ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

সুস্থ সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে : রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯
  • ৩৯৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সুস্থ সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে সবার প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যকলা হলে বৃহস্পতিবার ‘শিল্পকলা পদক-২০১৮’ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সংস্কৃতিকে সামাজিক অধঃপতন রোধের রক্ষাকবচ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশ খুবই জরুরি। ‘আকাশ সংস্কৃতির কারণে আমাদের স্থানীয় সংস্কৃতিতে ভিনদেশি সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটছে।

আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকুই গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় বিজাতীয় ও অপসংস্কৃতির সবকিছুই বর্জন করতে হবে।

সংস্কৃতিকে সমাজের দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সমাজের কোনো ক্ষতি করতে পারেন না। আবদুল হামিদ অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদের শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে উৎসাহ দেয়ার আহ্বান জানান। হামিদ বলেন, শিক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সহায়ক হতে পারে।

ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ওপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগ নিয়ে শিল্পকলা একাডেমি অত্যন্ত ভালো একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এ উদ্যোগ একটি মানবিক সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

রাষ্ট্রপতি ৭টি ক্যাটাগরিতে ৭ জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে নিজ নিজ অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘শিল্পকলা একাডেমি পদক-২০১৮’ প্রদান করেন।পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন চিত্রকলায় আলোকেশ ঘোষ, নাট্যশিল্পে এম হামিদ, যন্ত্র সঙ্গীতে সুনীল চন্দ্র দাস, নৃত্যে সুকলাল সরকার, কণ্ঠসঙ্গীতে গৌর গোপাল হালদার, আবৃত্তিতে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ও লোকসংস্কৃতিতে মিনা বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বক্তৃতা করেন। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুস্থ সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ০৫:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সুস্থ সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে সবার প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যকলা হলে বৃহস্পতিবার ‘শিল্পকলা পদক-২০১৮’ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সংস্কৃতিকে সামাজিক অধঃপতন রোধের রক্ষাকবচ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশ খুবই জরুরি। ‘আকাশ সংস্কৃতির কারণে আমাদের স্থানীয় সংস্কৃতিতে ভিনদেশি সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটছে।

আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকুই গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় বিজাতীয় ও অপসংস্কৃতির সবকিছুই বর্জন করতে হবে।

সংস্কৃতিকে সমাজের দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সমাজের কোনো ক্ষতি করতে পারেন না। আবদুল হামিদ অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদের শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে উৎসাহ দেয়ার আহ্বান জানান। হামিদ বলেন, শিক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সহায়ক হতে পারে।

ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ওপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগ নিয়ে শিল্পকলা একাডেমি অত্যন্ত ভালো একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এ উদ্যোগ একটি মানবিক সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

রাষ্ট্রপতি ৭টি ক্যাটাগরিতে ৭ জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে নিজ নিজ অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘শিল্পকলা একাডেমি পদক-২০১৮’ প্রদান করেন।পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন চিত্রকলায় আলোকেশ ঘোষ, নাট্যশিল্পে এম হামিদ, যন্ত্র সঙ্গীতে সুনীল চন্দ্র দাস, নৃত্যে সুকলাল সরকার, কণ্ঠসঙ্গীতে গৌর গোপাল হালদার, আবৃত্তিতে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ও লোকসংস্কৃতিতে মিনা বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বক্তৃতা করেন। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করেন।