ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১,২০০ কোটি টাকার মুদারাবা বন্ড ছাড়বে ইসলামী ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯
  • ৩১৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার তৃতীয় মুদারাবা রিডিমেবল নন-কনভার্টিবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ২৭৮তম পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর এ বন্ড ইস্যু করা হবে। এর মেয়াদ হবে সাত বছর।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। সমাপ্ত হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের সম্মিলিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৯২ পয়সা। আগের হিসাব বছর সম্মিলিত ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিতভাবে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪৫ পয়সা। এক বছর আগে সম্মিলিত এনএভিপিএস ছিল ৩১ টাকা ৪৭ পয়সা।

এদিকে চলতি ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইসলামী ব্যাংকের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮৭ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৩১ টাকা ৮৩ পয়সা।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ ২ জুন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় ইসলামী ব্যাংক। তার আগে ২০১৬ হিসাব বছরেও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ইসলামী ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ২৪ টাকা ১০ পয়সা, আগের দিনের চেয়ে যা ৩০ পয়সা বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ কম। সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর শেয়ারটির দর ২৪ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২১ টাকা ৯০ পয়সা ও ২৮ টাকা ৪০ পয়সা।

ইসলামী ধারার প্রথম বাংলাদেশী ব্যাংকটি ১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে বর্তমানে ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৪৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ১২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে ইসলামিক ব্যাংক শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৭ দশমিক ৯১, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ১৫ দশমিক ১৩।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

১,২০০ কোটি টাকার মুদারাবা বন্ড ছাড়বে ইসলামী ব্যাংক

আপডেট টাইম : ০৩:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার তৃতীয় মুদারাবা রিডিমেবল নন-কনভার্টিবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ২৭৮তম পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর এ বন্ড ইস্যু করা হবে। এর মেয়াদ হবে সাত বছর।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। সমাপ্ত হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের সম্মিলিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৯২ পয়সা। আগের হিসাব বছর সম্মিলিত ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিতভাবে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪৫ পয়সা। এক বছর আগে সম্মিলিত এনএভিপিএস ছিল ৩১ টাকা ৪৭ পয়সা।

এদিকে চলতি ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইসলামী ব্যাংকের সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮৭ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৩১ টাকা ৮৩ পয়সা।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ ২ জুন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় ইসলামী ব্যাংক। তার আগে ২০১৬ হিসাব বছরেও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ইসলামী ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ২৪ টাকা ১০ পয়সা, আগের দিনের চেয়ে যা ৩০ পয়সা বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ কম। সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর শেয়ারটির দর ২৪ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২১ টাকা ৯০ পয়সা ও ২৮ টাকা ৪০ পয়সা।

ইসলামী ধারার প্রথম বাংলাদেশী ব্যাংকটি ১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে বর্তমানে ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৪৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ১২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে ইসলামিক ব্যাংক শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৭ দশমিক ৯১, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ১৫ দশমিক ১৩।