ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

গুচ্ছকথা ও অনুভুতির বিলাপ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
  • ৩৪৩ বার

ড.গোলসান আরা বেগমঃ
পর্ব ৭-

তোড়া নামের একটি মেয়ে
গায়ের রং ফর্সা কিন্তু বেশ মোটা
বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে
কবে মেহেদি পরবে জানে না।

এ ও নানান কথা বলে
বিয়ে হচ্ছে না
কেন হচ্ছে না
দোষটা যেন তোড়ার নিজের।

মাঝে মাঝে আচঁলে চোখ মুছে
বাড়িতে ঘটক আসলে -তোড়া স্বপ্ন দেখে
আল্পনা আঁকে চোখে।

তোড়ার নয় তার চাকুরীর বিয়ে হয়
বাসর রাতেই চাকুরীটির বন্ধক দিয়ে
হারিয়ে যায় স্বাধ আহলাদ
ব্যাস্ত থাকে স্বামী সংসার নিয়ে।

রঙিন ঘুড়ি উড়ায় আকাশে
সুখের চাবি আঁচলে বাঁধে
সঞ্চয়ী হিসাব বহটি স্বাক্ষরসহ
ওঠে যায় স্বামীর হাতে।

গাধার খাটনি ঘরে বাইরে
তারপরও সহ্য করতে হয় নানা যন্ত্রনা
করো মন পায় না
চোখ মুখ বুজে ঘুমুতে যায় রাতে।

রিক্সা ভাড়া টুকিটাকি হাত খরচ
তাও নিতে হয় শ্বাশুড়ীর কাছ থেকে
বুকের কষ্ট বলে না
কাক পক্ষী ছাড়া কাউকে।

এই কি ছিলো লিখা তোড়ার কপালে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

গুচ্ছকথা ও অনুভুতির বিলাপ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

ড.গোলসান আরা বেগমঃ
পর্ব ৭-

তোড়া নামের একটি মেয়ে
গায়ের রং ফর্সা কিন্তু বেশ মোটা
বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে
কবে মেহেদি পরবে জানে না।

এ ও নানান কথা বলে
বিয়ে হচ্ছে না
কেন হচ্ছে না
দোষটা যেন তোড়ার নিজের।

মাঝে মাঝে আচঁলে চোখ মুছে
বাড়িতে ঘটক আসলে -তোড়া স্বপ্ন দেখে
আল্পনা আঁকে চোখে।

তোড়ার নয় তার চাকুরীর বিয়ে হয়
বাসর রাতেই চাকুরীটির বন্ধক দিয়ে
হারিয়ে যায় স্বাধ আহলাদ
ব্যাস্ত থাকে স্বামী সংসার নিয়ে।

রঙিন ঘুড়ি উড়ায় আকাশে
সুখের চাবি আঁচলে বাঁধে
সঞ্চয়ী হিসাব বহটি স্বাক্ষরসহ
ওঠে যায় স্বামীর হাতে।

গাধার খাটনি ঘরে বাইরে
তারপরও সহ্য করতে হয় নানা যন্ত্রনা
করো মন পায় না
চোখ মুখ বুজে ঘুমুতে যায় রাতে।

রিক্সা ভাড়া টুকিটাকি হাত খরচ
তাও নিতে হয় শ্বাশুড়ীর কাছ থেকে
বুকের কষ্ট বলে না
কাক পক্ষী ছাড়া কাউকে।

এই কি ছিলো লিখা তোড়ার কপালে।