ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ভিটামিন এ খাওয়াতে ১ লাখ ২০ হাজার ক্যাম্প করা হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০
  • ২৬০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী প্রজন্মের উন্নত স্বাস্থ্য গড়তে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো জরুরি। এবছর ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ কার্যক্রমকে সফল করতে সারা দেশে ১ লাখ ২০ হাজার ক্যাম্প করা হবে। এতে প্রায় ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ আয়োজিত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এবার করোনায় স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। সুতরাং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখেই শিশুদের টিকা খাওয়ানো হবে। শহর বা গ্রামের হাসপাতাল-ক্লিনিকের প্রতিটি কেন্দ্রে মায়েরা যেন তাদের শিশুদের নিয়ে যায় সেজন্য সর্বত্র প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেন তিনি। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট পরিচালকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যসেবায় জাতির পিতার বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনটি প্রথম শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন দেশে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪.১ শতাংশ। এরপর বঙ্গবন্ধু এই রোগ নির্মূলে নানা উদ্যোগ নেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই রাতকানা রোগ নির্মূলে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু করেন। এখন দেশে রাতকানা রোগের হার ১ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। একটি পরিবারেও যেন অন্ধ কোনো শিশু না থাকে সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের উদ্যোগগুলো সফল হলে নিকট ভবিষ্যতেই দেশে আর কোনো রাতকানা রোগী থাকবে না।

উল্লেখ্য, ২৬ সেপ্টেম্বর ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন করার কথা থাকলেও পরে সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে পক্ষকালব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত। দেশের নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ১ লাখ আইইউ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি করে লাল রঙের ২ লাখ আইইউ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর পাশাপাশি পুষ্টিবিষয়ক বিভিন্ন বার্তা জনগণের মাঝে প্রচার করা হবে। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সব সংস্থা ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ভিটামিন এ খাওয়াতে ১ লাখ ২০ হাজার ক্যাম্প করা হবে

আপডেট টাইম : ০২:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী প্রজন্মের উন্নত স্বাস্থ্য গড়তে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো জরুরি। এবছর ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ কার্যক্রমকে সফল করতে সারা দেশে ১ লাখ ২০ হাজার ক্যাম্প করা হবে। এতে প্রায় ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ আয়োজিত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এবার করোনায় স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। সুতরাং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখেই শিশুদের টিকা খাওয়ানো হবে। শহর বা গ্রামের হাসপাতাল-ক্লিনিকের প্রতিটি কেন্দ্রে মায়েরা যেন তাদের শিশুদের নিয়ে যায় সেজন্য সর্বত্র প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেন তিনি। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট পরিচালকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যসেবায় জাতির পিতার বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনটি প্রথম শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন দেশে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪.১ শতাংশ। এরপর বঙ্গবন্ধু এই রোগ নির্মূলে নানা উদ্যোগ নেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই রাতকানা রোগ নির্মূলে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু করেন। এখন দেশে রাতকানা রোগের হার ১ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। একটি পরিবারেও যেন অন্ধ কোনো শিশু না থাকে সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের উদ্যোগগুলো সফল হলে নিকট ভবিষ্যতেই দেশে আর কোনো রাতকানা রোগী থাকবে না।

উল্লেখ্য, ২৬ সেপ্টেম্বর ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন করার কথা থাকলেও পরে সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে পক্ষকালব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত। দেশের নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ১ লাখ আইইউ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি করে লাল রঙের ২ লাখ আইইউ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর পাশাপাশি পুষ্টিবিষয়ক বিভিন্ন বার্তা জনগণের মাঝে প্রচার করা হবে। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সব সংস্থা ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।