ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিতে বিপরীত হতে পারে : আল্লামা শফী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৪০৫ বার

মসজিদ, জুমার খুৎবা ও ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে ফলাফল হিতে বিপরীত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীসহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা। বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, মানুষকে যুগযুগ ধরে ওলামা-পীর-মাশায়েখগণ মসজিদে জুমার খুৎবায় ও ওয়াজ মাহফিলে কোরআন-হাদিসের আলোকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি, অন্যায়-অবিচার, সুদ-ঘুষ, ব্যভিচার-অনাচারসহ যাবতীয় সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তির পথনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। এ দেশের কোনো আলিম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে উস্কানি তো দূরের কথা ন্যূনতম প্রশ্রয়ও দেননি। তারা বলেন, বিগত দিনে জেএমবি কর্তৃক সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে হক্কানী ওলামায়ে কেরাম সর্বাত্মক ও যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের বয়ান, বক্তৃতা-ওয়াজের মাধ্যমে খুনি, সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্ত, মাস্তান ও বিপথগামী লোকরা তাতে হেদায়েত পেয়েছে। বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, তারা শান্তি, নৈতিকতা ও সৎচরিত্রে ফিরে এসেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের নামে মসজিদ, জুমার খুৎবা ও ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করবে না বরং ধর্মপ্রাণ ও শান্তিপ্রিয় জনগণ থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে সরকার। তারা বলেন, ইসলাম, আলিম-ওলামা ও মাদরাসা-মসজিদের দিকে আঙুল তোলা হলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা রয়েছে। যারা মিডিয়ায়, টকশো’তে, রাজনৈতিক সভা-সমিতিতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, মাদরাসা শিক্ষাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, আলিম সমাজকে বিদ্রুপ করে উস্কানি দিয়ে দেশের পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর মতো কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে। বিবৃতিদাতারা হলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী, সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা শামসুল আলম, মাওলানা আবদুল মালেক হালিম, মাওলানা তাফাজ্জল হক হবিগঞ্জী, মুফতি মোজাফফর আহমদ, আল্লামা মুফতি আহমদুল্লাহ, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর, মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী, মাওলানা সালাহুদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা মুহাম্মদ ইদরিস, মাওলানা সাজেদুর রহমান, মাওলানা মুহিবুল হক গাছবাড়ি ও মাওলানা নুরুল হক প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হিতে বিপরীত হতে পারে : আল্লামা শফী

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫

মসজিদ, জুমার খুৎবা ও ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে ফলাফল হিতে বিপরীত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীসহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা। বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, মানুষকে যুগযুগ ধরে ওলামা-পীর-মাশায়েখগণ মসজিদে জুমার খুৎবায় ও ওয়াজ মাহফিলে কোরআন-হাদিসের আলোকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি, অন্যায়-অবিচার, সুদ-ঘুষ, ব্যভিচার-অনাচারসহ যাবতীয় সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তির পথনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। এ দেশের কোনো আলিম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে উস্কানি তো দূরের কথা ন্যূনতম প্রশ্রয়ও দেননি। তারা বলেন, বিগত দিনে জেএমবি কর্তৃক সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে হক্কানী ওলামায়ে কেরাম সর্বাত্মক ও যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের বয়ান, বক্তৃতা-ওয়াজের মাধ্যমে খুনি, সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্ত, মাস্তান ও বিপথগামী লোকরা তাতে হেদায়েত পেয়েছে। বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, তারা শান্তি, নৈতিকতা ও সৎচরিত্রে ফিরে এসেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের নামে মসজিদ, জুমার খুৎবা ও ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করবে না বরং ধর্মপ্রাণ ও শান্তিপ্রিয় জনগণ থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে সরকার। তারা বলেন, ইসলাম, আলিম-ওলামা ও মাদরাসা-মসজিদের দিকে আঙুল তোলা হলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা রয়েছে। যারা মিডিয়ায়, টকশো’তে, রাজনৈতিক সভা-সমিতিতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, মাদরাসা শিক্ষাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, আলিম সমাজকে বিদ্রুপ করে উস্কানি দিয়ে দেশের পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর মতো কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে। বিবৃতিদাতারা হলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী, সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, নায়েবে আমির মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা শামসুল আলম, মাওলানা আবদুল মালেক হালিম, মাওলানা তাফাজ্জল হক হবিগঞ্জী, মুফতি মোজাফফর আহমদ, আল্লামা মুফতি আহমদুল্লাহ, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর, মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী, মাওলানা সালাহুদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা মুহাম্মদ ইদরিস, মাওলানা সাজেদুর রহমান, মাওলানা মুহিবুল হক গাছবাড়ি ও মাওলানা নুরুল হক প্রমুখ।