ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ “ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন

পর্তুগালে গত এক দশকে বাংলাদেশিদের আগমন বেড়েছে ১০ গুণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১
  • ২৫৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পর্তুগালের বর্ডার এবং ইমিগ্রেশন সার্ভিস এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে পর্তুগালে ৯ হাজার ৯ শত ১৬ জন বাংলাদেশি বসবাস করছেন।

অপরদিকে গত ২০১০ সালে বাংলাদেশের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৭ জন ফলে দেখা যায় যে, পর্তুগালে গত এক দশকে বাংলাদেশের সংখ্যা বেড়েছে  ১০ গুণ বা প্রায় ৯০ শতাংশ।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় তবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ভারত ২৪ হাজার ৫৫০ জন অতঃপর দ্বিতীয় অবস্থানে নেপাল ২১ হাজার ১৫ জন, পাকিস্তান ৬ হাজার ৩৮১ জন, শ্রীলংকা ১০২ জন, ভুটানের ৭ জন এবং মিয়ানমারের ৩ জন নাগরিক পর্তুগালে বসবাস করছেন।

পর্তুগালে সর্বমোট অভিবাসীদের সংখ্যা ৬ লাখ ৬২ হাজার ৯৫ জন তবে এর মধ্যে প্রায় ২৭ দশমিক ৮  শতাংশ হিসেবে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৯৩ জন ব্রাজিলিয়ান নাগরিক।

দ্বিতীয় অবস্থানে যুক্তরাজ্য ৪৬ হাজার ২৩৮ জন তাছাড়া ষষ্ঠ অবস্থানে এশিয়ার মধ্যে প্রধান চীনের ২৬ হাজার ৭৪ জন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক বসবাসকারী অভিবাসী দেশগুলোর প্রথম দশটি দেশের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইতালি, ফ্রান্স, রোমানিয়া ও রয়েছে।

তবে রাজধানী অধ্যুষিত লিসবন মেট্রোপলিটন এরিয়াতে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ জন অভিবাসীসহ ফারো, সেতুবাল এবং পোর্তো মিলিয়ে ৫ লাখের বেশি অভিবাসী এই তিনটি এরিয়াতে বসবাস করেন তবে পর্তুগালের প্রত্যেকটি অঞ্চলেই অভিবাসীরা বিস্তৃত হয়েছেন।

পর্তুগালে ১৯৮০-৯০ দশকে প্রথম স্বল্প কয়েকজন বাংলাদেশিদের আগমন ঘটে পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে এবং এক‌ই ভাবে এদের একটা বেশিরভাগ অংশই লিসবন মেট্রোপলিটন এরিয়া, আলগার্ভ, পোর্তো জোনে বসবাস করেন। কেননা উক্ত অঞ্চলগুলোতে বাংলাদেশিদের কমিউনিটি গড়ে উঠেছে তবে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ এবং চাকরির সহজলভ্যতাই অন্যতম বিশেষ কারণ।

ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলো গত দশকের আগে থেকে বাংলাদেশিদের কাছে পরিচিত থাকল অন্যান্য দেশে নিয়মিতভাবে বসবাস করার জটিলতার কারণে এবং পর্তুগাল সরকারের সহজ অভিবাসন নীতি পরিপেক্ষিতে বাংলাদেশিদের কাছে পর্তুগাল পরিচিত হয়ে ওঠে ফলে গত দশকে বেশিরভাগ বাংলাদেশি পর্তুগালে আগমন করেছেন এবং সংখ্যাটা পরবর্তী বছরগুলোতে জ্যামিতিক হারে বাড়ার সম্ভাবনার চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা

পর্তুগালে গত এক দশকে বাংলাদেশিদের আগমন বেড়েছে ১০ গুণ

আপডেট টাইম : ১০:০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পর্তুগালের বর্ডার এবং ইমিগ্রেশন সার্ভিস এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে পর্তুগালে ৯ হাজার ৯ শত ১৬ জন বাংলাদেশি বসবাস করছেন।

অপরদিকে গত ২০১০ সালে বাংলাদেশের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৭ জন ফলে দেখা যায় যে, পর্তুগালে গত এক দশকে বাংলাদেশের সংখ্যা বেড়েছে  ১০ গুণ বা প্রায় ৯০ শতাংশ।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় তবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ভারত ২৪ হাজার ৫৫০ জন অতঃপর দ্বিতীয় অবস্থানে নেপাল ২১ হাজার ১৫ জন, পাকিস্তান ৬ হাজার ৩৮১ জন, শ্রীলংকা ১০২ জন, ভুটানের ৭ জন এবং মিয়ানমারের ৩ জন নাগরিক পর্তুগালে বসবাস করছেন।

পর্তুগালে সর্বমোট অভিবাসীদের সংখ্যা ৬ লাখ ৬২ হাজার ৯৫ জন তবে এর মধ্যে প্রায় ২৭ দশমিক ৮  শতাংশ হিসেবে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৯৩ জন ব্রাজিলিয়ান নাগরিক।

দ্বিতীয় অবস্থানে যুক্তরাজ্য ৪৬ হাজার ২৩৮ জন তাছাড়া ষষ্ঠ অবস্থানে এশিয়ার মধ্যে প্রধান চীনের ২৬ হাজার ৭৪ জন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক বসবাসকারী অভিবাসী দেশগুলোর প্রথম দশটি দেশের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইতালি, ফ্রান্স, রোমানিয়া ও রয়েছে।

তবে রাজধানী অধ্যুষিত লিসবন মেট্রোপলিটন এরিয়াতে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ জন অভিবাসীসহ ফারো, সেতুবাল এবং পোর্তো মিলিয়ে ৫ লাখের বেশি অভিবাসী এই তিনটি এরিয়াতে বসবাস করেন তবে পর্তুগালের প্রত্যেকটি অঞ্চলেই অভিবাসীরা বিস্তৃত হয়েছেন।

পর্তুগালে ১৯৮০-৯০ দশকে প্রথম স্বল্প কয়েকজন বাংলাদেশিদের আগমন ঘটে পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে এবং এক‌ই ভাবে এদের একটা বেশিরভাগ অংশই লিসবন মেট্রোপলিটন এরিয়া, আলগার্ভ, পোর্তো জোনে বসবাস করেন। কেননা উক্ত অঞ্চলগুলোতে বাংলাদেশিদের কমিউনিটি গড়ে উঠেছে তবে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ এবং চাকরির সহজলভ্যতাই অন্যতম বিশেষ কারণ।

ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলো গত দশকের আগে থেকে বাংলাদেশিদের কাছে পরিচিত থাকল অন্যান্য দেশে নিয়মিতভাবে বসবাস করার জটিলতার কারণে এবং পর্তুগাল সরকারের সহজ অভিবাসন নীতি পরিপেক্ষিতে বাংলাদেশিদের কাছে পর্তুগাল পরিচিত হয়ে ওঠে ফলে গত দশকে বেশিরভাগ বাংলাদেশি পর্তুগালে আগমন করেছেন এবং সংখ্যাটা পরবর্তী বছরগুলোতে জ্যামিতিক হারে বাড়ার সম্ভাবনার চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে।