ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকায় চুক্তি ফাঁস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯
  • ৩৬২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে পুলিশের এসআই সহ দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।শনিবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, জামালপুর জেলা কোর্টের এসআই মোহাম্মদ আলী ও জামালপুরের ইসলামপুেরর মো.খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫)। এসআই মোহাম্মদ আলী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, শেরপুর সদর থানার তারাগড় নামাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে মো. ওয়াজেদ আলীর ভাতিজা মো. কবির হোসেনকে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ কনস্টবলে চাকুরীর জন্য এসআই মোহাম্মদ আলী ও সুমির স্বামী মো. খায়রুল বাশারের সাথে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সেই টাকা নিয়ে অভিযুক্তরা সহ তিনজন শুক্রবার জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িতে বসেই তারা টাকা লেনদেন করে।

পরবর্তীতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ওয়াজেদ আলীকে গাড়িতে রেখে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে সুমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা তার স্বামী কথিত সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের কাছে দেয়। টাকা নিয়ে খায়রুল বাশার চলে যায়। বিষয়টি ওয়াজেদ আলী দেখে ফেলায় তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে ওয়াজেদ আলী পুলিশ সুপারের নিকট সাক্ষাত করতে চাইলে সুমি তাকে বাঁধা দিয়ে বলে ‘এসপি’র গেস্ট এসেছে তিনি এখন দেখা করতে পারবে না।তখন সুমির সাথে ওয়াজেদের বাকবিতন্ডা হয়।

এ সময় ডিবি পুলিশের এসআই মো. ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েকজন ডিবি পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওয়াজেদ আলী বিস্তারিত বলেন। তখন তাদের আটক করে সুমির ব্যাগ থেকে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, সুমির স্বামীর নামে সাংবাদিক আইডি কার্ড ও তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুমি জানায়, বাকি ৮ লক্ষ ৫ হাজার টাকার স্বামী খায়রুল বাশারের নিকট আছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১ জুলাই টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে পুলিশ কনস্টবলে লোক নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকায় চুক্তি ফাঁস

আপডেট টাইম : ১২:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে পুলিশের এসআই সহ দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।শনিবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, জামালপুর জেলা কোর্টের এসআই মোহাম্মদ আলী ও জামালপুরের ইসলামপুেরর মো.খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫)। এসআই মোহাম্মদ আলী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, শেরপুর সদর থানার তারাগড় নামাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে মো. ওয়াজেদ আলীর ভাতিজা মো. কবির হোসেনকে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ কনস্টবলে চাকুরীর জন্য এসআই মোহাম্মদ আলী ও সুমির স্বামী মো. খায়রুল বাশারের সাথে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সেই টাকা নিয়ে অভিযুক্তরা সহ তিনজন শুক্রবার জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িতে বসেই তারা টাকা লেনদেন করে।

পরবর্তীতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ওয়াজেদ আলীকে গাড়িতে রেখে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে সুমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা তার স্বামী কথিত সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের কাছে দেয়। টাকা নিয়ে খায়রুল বাশার চলে যায়। বিষয়টি ওয়াজেদ আলী দেখে ফেলায় তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে ওয়াজেদ আলী পুলিশ সুপারের নিকট সাক্ষাত করতে চাইলে সুমি তাকে বাঁধা দিয়ে বলে ‘এসপি’র গেস্ট এসেছে তিনি এখন দেখা করতে পারবে না।তখন সুমির সাথে ওয়াজেদের বাকবিতন্ডা হয়।

এ সময় ডিবি পুলিশের এসআই মো. ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েকজন ডিবি পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওয়াজেদ আলী বিস্তারিত বলেন। তখন তাদের আটক করে সুমির ব্যাগ থেকে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, সুমির স্বামীর নামে সাংবাদিক আইডি কার্ড ও তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুমি জানায়, বাকি ৮ লক্ষ ৫ হাজার টাকার স্বামী খায়রুল বাশারের নিকট আছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১ জুলাই টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে পুলিশ কনস্টবলে লোক নেওয়া হবে।