ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

গুচ্ছকথা ও অনুভুতির বিলাপ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
  • ৩৫৯ বার

ড.গোলসান আরা বেগমঃ
পর্ব ৭-

তোড়া নামের একটি মেয়ে
গায়ের রং ফর্সা কিন্তু বেশ মোটা
বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে
কবে মেহেদি পরবে জানে না।

এ ও নানান কথা বলে
বিয়ে হচ্ছে না
কেন হচ্ছে না
দোষটা যেন তোড়ার নিজের।

মাঝে মাঝে আচঁলে চোখ মুছে
বাড়িতে ঘটক আসলে -তোড়া স্বপ্ন দেখে
আল্পনা আঁকে চোখে।

তোড়ার নয় তার চাকুরীর বিয়ে হয়
বাসর রাতেই চাকুরীটির বন্ধক দিয়ে
হারিয়ে যায় স্বাধ আহলাদ
ব্যাস্ত থাকে স্বামী সংসার নিয়ে।

রঙিন ঘুড়ি উড়ায় আকাশে
সুখের চাবি আঁচলে বাঁধে
সঞ্চয়ী হিসাব বহটি স্বাক্ষরসহ
ওঠে যায় স্বামীর হাতে।

গাধার খাটনি ঘরে বাইরে
তারপরও সহ্য করতে হয় নানা যন্ত্রনা
করো মন পায় না
চোখ মুখ বুজে ঘুমুতে যায় রাতে।

রিক্সা ভাড়া টুকিটাকি হাত খরচ
তাও নিতে হয় শ্বাশুড়ীর কাছ থেকে
বুকের কষ্ট বলে না
কাক পক্ষী ছাড়া কাউকে।

এই কি ছিলো লিখা তোড়ার কপালে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

গুচ্ছকথা ও অনুভুতির বিলাপ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

ড.গোলসান আরা বেগমঃ
পর্ব ৭-

তোড়া নামের একটি মেয়ে
গায়ের রং ফর্সা কিন্তু বেশ মোটা
বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে
কবে মেহেদি পরবে জানে না।

এ ও নানান কথা বলে
বিয়ে হচ্ছে না
কেন হচ্ছে না
দোষটা যেন তোড়ার নিজের।

মাঝে মাঝে আচঁলে চোখ মুছে
বাড়িতে ঘটক আসলে -তোড়া স্বপ্ন দেখে
আল্পনা আঁকে চোখে।

তোড়ার নয় তার চাকুরীর বিয়ে হয়
বাসর রাতেই চাকুরীটির বন্ধক দিয়ে
হারিয়ে যায় স্বাধ আহলাদ
ব্যাস্ত থাকে স্বামী সংসার নিয়ে।

রঙিন ঘুড়ি উড়ায় আকাশে
সুখের চাবি আঁচলে বাঁধে
সঞ্চয়ী হিসাব বহটি স্বাক্ষরসহ
ওঠে যায় স্বামীর হাতে।

গাধার খাটনি ঘরে বাইরে
তারপরও সহ্য করতে হয় নানা যন্ত্রনা
করো মন পায় না
চোখ মুখ বুজে ঘুমুতে যায় রাতে।

রিক্সা ভাড়া টুকিটাকি হাত খরচ
তাও নিতে হয় শ্বাশুড়ীর কাছ থেকে
বুকের কষ্ট বলে না
কাক পক্ষী ছাড়া কাউকে।

এই কি ছিলো লিখা তোড়ার কপালে।