ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

গুচ্ছকথা ও অনুভুতির বিলাপ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
  • ৩৩৮ বার

ড.গোলসান আরা বেগমঃ
পর্ব ৭-

তোড়া নামের একটি মেয়ে
গায়ের রং ফর্সা কিন্তু বেশ মোটা
বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে
কবে মেহেদি পরবে জানে না।

এ ও নানান কথা বলে
বিয়ে হচ্ছে না
কেন হচ্ছে না
দোষটা যেন তোড়ার নিজের।

মাঝে মাঝে আচঁলে চোখ মুছে
বাড়িতে ঘটক আসলে -তোড়া স্বপ্ন দেখে
আল্পনা আঁকে চোখে।

তোড়ার নয় তার চাকুরীর বিয়ে হয়
বাসর রাতেই চাকুরীটির বন্ধক দিয়ে
হারিয়ে যায় স্বাধ আহলাদ
ব্যাস্ত থাকে স্বামী সংসার নিয়ে।

রঙিন ঘুড়ি উড়ায় আকাশে
সুখের চাবি আঁচলে বাঁধে
সঞ্চয়ী হিসাব বহটি স্বাক্ষরসহ
ওঠে যায় স্বামীর হাতে।

গাধার খাটনি ঘরে বাইরে
তারপরও সহ্য করতে হয় নানা যন্ত্রনা
করো মন পায় না
চোখ মুখ বুজে ঘুমুতে যায় রাতে।

রিক্সা ভাড়া টুকিটাকি হাত খরচ
তাও নিতে হয় শ্বাশুড়ীর কাছ থেকে
বুকের কষ্ট বলে না
কাক পক্ষী ছাড়া কাউকে।

এই কি ছিলো লিখা তোড়ার কপালে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

গুচ্ছকথা ও অনুভুতির বিলাপ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

ড.গোলসান আরা বেগমঃ
পর্ব ৭-

তোড়া নামের একটি মেয়ে
গায়ের রং ফর্সা কিন্তু বেশ মোটা
বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে
কবে মেহেদি পরবে জানে না।

এ ও নানান কথা বলে
বিয়ে হচ্ছে না
কেন হচ্ছে না
দোষটা যেন তোড়ার নিজের।

মাঝে মাঝে আচঁলে চোখ মুছে
বাড়িতে ঘটক আসলে -তোড়া স্বপ্ন দেখে
আল্পনা আঁকে চোখে।

তোড়ার নয় তার চাকুরীর বিয়ে হয়
বাসর রাতেই চাকুরীটির বন্ধক দিয়ে
হারিয়ে যায় স্বাধ আহলাদ
ব্যাস্ত থাকে স্বামী সংসার নিয়ে।

রঙিন ঘুড়ি উড়ায় আকাশে
সুখের চাবি আঁচলে বাঁধে
সঞ্চয়ী হিসাব বহটি স্বাক্ষরসহ
ওঠে যায় স্বামীর হাতে।

গাধার খাটনি ঘরে বাইরে
তারপরও সহ্য করতে হয় নানা যন্ত্রনা
করো মন পায় না
চোখ মুখ বুজে ঘুমুতে যায় রাতে।

রিক্সা ভাড়া টুকিটাকি হাত খরচ
তাও নিতে হয় শ্বাশুড়ীর কাছ থেকে
বুকের কষ্ট বলে না
কাক পক্ষী ছাড়া কাউকে।

এই কি ছিলো লিখা তোড়ার কপালে।