ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রিটেনে মুসলমান শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৬
  • ৫০০ বার

ব্রিটেনের মুসলমান শিক্ষার্থীরা যাতে রমজান মাসে রোজা রেখেও ভালভাবে পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য দেশটির সরকার পরীক্ষার সময়সূচিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম অর্থাৎ জুন মাস থেকেই এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হবে।

ব্রিটিশ সরকারের পরীক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জিসিএসই এবং এ-লেভেল পর্যায়ে যে বিষয়গুলিতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি, যেমন-ইংরেজি ও গণিত, সেখানে মুসলমান শিক্ষার্থীরা আগেভাগে পরীক্ষা দিতে পারবে। এমনকি মুসলমান ছেলেমেয়েরা যাতে রোজা রেখে দিনের শুরুতেই পরীক্ষাটা দিয়ে ফেলতে পারে সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে ।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, স্কুলের ছাত্র, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের তরফে দাবি ওঠার পরই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অভিভাবকরা প্রায়ই অভিযোগ করে থাকেন যে, ব্রিটেনে রোজার দিনের মেয়াদ দীর্ঘ, ১৮-২০ ঘণ্টাও হয়। এত লম্বা সময় ধরে রোজা রাখার ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পরীক্ষার ওপর।

ব্রিটেনে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে শতকরা ৮ দশমিক ১ শতাংশ মুসলমান।

পরীক্ষার সময়সূচিকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ব্রিটেনের প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব স্কুল অ্যান্ড কলেজ লিডার্স। এর সভাপতি ম্যালকম ট্রব বলছেন, মুসলমান শিক্ষার্থীরা যাতে ভালভাবেই রোজার মাসটি পালন করতে পারে সে জন্য আমরা তৎপর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটেনে মুসলমান শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

আপডেট টাইম : ০৯:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৬

ব্রিটেনের মুসলমান শিক্ষার্থীরা যাতে রমজান মাসে রোজা রেখেও ভালভাবে পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য দেশটির সরকার পরীক্ষার সময়সূচিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম অর্থাৎ জুন মাস থেকেই এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হবে।

ব্রিটিশ সরকারের পরীক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জিসিএসই এবং এ-লেভেল পর্যায়ে যে বিষয়গুলিতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি, যেমন-ইংরেজি ও গণিত, সেখানে মুসলমান শিক্ষার্থীরা আগেভাগে পরীক্ষা দিতে পারবে। এমনকি মুসলমান ছেলেমেয়েরা যাতে রোজা রেখে দিনের শুরুতেই পরীক্ষাটা দিয়ে ফেলতে পারে সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে ।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, স্কুলের ছাত্র, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের তরফে দাবি ওঠার পরই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অভিভাবকরা প্রায়ই অভিযোগ করে থাকেন যে, ব্রিটেনে রোজার দিনের মেয়াদ দীর্ঘ, ১৮-২০ ঘণ্টাও হয়। এত লম্বা সময় ধরে রোজা রাখার ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পরীক্ষার ওপর।

ব্রিটেনে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে শতকরা ৮ দশমিক ১ শতাংশ মুসলমান।

পরীক্ষার সময়সূচিকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ব্রিটেনের প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব স্কুল অ্যান্ড কলেজ লিডার্স। এর সভাপতি ম্যালকম ট্রব বলছেন, মুসলমান শিক্ষার্থীরা যাতে ভালভাবেই রোজার মাসটি পালন করতে পারে সে জন্য আমরা তৎপর।