ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

প্রখ্যাত গীতিকার ফজল এ খোদা ইন্তেকাল করেছেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১
  • ৪১৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশিষ্ট কবি, গীতিকার, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের রচয়িতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল-এ-খোদা (৮১) আজ রবিবার ভোর চারটার দিকে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ফজল-এ-খোদার বড় ছেলে ওয়াসিফ-এ-খোদা  তার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ফজল-এ-খোদার স্ত্রী মাহমুদা সুলতানা, তাদের বড় ছেলে ওয়াসিফ-এ-খোদাও সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত। তাদের মধ্যে মাহমুদা সুলতানাও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ফজল-এ-খোদা বহু কালজয়ী গানের গীতিকার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙেরে’, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।

তিনি বেতারে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ১৯৬৩ সালে। ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোক সংগীত এবং ইসলামিক গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ঢাকা বেতারের সাবেক এই আঞ্চলিক পরিচালক শিশু কিশোরদের সংগঠন শাপলা শালুকের আসরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় সেরা ২০ গানের মধ্যে ফজল-এ-খোদার লেখা ‘সালাম সালাম হাজার সালাম গানটি’ রয়েছে ১২তম স্থানে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

প্রখ্যাত গীতিকার ফজল এ খোদা ইন্তেকাল করেছেন

আপডেট টাইম : ১০:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশিষ্ট কবি, গীতিকার, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের রচয়িতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল-এ-খোদা (৮১) আজ রবিবার ভোর চারটার দিকে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ফজল-এ-খোদার বড় ছেলে ওয়াসিফ-এ-খোদা  তার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ফজল-এ-খোদার স্ত্রী মাহমুদা সুলতানা, তাদের বড় ছেলে ওয়াসিফ-এ-খোদাও সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত। তাদের মধ্যে মাহমুদা সুলতানাও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ফজল-এ-খোদা বহু কালজয়ী গানের গীতিকার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙেরে’, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।

তিনি বেতারে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ১৯৬৩ সালে। ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোক সংগীত এবং ইসলামিক গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ঢাকা বেতারের সাবেক এই আঞ্চলিক পরিচালক শিশু কিশোরদের সংগঠন শাপলা শালুকের আসরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় সেরা ২০ গানের মধ্যে ফজল-এ-খোদার লেখা ‘সালাম সালাম হাজার সালাম গানটি’ রয়েছে ১২তম স্থানে।