ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকায় চুক্তি ফাঁস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯
  • ৩৫৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে পুলিশের এসআই সহ দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।শনিবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, জামালপুর জেলা কোর্টের এসআই মোহাম্মদ আলী ও জামালপুরের ইসলামপুেরর মো.খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫)। এসআই মোহাম্মদ আলী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, শেরপুর সদর থানার তারাগড় নামাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে মো. ওয়াজেদ আলীর ভাতিজা মো. কবির হোসেনকে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ কনস্টবলে চাকুরীর জন্য এসআই মোহাম্মদ আলী ও সুমির স্বামী মো. খায়রুল বাশারের সাথে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সেই টাকা নিয়ে অভিযুক্তরা সহ তিনজন শুক্রবার জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িতে বসেই তারা টাকা লেনদেন করে।

পরবর্তীতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ওয়াজেদ আলীকে গাড়িতে রেখে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে সুমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা তার স্বামী কথিত সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের কাছে দেয়। টাকা নিয়ে খায়রুল বাশার চলে যায়। বিষয়টি ওয়াজেদ আলী দেখে ফেলায় তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে ওয়াজেদ আলী পুলিশ সুপারের নিকট সাক্ষাত করতে চাইলে সুমি তাকে বাঁধা দিয়ে বলে ‘এসপি’র গেস্ট এসেছে তিনি এখন দেখা করতে পারবে না।তখন সুমির সাথে ওয়াজেদের বাকবিতন্ডা হয়।

এ সময় ডিবি পুলিশের এসআই মো. ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েকজন ডিবি পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওয়াজেদ আলী বিস্তারিত বলেন। তখন তাদের আটক করে সুমির ব্যাগ থেকে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, সুমির স্বামীর নামে সাংবাদিক আইডি কার্ড ও তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুমি জানায়, বাকি ৮ লক্ষ ৫ হাজার টাকার স্বামী খায়রুল বাশারের নিকট আছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১ জুলাই টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে পুলিশ কনস্টবলে লোক নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকায় চুক্তি ফাঁস

আপডেট টাইম : ১২:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে পুলিশের এসআই সহ দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।শনিবার সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, জামালপুর জেলা কোর্টের এসআই মোহাম্মদ আলী ও জামালপুরের ইসলামপুেরর মো.খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫)। এসআই মোহাম্মদ আলী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, শেরপুর সদর থানার তারাগড় নামাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে মো. ওয়াজেদ আলীর ভাতিজা মো. কবির হোসেনকে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ কনস্টবলে চাকুরীর জন্য এসআই মোহাম্মদ আলী ও সুমির স্বামী মো. খায়রুল বাশারের সাথে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সেই টাকা নিয়ে অভিযুক্তরা সহ তিনজন শুক্রবার জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িতে বসেই তারা টাকা লেনদেন করে।

পরবর্তীতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ওয়াজেদ আলীকে গাড়িতে রেখে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে সুমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা তার স্বামী কথিত সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের কাছে দেয়। টাকা নিয়ে খায়রুল বাশার চলে যায়। বিষয়টি ওয়াজেদ আলী দেখে ফেলায় তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে ওয়াজেদ আলী পুলিশ সুপারের নিকট সাক্ষাত করতে চাইলে সুমি তাকে বাঁধা দিয়ে বলে ‘এসপি’র গেস্ট এসেছে তিনি এখন দেখা করতে পারবে না।তখন সুমির সাথে ওয়াজেদের বাকবিতন্ডা হয়।

এ সময় ডিবি পুলিশের এসআই মো. ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েকজন ডিবি পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওয়াজেদ আলী বিস্তারিত বলেন। তখন তাদের আটক করে সুমির ব্যাগ থেকে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, সুমির স্বামীর নামে সাংবাদিক আইডি কার্ড ও তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুমি জানায়, বাকি ৮ লক্ষ ৫ হাজার টাকার স্বামী খায়রুল বাশারের নিকট আছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১ জুলাই টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে পুলিশ কনস্টবলে লোক নেওয়া হবে।