ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিল পাস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩০:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০
  • ২৮৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বিল-২০২০ পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্যে বলা হয়, এবতেদায়ী, দাখিল এবং আলিম পর্যায়ের সকল শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বোর্ড হতে প্রাপ্ত ইসলামী সনদধারী শিক্ষার্থীরা দেশ ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যেক্তা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিতক্রমে বিলটি অনুমোদন করা অতীব জরুরি ও যুক্তিযুক্ত।

বিলে অধ্যাদেশে উল্লিখিত ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘পরিচালনা পর্ষদ’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। আর রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের মতো মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমাও ৬০ বছর করা করা হয়েছে।

১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশ অনুসারে এতোদিন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বলে পরিচিত ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সামরিক শাসন আমলে প্রণীত যেসব আইন বা অধ্যাদেশের এখনও প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলোকে পরিমার্জন করে বাংলায় রূপান্তর করে বিলটি পাস করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিল পাস

আপডেট টাইম : ০৯:৩০:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বিল-২০২০ পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্যে বলা হয়, এবতেদায়ী, দাখিল এবং আলিম পর্যায়ের সকল শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বোর্ড হতে প্রাপ্ত ইসলামী সনদধারী শিক্ষার্থীরা দেশ ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যেক্তা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিতক্রমে বিলটি অনুমোদন করা অতীব জরুরি ও যুক্তিযুক্ত।

বিলে অধ্যাদেশে উল্লিখিত ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘পরিচালনা পর্ষদ’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। আর রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের মতো মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমাও ৬০ বছর করা করা হয়েছে।

১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশ অনুসারে এতোদিন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বলে পরিচিত ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সামরিক শাসন আমলে প্রণীত যেসব আইন বা অধ্যাদেশের এখনও প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলোকে পরিমার্জন করে বাংলায় রূপান্তর করে বিলটি পাস করা হয়েছে।