ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গোপন নম্বর-স্যাটেলাইট ফোনে চলতো শেখ হাসিনার শেষ মুহূর্তের যোগাযোগ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান

এরশাদের নিঃসঙ্গতার হাহাকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৭৫৫ বার

দলে নিজেকে নিঃসঙ্গ বলে বর্ণনা করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেছেন, সারা দেশে তিনি একাই কাউন্সিল করছেন। কেউ তার পাশে নেই।

একই সঙ্গে এরশাদ আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রার্থী খুঁজে না পাওয়াকে লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন।

রবিবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির ‘সংবিধান সংরক্ষণ’ দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন নব্বইয়ে ক্ষমতাচ্যুত এই রাষ্ট্রপতি।

১৯৯০ সালে বিএনপি-আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন ‘স্বৈরাচার’ বলে আখ্যা পাওয়া এরশাদ। দিনটিকে রাজনৈতিক দলগুলো ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ বা গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে। তবে এরশাদের জাতীয় পার্টি দিনটিকে পালন করে ‘সংবিধান সংরক্ষণ’ দিবস হিসেবে।

পৌর নির্বাচনে প্রার্থী না পাওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে এরশাদ বলেন, “একটি পুরাতন দল হয়েও আমরা প্রার্থী খুঁজে পাই না। মাত্র ৫১টি পৌরসভায় প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া আমাদের জন্য লজ্জার।”

দলের নেতারা তাকে সহযোগিতার করছেন না এমন অভিযোগ করে এরশাদ বলেন, “আমি একাই ২৭টি জেলায় কাউন্সিল করেছি। আমার পাশে কেউ ছিল না। আরও ২৬টি জেলায় কাউন্সিল করব। জানি আমার পাশে কেউ থাকবে না।”

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ দূত বলেন, “পৌরসভার সব কয়টিতে হারলেও আপনাদের ক্ষমতা চলে যাবে না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।”

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সমালোচনা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের মেরুদণ্ড খুঁজতে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল। কিন্তু তারা মেরুদণ্ড খুঁজে পায়নি। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ইসিকে তাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপন নম্বর-স্যাটেলাইট ফোনে চলতো শেখ হাসিনার শেষ মুহূর্তের যোগাযোগ

এরশাদের নিঃসঙ্গতার হাহাকার

আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫

দলে নিজেকে নিঃসঙ্গ বলে বর্ণনা করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেছেন, সারা দেশে তিনি একাই কাউন্সিল করছেন। কেউ তার পাশে নেই।

একই সঙ্গে এরশাদ আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রার্থী খুঁজে না পাওয়াকে লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন।

রবিবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির ‘সংবিধান সংরক্ষণ’ দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন নব্বইয়ে ক্ষমতাচ্যুত এই রাষ্ট্রপতি।

১৯৯০ সালে বিএনপি-আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন ‘স্বৈরাচার’ বলে আখ্যা পাওয়া এরশাদ। দিনটিকে রাজনৈতিক দলগুলো ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ বা গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে। তবে এরশাদের জাতীয় পার্টি দিনটিকে পালন করে ‘সংবিধান সংরক্ষণ’ দিবস হিসেবে।

পৌর নির্বাচনে প্রার্থী না পাওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে এরশাদ বলেন, “একটি পুরাতন দল হয়েও আমরা প্রার্থী খুঁজে পাই না। মাত্র ৫১টি পৌরসভায় প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া আমাদের জন্য লজ্জার।”

দলের নেতারা তাকে সহযোগিতার করছেন না এমন অভিযোগ করে এরশাদ বলেন, “আমি একাই ২৭টি জেলায় কাউন্সিল করেছি। আমার পাশে কেউ ছিল না। আরও ২৬টি জেলায় কাউন্সিল করব। জানি আমার পাশে কেউ থাকবে না।”

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ দূত বলেন, “পৌরসভার সব কয়টিতে হারলেও আপনাদের ক্ষমতা চলে যাবে না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।”

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সমালোচনা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের মেরুদণ্ড খুঁজতে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল। কিন্তু তারা মেরুদণ্ড খুঁজে পায়নি। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ইসিকে তাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে হবে।