতাংশ মাত্র। অপরদিকে চাল সংগ্রহ হয়েছে ৩৫ হাজার ৩৬০ টন। লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৯ হাজার টন। ফলে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেও ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বিরল উপজেলার কৃষক মতিউর রহমান জানান, সরকারঘোষিত ধানের মূল্য ২৭ টাকা কেজি। অপরদিকে ধান ব্যবসায়ী ও মিলাররা আমার বাড়ির উঠান থেকে ২৮/২৯ টাকা কেজি দরে ধান নিয়ে যাচ্ছে। আমাকে কোনো ঝামেলাই করতে হচ্ছে না। তাহলে আমি কেন কম দামে ধান দিতে যাব? এর বাইরেও সরকারি খাদ্যগুদামে ধান দিতে গেলে নিজ খরচে পৌঁছে দিতে হবে, ধানের আদ্রতা ঠিক রাখতে হবে, নানান ঝামেলা আছে।

দিনাজপুর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক এসএম সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা চাল ৭২ শতাংশ ও ধান ১৩ শতাংশ সংগ্রহ করেছি। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা করছি। সরকারঘোষিত দর আর বাইরের বাজারদর কাছাকাছি হওয়ার পরেও মিল মালিকরা সহযোগিতা করছে। ফলে চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। তবে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আমরা সংশয়ের মধ্যে আছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

দিনাজপুরে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয়

আপডেট টাইম : ০৩:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চলতি মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ার ব্যাপারে প্রত্যয় ব্যক্ত করলেও ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আশংকায় রয়েছে খাদ্য বিভাগ।

গত বছরের ৭ নভেম্বর আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সময় চাল ৪০ টাকা ও ধান ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ধান ও চাল উভয়েরই বাজারদর সরকারঘোষিত রেটের চেয়ে অনেক বেশি।

জেলার কৃষকরা বলছে, সরকারঘোষিত রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ধান কৃষকের উঠান থেকে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছেন তাহলে লোকসান দিয়ে সরকারি গুদামে ধান দিতে কেন যাব? তাছাড়া সেখানে ধান দিতে গেলে নিজ খরচে পৌঁছে দিতে হবে, ধানের আদ্রতা ঠিক রাখতে হবে, সেইসঙ্গে অফিশিয়াল ঝামেলা আছে।

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনের পর থেকে ২৭ ডিসেম্বর ধান সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮৪০ টন। আর সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৪ হাজার ৩২৩ টন। যা লক্ষ্যমাত্রার ১৩ শতাংশ মাত্র। অপরদিকে চাল সংগ্রহ হয়েছে ৩৫ হাজার ৩৬০ টন। লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৯ হাজার টন। ফলে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেও ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বিরল উপজেলার কৃষক মতিউর রহমান জানান, সরকারঘোষিত ধানের মূল্য ২৭ টাকা কেজি। অপরদিকে ধান ব্যবসায়ী ও মিলাররা আমার বাড়ির উঠান থেকে ২৮/২৯ টাকা কেজি দরে ধান নিয়ে যাচ্ছে। আমাকে কোনো ঝামেলাই করতে হচ্ছে না। তাহলে আমি কেন কম দামে ধান দিতে যাব? এর বাইরেও সরকারি খাদ্যগুদামে ধান দিতে গেলে নিজ খরচে পৌঁছে দিতে হবে, ধানের আদ্রতা ঠিক রাখতে হবে, নানান ঝামেলা আছে।

দিনাজপুর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক এসএম সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা চাল ৭২ শতাংশ ও ধান ১৩ শতাংশ সংগ্রহ করেছি। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা করছি। সরকারঘোষিত দর আর বাইরের বাজারদর কাছাকাছি হওয়ার পরেও মিল মালিকরা সহযোগিতা করছে। ফলে চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। তবে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আমরা সংশয়ের মধ্যে আছি।