হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে বাংলাদেশ। শুক্রবার প্রথম দিন বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২৩৩ রানে।
ব্যাটিং: বাবর আজম ৯, শান মাসুদ ৭২।
বাবর আজমকে জীবন দিলেন ইবাদত
নড়বড়ে বাবর আজম তাইজুলকে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ক্যাচ তোলেন মিড অফে। দৌড়ে পেছনে গিয়ে বলের নাগাল পেয়েছিলেন ইবাদত। কিন্তু ক্যাচ জমাতে পারেননি। ২ রানে বাবর আজমকে নতুন জীবন দেন ইবাদত। ব্যাটিংয়ে নেমে খানিকটা নড়বেড় ছিলেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। প্রথম রান পেতে ১৬ বল পর্যন্ত অপক্ষো করেন। দুই-একটি বলে পরাস্তও হচ্ছিলেন। চাপ কমাতে এগিয়ে এসে শট খেলেছিলেন। কিন্তু টাইমিংয়ে গড়বড় করে ক্যাচ তোলেন। তাকে ফেরানোর সহজ সুযোগ নিতে পারেনি বাংলাদেশ।
৯৫ রানে ২ উইকেট পেল বাংলাদেশ
রাহীর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রথম সেশনে ২ উইকেট পেল বাংলাদেশ। এছাড়া পাকিস্তানকে তেমন ভোগাতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে ২৭ ওভার খেলা হয়েছে। ২ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা তুলেছে ৯৫ রান।
পেসার ইবাদত হোসেন ও রুবেল হোসেন এখন পর্যন্ত ছিলেন বিবর্ণ। ওভার প্রতি ৫ করে রান দিয়েছেন দুই ডানহাতি পেসারই। দুই পেসারই একের পর এক শর্ট বল করেছেন। দিয়েছেন বাউন্ডারির বল। সেগুলো বেশ ভালোভাবেই প্রয়োগ করেছে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা।
ওপেনার শান মাসুদ পেয়েছেন ফিফটি। ভালো ব্যাটিং করছিলেন আজহার আলীও। ২ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ৯১ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা। মধ্যাহ্ন বিরতির চার ওভার আগে এ জুটি ভাঙেন রাহী। শান ৫৯ রানে অপরাজিত আছেন। তার সাথে আছেন বাবর আজম।
রাহীর আরেকটি
নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন রাহী। এবার তার শিকার অধিনায়ক আজহার আলী। ডানহাতি পেসারের অফস্ট্যাম্পের বাইরের লেন্থ বল ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন। স্লিপে ঠিকঠাক বল তালুবন্দি করেন শান্ত। ৫৯ বলে ৩৪ রান করেন আজহার। দ্বিতীয় উইকেটে শান ও আজহার আলী ৯১ রানের জুটি গড়েছিলেন।
হেসে খেলে শানের ফিফটি
এতো সহজে টেস্ট ফিফটি পাওয়া যায় তা কি কল্পনা করতে পেরেছিলেন পাকিস্তানের ওপেনার শান মাসুদ! বাংলাদেশের তিন পেসার একটি বলেও তাকে পরাস্ত করতে পারেননি। হেসে খেলে ৫৪ বলে ৯ বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি পেয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার।
রাহীর পকেটে আবিদের উইকেট
শুরুটা অনেকটা পাকিস্তানের মতোই হলো। পাকিস্তান প্রথম দুই ওভারে পেয়েছিল দুই উইকেট। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ওভারে ভাঙল উদ্বোধনী জুটি। রাহীর হাত ধরে আসল সেই সাফল্য।
ডানহাতি পেসারের লেন্থ বল জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে চেয়েছিলেন আবিদ। টাইমিংয়ে গড়বড় করে ডানহাতি ব্যাটসম্যান উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। ৬ বল খেলে এ ওপেনার খুলতে পারেননি রানের খাতা।
বোলারদের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ
ব্যাটসম্যানরা পারেননি দলের প্রয়োজন মেটাতে। এখন বোলারদের পালা। পাকিস্তানের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশকে অল্পরানে আটকে রেখেছে। বাংলাদেশের বোলাররা কি পারবে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে স্বাগতিকদের ভোগাতে?
প্রথম দিন ছিল পাকিস্তানের
ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র মিথুন বাদে প্রত্যেকেই আউট হয়েছেন বাজেভাবে। প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৩৩ রান তোলে বাংলাদেশ। মিথুনের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৬৩ রান। দুই ওপেনার বাদে প্রত্যেকেই উইকেটে কঠিন সময় কাটানোর পর থিতু হয়েছিলেন। কিন্তু কেউই বড় ইনিংস উপহার দিতে পারেননি।
Reporter Name 

























