ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে ফেসবুক থেকে এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম হচ্ছে ‘মদের বারে’: রাশেদ খাঁন আবারও ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমেছে স্বর্ণের দাম ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা যাচাই করতে চায় ইরান গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা’ পলাশ মারা গেছেন নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে আফগানিস্তানের বিমান হামলা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বদলে যাচ্ছে বগুড়ার আলোচিত দুই ইউনিয়নের নাম শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন

মাংস, ডিম, দুধেও রয়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি!

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১
  • ২৮৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সুস্বাদু খাবারগুলোর মধ্যে মাংস স্থান পায় সবার উপরে। মাংসের তৈরি যে কোনো রেসিপি সহজেই সবার মন জয় করে নেয়। এছাড়া সহজ খাবার হিসেবে ডিমের জনপ্রিয়তাও অনেক। বেশিরভাগ মানুষ সকালের নাস্তায় ডিম খেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, দেহে শক্তি যোগাতে দুধ অতুলনীয়। তাইতো এর চাহিদাও কম নয়। তবে মাংস, ডিম, দুধেও রয়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, অতিরিক্ত মাংস, দুধ, ডিম খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তা প্রক্রিয়াজাত করেই হোক বা না করেই হোক। শুধু তাই নয়, বেশি পরিমাণে এসব প্রাণীজ আমিষ গ্রহণে শরীর স্থূল হয়ে যায়।

গবেষণায় বলা হয়, বেশি পরিমাণে প্রাণীজ আমিষ গ্রহণ যেমন যেকোনো প্রকারের মাংস, ডিম বা দুগ্ধজাত খাদ্য মৃত্যুর হার বাড়িয়ে দেয়। তবে এর ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে উদ্ভিজ্জ আমিষ গ্রহণে। বিশেষ করে রুটি, পাস্তা, মটরশুঁটি, বাদাম ও শিম জাতীয় খাবার খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায়।

গবেষণাটির গুরুত্ব তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের শিক্ষার্থী মিংসিয়াং সঙ বলেন, সু-স্বাস্থ্যে বিভিন্ন আমিষের গুরুত্ব নির্ণয়ে এটি একটি যুগান্তকারী গবেষণা।এর মাধ্যমে শুধু বেশি পরিমাণে প্রাণীজ আমিষ গ্রহণ নয়, বরং কোন কোন প্রাণীজ আমিষ খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। মাংস, ডিম, দুধে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকলেও মাছ, মুরগিতে তুলনামূলক কম।

সম্প্রতি গবেষণা নিবন্ধটি জামা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটি শুরু হয় ১৯৮০ সালে। এতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

গবেষণাকালে ৩৬ হাজার নারী-পুরুষের মৃত্যু পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, ৯ হাজার জন হৃদরোগে মারা যান। আর ১৩ হাজার ক্যান্সারে এবং অন্যান্য রোগে ১৪ হাজার ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে

মাংস, ডিম, দুধেও রয়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি!

আপডেট টাইম : ১০:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সুস্বাদু খাবারগুলোর মধ্যে মাংস স্থান পায় সবার উপরে। মাংসের তৈরি যে কোনো রেসিপি সহজেই সবার মন জয় করে নেয়। এছাড়া সহজ খাবার হিসেবে ডিমের জনপ্রিয়তাও অনেক। বেশিরভাগ মানুষ সকালের নাস্তায় ডিম খেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, দেহে শক্তি যোগাতে দুধ অতুলনীয়। তাইতো এর চাহিদাও কম নয়। তবে মাংস, ডিম, দুধেও রয়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, অতিরিক্ত মাংস, দুধ, ডিম খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তা প্রক্রিয়াজাত করেই হোক বা না করেই হোক। শুধু তাই নয়, বেশি পরিমাণে এসব প্রাণীজ আমিষ গ্রহণে শরীর স্থূল হয়ে যায়।

গবেষণায় বলা হয়, বেশি পরিমাণে প্রাণীজ আমিষ গ্রহণ যেমন যেকোনো প্রকারের মাংস, ডিম বা দুগ্ধজাত খাদ্য মৃত্যুর হার বাড়িয়ে দেয়। তবে এর ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে উদ্ভিজ্জ আমিষ গ্রহণে। বিশেষ করে রুটি, পাস্তা, মটরশুঁটি, বাদাম ও শিম জাতীয় খাবার খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায়।

গবেষণাটির গুরুত্ব তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের শিক্ষার্থী মিংসিয়াং সঙ বলেন, সু-স্বাস্থ্যে বিভিন্ন আমিষের গুরুত্ব নির্ণয়ে এটি একটি যুগান্তকারী গবেষণা।এর মাধ্যমে শুধু বেশি পরিমাণে প্রাণীজ আমিষ গ্রহণ নয়, বরং কোন কোন প্রাণীজ আমিষ খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। মাংস, ডিম, দুধে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকলেও মাছ, মুরগিতে তুলনামূলক কম।

সম্প্রতি গবেষণা নিবন্ধটি জামা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটি শুরু হয় ১৯৮০ সালে। এতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

গবেষণাকালে ৩৬ হাজার নারী-পুরুষের মৃত্যু পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, ৯ হাজার জন হৃদরোগে মারা যান। আর ১৩ হাজার ক্যান্সারে এবং অন্যান্য রোগে ১৪ হাজার ব্যক্তির মৃত্যু হয়।