ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

কিডনিতে একবার পাথর হলে আবারো কি হতে পারে জেনে নিন সঠিক তথ্যটি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ   অনেকেই ভেবে থাকেন কিডনিতে একবার পাথর হয়ে গেলে আর পাথর হয় না। কিন্তু আপনার এই ধারণাটি ভুল। কিডনিতে একবার পাথর হলে বার বার পাথর হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সারাজীবন সচেতন থাকতে হয়।

আসলে কিডনির দোষেই এই সমস্যা হয়। আক্রান্ত মানুষটির কিডনির জেনেটিক গঠনটাই এমন থাকে যে, সে স্টোন তৈরি করেই চলে। আশার কথা এটাই যে একবার স্টোন হওয়ার পরে পুনরায় হতে সময় লাগে। সেটা যেমন ১০-১৫ বছর বাদে হতে পারে, তেমনি জীবদ্দশা কেটে গেল, এমনও হতে পারে।

দেখা গেছে, প্রথম স্টোন হওয়ার পরে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে ১০% ক্ষেত্রে ১ বছরের মধ্যে, ৩৩% ক্ষেত্রে ৫ বছরের মধ্যে এবং ৫০% ক্ষেত্রে ১০ বছরের মধ্যে পুনরায় স্টোন হতে পারে। তবে এই ঝুঁকি ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন- ১৫ বছরের কোনো রোগীর সিস্টিন স্টোন হলে পুনরায় স্টোন হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি, অথচ ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্টোন হয়েছে এমন কোনো মধ্যবয়সীর আবার স্টোনের সম্ভাবনা খুব কম।

সতর্কতা
আপনার পরিবারে যদি কিডনি স্টোনের ইতিহাস থেকে থাকে, তাহলে আপনিও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিডনি স্টোনের পারিবারিক ইতিহাস আছে এমন কিছু লোকের কিছু ত্রুটিপূর্ণ জিন থাকে যারা ইউরিনে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা বলেন যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া যায় তাহলেই কিডনি স্টোন হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে। স্বাভাবিক পরিমান ক্যালসিয়াম-সহ স্বাস্থ্যকর ডায়েট, পর্যাপ্ত পানি এবং চিকিত্সকের কাছে নিয়মিত চেক-আপ করেই কিডনি স্টোন থেকে দূরে থাকা যায়।

আর যদি একান্তই স্টোন হয় তবে প্রথমেই দেখে নিতে হয় পাথরটি কোন উপাদানে তৈরি। তারপরে দেখতে হয় কেন বার বার স্টোন হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় ডায়েট নিয়ন্ত্রণ করে উপকার পাওয়া যায়। যাদের ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন হয় তাদেরও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা করা দরকার। সবচেয়ে বড় কথা, একবার কিডনি স্টোন ধরা পড়লে ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে সেটাকে যেভাবেই হোক শরীর থেকে বের করে দেয়া উচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

কিডনিতে একবার পাথর হলে আবারো কি হতে পারে জেনে নিন সঠিক তথ্যটি

আপডেট টাইম : ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ   অনেকেই ভেবে থাকেন কিডনিতে একবার পাথর হয়ে গেলে আর পাথর হয় না। কিন্তু আপনার এই ধারণাটি ভুল। কিডনিতে একবার পাথর হলে বার বার পাথর হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সারাজীবন সচেতন থাকতে হয়।

আসলে কিডনির দোষেই এই সমস্যা হয়। আক্রান্ত মানুষটির কিডনির জেনেটিক গঠনটাই এমন থাকে যে, সে স্টোন তৈরি করেই চলে। আশার কথা এটাই যে একবার স্টোন হওয়ার পরে পুনরায় হতে সময় লাগে। সেটা যেমন ১০-১৫ বছর বাদে হতে পারে, তেমনি জীবদ্দশা কেটে গেল, এমনও হতে পারে।

দেখা গেছে, প্রথম স্টোন হওয়ার পরে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে ১০% ক্ষেত্রে ১ বছরের মধ্যে, ৩৩% ক্ষেত্রে ৫ বছরের মধ্যে এবং ৫০% ক্ষেত্রে ১০ বছরের মধ্যে পুনরায় স্টোন হতে পারে। তবে এই ঝুঁকি ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন- ১৫ বছরের কোনো রোগীর সিস্টিন স্টোন হলে পুনরায় স্টোন হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি, অথচ ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্টোন হয়েছে এমন কোনো মধ্যবয়সীর আবার স্টোনের সম্ভাবনা খুব কম।

সতর্কতা
আপনার পরিবারে যদি কিডনি স্টোনের ইতিহাস থেকে থাকে, তাহলে আপনিও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিডনি স্টোনের পারিবারিক ইতিহাস আছে এমন কিছু লোকের কিছু ত্রুটিপূর্ণ জিন থাকে যারা ইউরিনে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা বলেন যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া যায় তাহলেই কিডনি স্টোন হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে। স্বাভাবিক পরিমান ক্যালসিয়াম-সহ স্বাস্থ্যকর ডায়েট, পর্যাপ্ত পানি এবং চিকিত্সকের কাছে নিয়মিত চেক-আপ করেই কিডনি স্টোন থেকে দূরে থাকা যায়।

আর যদি একান্তই স্টোন হয় তবে প্রথমেই দেখে নিতে হয় পাথরটি কোন উপাদানে তৈরি। তারপরে দেখতে হয় কেন বার বার স্টোন হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় ডায়েট নিয়ন্ত্রণ করে উপকার পাওয়া যায়। যাদের ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন হয় তাদেরও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা করা দরকার। সবচেয়ে বড় কথা, একবার কিডনি স্টোন ধরা পড়লে ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে সেটাকে যেভাবেই হোক শরীর থেকে বের করে দেয়া উচিত।