ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

দুই মন্ত্রীকে নজিরবিহীন দণ্ড দিয়েছে আপিল বিভাগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০১৬
  • ৩৩৫ বার

জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর যুদ্ধাপরাধ মামলার আপিল রায় নিয়ে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এজন্য তাদের নজিরবিহীন দণ্ড দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কামরুল ইসলাম নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আবার নতুন করে আবেদন করেছিলেন। আগেই ক্ষমা চেয়ে তার আবেদন আদালতে জমা দিয়েছিলেন মোজাম্মেল হক।

রবিবার সকালে দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে শুনানি শেষে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে সাত দিনের

কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে।

আপিল বিভাগের এ রায় নজিরবিহীন। নিকট অতীতে আদালত অবমাননার দায়ে দুজন কেবিনেট মন্ত্রীকে সর্বোচ্চ আদালতে দণ্ডিত করার ঘটনা ঘটেনি।

গত ৫ মার্চ ঢাকায় এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে নতুন বেঞ্চ গঠন করে মীর কাসেমের আপিলের পুনঃশুনানির দাবি তোলেন কামরুল।

তিনি বলেন, আপিলের শুনানিতে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দলের কাজ নিয়ে প্রধান বিচারপতির অসন্তোষ প্রকাশের মধ্য দিয়ে ‘রায়েরই ইঙ্গিত’ মিলছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকও প্রধান বিচারপতির মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।

তাদের ওই বক্তব্য সে সময় তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। মীর কাসেমের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং বিএনপি নেতারা মন্ত্রীদের বক্তব্যকে ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ আখ্যায়িত করে বলেন, এটা বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ।

এ ধরনের মন্তব্য এড়ানোর পাশাপাশি সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, বিতর্কিত বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধের বিচারই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

এরপর ৮ মার্চ মীর কাসেমের চূড়ান্ত রায় ঘোষণার আগে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা আপিল বিভাগের সব বিচারককে নিয়ে বসে দুই মন্ত্রীকে তলবের আদেশ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

দুই মন্ত্রীকে নজিরবিহীন দণ্ড দিয়েছে আপিল বিভাগ

আপডেট টাইম : ০৯:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০১৬

জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর যুদ্ধাপরাধ মামলার আপিল রায় নিয়ে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এজন্য তাদের নজিরবিহীন দণ্ড দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কামরুল ইসলাম নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আবার নতুন করে আবেদন করেছিলেন। আগেই ক্ষমা চেয়ে তার আবেদন আদালতে জমা দিয়েছিলেন মোজাম্মেল হক।

রবিবার সকালে দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে শুনানি শেষে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে সাত দিনের

কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে।

আপিল বিভাগের এ রায় নজিরবিহীন। নিকট অতীতে আদালত অবমাননার দায়ে দুজন কেবিনেট মন্ত্রীকে সর্বোচ্চ আদালতে দণ্ডিত করার ঘটনা ঘটেনি।

গত ৫ মার্চ ঢাকায় এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে নতুন বেঞ্চ গঠন করে মীর কাসেমের আপিলের পুনঃশুনানির দাবি তোলেন কামরুল।

তিনি বলেন, আপিলের শুনানিতে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দলের কাজ নিয়ে প্রধান বিচারপতির অসন্তোষ প্রকাশের মধ্য দিয়ে ‘রায়েরই ইঙ্গিত’ মিলছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকও প্রধান বিচারপতির মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।

তাদের ওই বক্তব্য সে সময় তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। মীর কাসেমের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং বিএনপি নেতারা মন্ত্রীদের বক্তব্যকে ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ আখ্যায়িত করে বলেন, এটা বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ।

এ ধরনের মন্তব্য এড়ানোর পাশাপাশি সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, বিতর্কিত বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধের বিচারই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

এরপর ৮ মার্চ মীর কাসেমের চূড়ান্ত রায় ঘোষণার আগে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা আপিল বিভাগের সব বিচারককে নিয়ে বসে দুই মন্ত্রীকে তলবের আদেশ দেন।