ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি ঘোষণা শিগগিরই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০১৬
  • ৪২২ বার

বিএনপির জাতীয় সম্মেলন হয়ে গেল প্রায় সপ্তাহ হতে চলছে। কিন্তু এখনো দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব মহাসচিবের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই দলের মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

এরপর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা হতে একটু সময় নেবে। কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে অনেকের যেমন প্রত্যাশা আছে, তেমনি আছে হারানোর আতঙ্কও। কাউন্সিলের পর এখন দলের নেতাদের মধ্যে লবিং আর দেনদরবার চলছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে পদ পাওয়া কিংবা পদ ধরে রাখার জন্য।

দলের বিভিন্ন পর‌্যায়ের কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

গত শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে গঠনতন্ত্র সংশোধনের পাশাপাশি নির্বাচিত চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অনুমোদন দেন কাউন্সিলররা।

এ সময় দলের মহাসচিবসহ জাতীয় নির্বাহী কমিটি গঠনের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয় বিএনপির চেয়ারপারসনকে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “চলতি মাসেই মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটি ঘোষণা করতে পারেন বিএনপির চেয়ারপারসন। এরও অন্তত এক মাস পর নির্বাহী কমিটি ও বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি ঘোষণা করা হবে।”

তবে গোটা নির্বাহী কমিটি একসঙ্গে ঘোষণা করা হলে সময় আরো বাড়তে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।

এদিকে কমিটি গঠনের পুরো ক্ষমতা খালেদা জিয়ার হাতে থাকায় সুবিধাবাদীরা তেমন কুলোতে পারছেন না। তাই কেউ কেউ লন্ডনেও যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলে গুঞ্জন চলছে।

জানা গেছে, খালেদা জিয়া আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন এমন নেতাদের পদ দেয়ার কথা বললেও শীর্ষপর্যায়ের কিছু পদেও নীরব লড়াই চলছে। মহাসচিব, স্থায়ী কমিটিসহ অন্যান্য শীর্ষ পদে যেতে আগ্রহীদের ঘুম নেই। নির্বাহী কমিটির সদস্য হতে কিংবা পদন্নোতি পেতে যার যার মতো করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নেতারা।

মহাসচিব পদে এখন পর‌্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্ভাবনাই বেশি বলছেন নেতাকর্মীরা। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি নাম বেশ জোরালোভাবে ঘুরে-ফিরে আসছে। তারা হলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আর স্থায়ী কমিটির পুরনো সব সদস্যই থাকছেন। কমিটির পরিধিও থাকছে আগের মতো। মৃত্যুবরণ করা সদস্যদের জায়গায় নতুন তিনজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এদিকে শনিবারের মধ্যে মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির ঘোষণা আসতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “সুষ্ঠুভাবে কাউন্সিল শেষ হয়েছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন বাকি আছে দলের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা। যেহেতু চেয়ারপারসনকে (খালেদা জিয়া) কাউন্সিলররা সব দায়িত্ব দিয়েছেন। আশা করি যত শিগগির সম্ভব যাচাই-বাছাই করে তিনি নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি ঘোষণা শিগগিরই

আপডেট টাইম : ১১:৪০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০১৬

বিএনপির জাতীয় সম্মেলন হয়ে গেল প্রায় সপ্তাহ হতে চলছে। কিন্তু এখনো দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব মহাসচিবের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই দলের মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

এরপর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা হতে একটু সময় নেবে। কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে অনেকের যেমন প্রত্যাশা আছে, তেমনি আছে হারানোর আতঙ্কও। কাউন্সিলের পর এখন দলের নেতাদের মধ্যে লবিং আর দেনদরবার চলছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে পদ পাওয়া কিংবা পদ ধরে রাখার জন্য।

দলের বিভিন্ন পর‌্যায়ের কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

গত শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে গঠনতন্ত্র সংশোধনের পাশাপাশি নির্বাচিত চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অনুমোদন দেন কাউন্সিলররা।

এ সময় দলের মহাসচিবসহ জাতীয় নির্বাহী কমিটি গঠনের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয় বিএনপির চেয়ারপারসনকে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “চলতি মাসেই মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটি ঘোষণা করতে পারেন বিএনপির চেয়ারপারসন। এরও অন্তত এক মাস পর নির্বাহী কমিটি ও বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি ঘোষণা করা হবে।”

তবে গোটা নির্বাহী কমিটি একসঙ্গে ঘোষণা করা হলে সময় আরো বাড়তে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।

এদিকে কমিটি গঠনের পুরো ক্ষমতা খালেদা জিয়ার হাতে থাকায় সুবিধাবাদীরা তেমন কুলোতে পারছেন না। তাই কেউ কেউ লন্ডনেও যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলে গুঞ্জন চলছে।

জানা গেছে, খালেদা জিয়া আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন এমন নেতাদের পদ দেয়ার কথা বললেও শীর্ষপর্যায়ের কিছু পদেও নীরব লড়াই চলছে। মহাসচিব, স্থায়ী কমিটিসহ অন্যান্য শীর্ষ পদে যেতে আগ্রহীদের ঘুম নেই। নির্বাহী কমিটির সদস্য হতে কিংবা পদন্নোতি পেতে যার যার মতো করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নেতারা।

মহাসচিব পদে এখন পর‌্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্ভাবনাই বেশি বলছেন নেতাকর্মীরা। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি নাম বেশ জোরালোভাবে ঘুরে-ফিরে আসছে। তারা হলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আর স্থায়ী কমিটির পুরনো সব সদস্যই থাকছেন। কমিটির পরিধিও থাকছে আগের মতো। মৃত্যুবরণ করা সদস্যদের জায়গায় নতুন তিনজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এদিকে শনিবারের মধ্যে মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির ঘোষণা আসতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “সুষ্ঠুভাবে কাউন্সিল শেষ হয়েছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন বাকি আছে দলের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা। যেহেতু চেয়ারপারসনকে (খালেদা জিয়া) কাউন্সিলররা সব দায়িত্ব দিয়েছেন। আশা করি যত শিগগির সম্ভব যাচাই-বাছাই করে তিনি নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন।”