ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোন পথে এরশাদের জাপা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • ৩১৩ বার

পূর্ব আলামত ছাড়াই রাজনৈতিক অঙ্গনে ঝড় তুলেছে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি। প্রয়োজনে নতুন জোট গঠন বা পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে অবস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে অনুজ জিএম কাদেরকে উত্তরসূরি ঘোষণার সঙ্গে দলের মহাসচিব পদেও পরিবর্তন এনেছেন এরশাদ।

এদিকে, সামনে জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে জাপার অবস্থান নিয়েও নতুন চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানা গেছে। আগাম নির্বাচন হলে দলের অবস্থান কি হবে সেটি নিয়েও চলছে ভাবনা।

তবে এমন সিদ্ধান্তে প্রথমে নড়েচড়ে বসেছিলেন দলীয় পরিচয়ে মন্ত্রী এমপি হওয়া নেতারা। কিন্তু এরশাদের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত তারা আনুগত্য স্বীকারে বাধ্য হন।
সূত্র জানায়, রাজনীতির নয়া হিসাব থেকেই এরশাদ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এটি বুঝেই তার বিরোধীরাও এখন নিরব রয়েছেন। তবে সূত্র মতে, এরশাদকে সিদ্ধান্ত থেকে সরাতে এখনও দৌড়ঝাঁপ করছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, সদ্য বিদায়ী মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আসলে এরশাদ এখন কি করতে চাইছেন। নতুন প্রেক্ষাপটে কি অবস্থান হবে জাতীয় পার্টির। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন দলের নেতাকর্মীরাও।

নতুন পদ পাওয়া নেতারাও বলছেন, দলে পরিবর্তনের জন্য তারা কাজ করছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলের অবস্থান কি হবে এটি নিয়েও পর্যালোচনা হচ্ছে। প্রয়োজনে এক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসবে।

জাপা সূত্র জানায়, সরকারের জন্য বিব্রতকর হয় এ মুহূর্তে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় না দলটি। মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ ও সরকারবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নিতে এখনই রাজি নন নেতারা। তাই তৃণমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করায় এখন দলের মুখ্য উদ্দেশ্য।

যদিও জাপার নবনিযুক্ত কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের মতে, যত তাড়াতাড়ি সরকার থেকে বেরিয়ে আসা যায়, পার্টির জন্য ততই মঙ্গল।

এরশাদ গত বৃহস্পতিবার গুলশানের একটি কনভেনশান সেন্টারে দুঃখ করে বলেন, জিয়াউদ্দিন বাবলু দলে দ্বিধাবিভক্ত করতে চায়। সে ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে রওশন এরশাদকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেনি। তারা দলকে ভাঙার পরিকল্পনা করেছিলো।

তবে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জিএম কাদের জাগো নিউজকে বলেন, চেয়ারম্যান আমার বড় ভাই। রওশনকে আমি মায়ের মতো শ্রদ্ধা করি। আমাদের মাঝে কোনো বিভেদ নেই। তবে নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার বলেন, এখন একটিই কাজ দলকে শক্তিশালী করা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কোন পথে এরশাদের জাপা

আপডেট টাইম : ০১:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

পূর্ব আলামত ছাড়াই রাজনৈতিক অঙ্গনে ঝড় তুলেছে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি। প্রয়োজনে নতুন জোট গঠন বা পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে অবস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে অনুজ জিএম কাদেরকে উত্তরসূরি ঘোষণার সঙ্গে দলের মহাসচিব পদেও পরিবর্তন এনেছেন এরশাদ।

এদিকে, সামনে জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে জাপার অবস্থান নিয়েও নতুন চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানা গেছে। আগাম নির্বাচন হলে দলের অবস্থান কি হবে সেটি নিয়েও চলছে ভাবনা।

তবে এমন সিদ্ধান্তে প্রথমে নড়েচড়ে বসেছিলেন দলীয় পরিচয়ে মন্ত্রী এমপি হওয়া নেতারা। কিন্তু এরশাদের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত তারা আনুগত্য স্বীকারে বাধ্য হন।
সূত্র জানায়, রাজনীতির নয়া হিসাব থেকেই এরশাদ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এটি বুঝেই তার বিরোধীরাও এখন নিরব রয়েছেন। তবে সূত্র মতে, এরশাদকে সিদ্ধান্ত থেকে সরাতে এখনও দৌড়ঝাঁপ করছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, সদ্য বিদায়ী মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আসলে এরশাদ এখন কি করতে চাইছেন। নতুন প্রেক্ষাপটে কি অবস্থান হবে জাতীয় পার্টির। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন দলের নেতাকর্মীরাও।

নতুন পদ পাওয়া নেতারাও বলছেন, দলে পরিবর্তনের জন্য তারা কাজ করছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলের অবস্থান কি হবে এটি নিয়েও পর্যালোচনা হচ্ছে। প্রয়োজনে এক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসবে।

জাপা সূত্র জানায়, সরকারের জন্য বিব্রতকর হয় এ মুহূর্তে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় না দলটি। মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ ও সরকারবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নিতে এখনই রাজি নন নেতারা। তাই তৃণমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করায় এখন দলের মুখ্য উদ্দেশ্য।

যদিও জাপার নবনিযুক্ত কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের মতে, যত তাড়াতাড়ি সরকার থেকে বেরিয়ে আসা যায়, পার্টির জন্য ততই মঙ্গল।

এরশাদ গত বৃহস্পতিবার গুলশানের একটি কনভেনশান সেন্টারে দুঃখ করে বলেন, জিয়াউদ্দিন বাবলু দলে দ্বিধাবিভক্ত করতে চায়। সে ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে রওশন এরশাদকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেনি। তারা দলকে ভাঙার পরিকল্পনা করেছিলো।

তবে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জিএম কাদের জাগো নিউজকে বলেন, চেয়ারম্যান আমার বড় ভাই। রওশনকে আমি মায়ের মতো শ্রদ্ধা করি। আমাদের মাঝে কোনো বিভেদ নেই। তবে নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার বলেন, এখন একটিই কাজ দলকে শক্তিশালী করা।