ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ “ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন

উত্তরপ্রদেশে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামের প্রধান হলেন আজিম উদ্দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১
  • ৩৩৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন স্থানীয় হিন্দুরা। সেখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অযোধ্যার রাজনপুর গ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন একজন মুসলিম প্রার্থী। হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রামটির বাসিন্দারা হাফেজ আজিম উদ্দিনকে তাদের গ্রাম প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।খবর-নিউজ এট্ট্রিন।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যাতে বাবরি মসজিদ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। শেষ পর্যন্ত হিন্দুত্ববাদীদের জয় হয়েছে। বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির গড়ার অনুমতি পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। সেই অযোদ্ধাতেই জয়ী হলেন মুসলিম প্রার্থী।

রাজনপুর গ্রামে হাফেজ আজিম উদ্দিনের পরিবারই একমাত্র মুসলিম পরিবার। এরপরই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন হাফেজ আজিম উদ্দিন। তিনি অযোধ্যার রুদাউলি সংসদীয় আসনের রাজনপুর গ্রামের মাবাই ব্লকের বাসিন্দা।

এই নির্বাচনের ফলই বলে দেয় যে, মানুষজন এখনও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এই গ্রাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আর ভ্রাতৃত্ববোধের পারফেক্ট উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে।

আজিম উদ্দিন বলেন, গ্রামবাসীর ভালোবাসা এবং সমর্থন আমাকে মনোনয়ন নেওয়ার শক্তি দিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত আমি জয়ী হয়েছি। এই গ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। আমরা একটা বড় পরিবারের মতো।

তিনি বলেন, এই গ্রামে তিনটি মন্দির আছে। আমি জানি গ্রামের মানুষজন আমার জয়ের জন্য তাদের দেবতার কাছে প্রার্থনা করেছে। এমনকি তারা রোজাও রেখেছে। আমি জয়ের পরই তারা রোজা ভাঙে। আমার প্রতি তাদের এতটাই ভালোবাসা রয়েছে।

আজিম উদ্দিনের বাবাও এই গ্রামের প্রধান ছিলেন।তিনি বলেন, আমার দুই ভাই বিদেশে এবং এক ভাই শিক্ষক। পুরো গ্রাম একটা বড় পরিবার। এখানে সবাই সবাইকে সাহায্য করতে মুখিয়ে থাকে। এখানে সব ধর্মীয় উৎসব যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা

উত্তরপ্রদেশে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামের প্রধান হলেন আজিম উদ্দিন

আপডেট টাইম : ০৬:১০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন স্থানীয় হিন্দুরা। সেখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অযোধ্যার রাজনপুর গ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন একজন মুসলিম প্রার্থী। হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রামটির বাসিন্দারা হাফেজ আজিম উদ্দিনকে তাদের গ্রাম প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।খবর-নিউজ এট্ট্রিন।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যাতে বাবরি মসজিদ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। শেষ পর্যন্ত হিন্দুত্ববাদীদের জয় হয়েছে। বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির গড়ার অনুমতি পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। সেই অযোদ্ধাতেই জয়ী হলেন মুসলিম প্রার্থী।

রাজনপুর গ্রামে হাফেজ আজিম উদ্দিনের পরিবারই একমাত্র মুসলিম পরিবার। এরপরই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন হাফেজ আজিম উদ্দিন। তিনি অযোধ্যার রুদাউলি সংসদীয় আসনের রাজনপুর গ্রামের মাবাই ব্লকের বাসিন্দা।

এই নির্বাচনের ফলই বলে দেয় যে, মানুষজন এখনও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এই গ্রাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আর ভ্রাতৃত্ববোধের পারফেক্ট উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে।

আজিম উদ্দিন বলেন, গ্রামবাসীর ভালোবাসা এবং সমর্থন আমাকে মনোনয়ন নেওয়ার শক্তি দিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত আমি জয়ী হয়েছি। এই গ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। আমরা একটা বড় পরিবারের মতো।

তিনি বলেন, এই গ্রামে তিনটি মন্দির আছে। আমি জানি গ্রামের মানুষজন আমার জয়ের জন্য তাদের দেবতার কাছে প্রার্থনা করেছে। এমনকি তারা রোজাও রেখেছে। আমি জয়ের পরই তারা রোজা ভাঙে। আমার প্রতি তাদের এতটাই ভালোবাসা রয়েছে।

আজিম উদ্দিনের বাবাও এই গ্রামের প্রধান ছিলেন।তিনি বলেন, আমার দুই ভাই বিদেশে এবং এক ভাই শিক্ষক। পুরো গ্রাম একটা বড় পরিবার। এখানে সবাই সবাইকে সাহায্য করতে মুখিয়ে থাকে। এখানে সব ধর্মীয় উৎসব যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়।