ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ “ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন

পতাকার প্রতি ভালোবাসা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৪৯৭ বার

বিজয়ের মাসে জাতীয় পতাকাই যেন হয়ে যায় বিজয়ের হাতিয়ার ও নিদর্শন। কারো হাতে আবার কারো মাথায় ব্যাজের মতোও থাকে জাতীয় পতাকা। ডিসেম্বর এলেই বাংলাদেশ যেন নতুন করে জেগে ওঠে পতাকার ভালোবাসায়। নানান আকারের পতাকায় ছেয়ে যায় চারদিক। বাসে, রিকশায়, বাসায়, ছাদে এমনকি অফিসের ডেস্কেও শোভা পায় জাতীয় পতাকা।

গৌরবগাঁথা এ বিজয়ের মাসে অনেকের মতো পতাকার লাঠি কাঁধে নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন আয়নাল হোসেন (২৭)। সারা বছর অন্য পেশায় থাকলেও ডিসেম্বরে পতাকা বিক্রি করেন। এ মাসে পতাকা কেনার ধুম পড়ে তাই অল্প কয়েকদিনের জন্য এ কাজে নেমে খানিকটা বাড়তি আয়ের সংস্থান করেন আয়নাল।

Flag

গুলশানের ৭৩ নম্বর সড়কের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় শাজাহান মিয়ার কাছে পতাকা বিক্রি করছিলেন আয়নাল। এ সময় জাগো নিউজের ক্যামেরাবন্দি হন তিনি। জানতে চাইলে জাগো নিউজকে আয়নাল বলেন, সারা বছর মুড়ি চানাচুর বিক্রি করেন তিনি। ডিসেম্বর মাস এলেই মুড়ি চানাচুর বিক্রি ছেড়ে পতাকা বিক্রি করেন। ১০ থেকে ১২ দিনের মতো এ কাজ করেন। তারপর আবার আগের নিয়মিত পেশায় ফিরে যান। ৫ বছর ধরে পতাকা বিক্রি করছেন। মাঝে মাঝে মার্চ মাসেও পতাকা হাতে নামেন। এসময় প্রতিদিন ১ হাজার টাকার উপরে লাভ থাকে।

Flag

কাপড়ের পতাকা কেনার সামর্থ্য নেই তাই আয়নালের কাছ থেকে ১০ টাকায় একটি কাগজের পতাকা কিনেছেন শাজাহান মিয়া। অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, এই পতাকা আমাদের গৌরব। এটি কিনেছি আমার ছেলে ইব্রাহীমকে দেয়ার জন্য।

শহরে এমন কয়েক হাজার মৌসুমী পতাকা ব্যবসায়ী রয়েছেন। ডিসেম্বরের ১ তারিখ বা প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের বিকেল পর্যন্ত চলে মৌসুমী এ ব্যবসা। ১০ থেকে ১৫ দিনে অন্য সময়ে সারা মাসের আয়ের দ্বিগুণ বা তিনগুণ আয় হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালামকে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সংবর্ধনা

পতাকার প্রতি ভালোবাসা

আপডেট টাইম : ১১:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৫

বিজয়ের মাসে জাতীয় পতাকাই যেন হয়ে যায় বিজয়ের হাতিয়ার ও নিদর্শন। কারো হাতে আবার কারো মাথায় ব্যাজের মতোও থাকে জাতীয় পতাকা। ডিসেম্বর এলেই বাংলাদেশ যেন নতুন করে জেগে ওঠে পতাকার ভালোবাসায়। নানান আকারের পতাকায় ছেয়ে যায় চারদিক। বাসে, রিকশায়, বাসায়, ছাদে এমনকি অফিসের ডেস্কেও শোভা পায় জাতীয় পতাকা।

গৌরবগাঁথা এ বিজয়ের মাসে অনেকের মতো পতাকার লাঠি কাঁধে নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন আয়নাল হোসেন (২৭)। সারা বছর অন্য পেশায় থাকলেও ডিসেম্বরে পতাকা বিক্রি করেন। এ মাসে পতাকা কেনার ধুম পড়ে তাই অল্প কয়েকদিনের জন্য এ কাজে নেমে খানিকটা বাড়তি আয়ের সংস্থান করেন আয়নাল।

Flag

গুলশানের ৭৩ নম্বর সড়কের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় শাজাহান মিয়ার কাছে পতাকা বিক্রি করছিলেন আয়নাল। এ সময় জাগো নিউজের ক্যামেরাবন্দি হন তিনি। জানতে চাইলে জাগো নিউজকে আয়নাল বলেন, সারা বছর মুড়ি চানাচুর বিক্রি করেন তিনি। ডিসেম্বর মাস এলেই মুড়ি চানাচুর বিক্রি ছেড়ে পতাকা বিক্রি করেন। ১০ থেকে ১২ দিনের মতো এ কাজ করেন। তারপর আবার আগের নিয়মিত পেশায় ফিরে যান। ৫ বছর ধরে পতাকা বিক্রি করছেন। মাঝে মাঝে মার্চ মাসেও পতাকা হাতে নামেন। এসময় প্রতিদিন ১ হাজার টাকার উপরে লাভ থাকে।

Flag

কাপড়ের পতাকা কেনার সামর্থ্য নেই তাই আয়নালের কাছ থেকে ১০ টাকায় একটি কাগজের পতাকা কিনেছেন শাজাহান মিয়া। অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, এই পতাকা আমাদের গৌরব। এটি কিনেছি আমার ছেলে ইব্রাহীমকে দেয়ার জন্য।

শহরে এমন কয়েক হাজার মৌসুমী পতাকা ব্যবসায়ী রয়েছেন। ডিসেম্বরের ১ তারিখ বা প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের বিকেল পর্যন্ত চলে মৌসুমী এ ব্যবসা। ১০ থেকে ১৫ দিনে অন্য সময়ে সারা মাসের আয়ের দ্বিগুণ বা তিনগুণ আয় হয়।