ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

মির্জা আব্বাসের জামিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০১৬
  • ৪৭৩ বার

প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে হাইকোট। এতে করে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

আজ বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোট বেঞ্চ রুলের নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।

মির্জা আব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন সাংবাদিকদের বলেন, ’প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় আজ হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দুদুকের এ মামলাসহ তিনটি মামলা ছিল। সকল মামলায় তার জামিন মঞ্জুর হওয়ায় তার কারামুক্তিতে বাধা নেই’।

তিনি বলেন, ‘এ মামলার এফআইআরে মির্জা আব্বাসের নাম ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে তদন্ত রিপোর্টে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’

এর আগে একই মামলায় হাইকোর্ট মির্জা আব্বাসকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন। সে রুলের নিষ্পত্তি করে আজ মির্জা আব্বাসকে জামিন দেওয়া হলো। বর্তমানে বিএনপির এ নেতা বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মামলার বিবরণে জানাযায়, বিএনপি জোট সরকারের আমলে মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্লট বরাদ্দের বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক। মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের মাঝে যেসব প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন তাতে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯ শত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলা করে দুদক। সে মামলায় জামিন চাইতে গিয়ে গত ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আব্বাস। শুনানি করে বিচারক তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গত ৭ ফেব্রুয়ারী জামিন আবেদন করেন মির্জা আব্বাস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

মির্জা আব্বাসের জামিন

আপডেট টাইম : ০৯:০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০১৬

প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে হাইকোট। এতে করে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

আজ বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোট বেঞ্চ রুলের নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।

মির্জা আব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন সাংবাদিকদের বলেন, ’প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় আজ হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দুদুকের এ মামলাসহ তিনটি মামলা ছিল। সকল মামলায় তার জামিন মঞ্জুর হওয়ায় তার কারামুক্তিতে বাধা নেই’।

তিনি বলেন, ‘এ মামলার এফআইআরে মির্জা আব্বাসের নাম ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে তদন্ত রিপোর্টে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’

এর আগে একই মামলায় হাইকোর্ট মির্জা আব্বাসকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন। সে রুলের নিষ্পত্তি করে আজ মির্জা আব্বাসকে জামিন দেওয়া হলো। বর্তমানে বিএনপির এ নেতা বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মামলার বিবরণে জানাযায়, বিএনপি জোট সরকারের আমলে মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্লট বরাদ্দের বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক। মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের মাঝে যেসব প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন তাতে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯ শত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলা করে দুদক। সে মামলায় জামিন চাইতে গিয়ে গত ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আব্বাস। শুনানি করে বিচারক তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গত ৭ ফেব্রুয়ারী জামিন আবেদন করেন মির্জা আব্বাস।