ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আট মাসেই কোরআনের হাফেজ আট বছরের শিশু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯
  • ৩২৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কোরআনের হাফেজ হওয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। তাও আবার মাত্র আট মাসেই! অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই, আট বছরের এক ফিলিস্তিনি শিশু ৩০ পারা পবিত্র আল কোরআনের হাফেজ হয়েছে। সে গড়ে প্রতিদিন ১৬ পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করেছে। এই ঘটনায় গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শহরের বাসিন্দাদের মাঝে অপার বিস্ময়ের জন্ম হয়েছে।

গাজার গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, শিশু আওয়াজ স্থানীয় আল-ওমরি মসজিদের কোরআন ক্লাসের শিক্ষার্থী। ভর্তি হওয়ার পর সে শুনে শুনে প্রতিদিন গড়ে এক পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করতো। পর্যায়ক্রমে সে দৈনিক ১৬ পৃষ্ঠা পর্যন্ত কোরআন মুখস্থ করতে শুরু করে। একই সঙ্গে মুখস্থ করা আয়াতগুলো স্মরণে রাখতে সে প্রতিদিন ৪৫ পৃষ্ঠা করে পেছনের পড়া পড়তো।

উল্লেখ্য, যারা কোরআন আত্মস্থ করেন তারা সাধারণভাবে প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করেন। এতে করে স্বাভাবিকভাবে পুরো কোরআন মুখস্থ করতে তিন বছরেরও অধিক সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু শিশু আওয়াজ মাত্র আট মাসে তা করে দেখালো।

স্থানীয়রা জানান, আল-ওমরি মসজিদের খুব কাছেই আলা আওয়াজের পরিবার বাস করেন। সে সার্বক্ষণিক মসজিদেই থাকতো এবং শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষা নিতো। এভাবেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে আল কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করে মেধাবী আওয়াজ।

দেশটির গণমাধ্যম আওয়াজের এই সাফল্যকে ইসরায়েলি ‘আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি মজলুম শিশুর প্রতিবাদ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এ ঘটনা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুপ্রেরণা বলেও উল্লেখ করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আট মাসেই কোরআনের হাফেজ আট বছরের শিশু

আপডেট টাইম : ১০:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কোরআনের হাফেজ হওয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। তাও আবার মাত্র আট মাসেই! অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই, আট বছরের এক ফিলিস্তিনি শিশু ৩০ পারা পবিত্র আল কোরআনের হাফেজ হয়েছে। সে গড়ে প্রতিদিন ১৬ পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করেছে। এই ঘটনায় গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শহরের বাসিন্দাদের মাঝে অপার বিস্ময়ের জন্ম হয়েছে।

গাজার গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, শিশু আওয়াজ স্থানীয় আল-ওমরি মসজিদের কোরআন ক্লাসের শিক্ষার্থী। ভর্তি হওয়ার পর সে শুনে শুনে প্রতিদিন গড়ে এক পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করতো। পর্যায়ক্রমে সে দৈনিক ১৬ পৃষ্ঠা পর্যন্ত কোরআন মুখস্থ করতে শুরু করে। একই সঙ্গে মুখস্থ করা আয়াতগুলো স্মরণে রাখতে সে প্রতিদিন ৪৫ পৃষ্ঠা করে পেছনের পড়া পড়তো।

উল্লেখ্য, যারা কোরআন আত্মস্থ করেন তারা সাধারণভাবে প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করেন। এতে করে স্বাভাবিকভাবে পুরো কোরআন মুখস্থ করতে তিন বছরেরও অধিক সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু শিশু আওয়াজ মাত্র আট মাসে তা করে দেখালো।

স্থানীয়রা জানান, আল-ওমরি মসজিদের খুব কাছেই আলা আওয়াজের পরিবার বাস করেন। সে সার্বক্ষণিক মসজিদেই থাকতো এবং শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষা নিতো। এভাবেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে আল কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করে মেধাবী আওয়াজ।

দেশটির গণমাধ্যম আওয়াজের এই সাফল্যকে ইসরায়েলি ‘আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি মজলুম শিশুর প্রতিবাদ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এ ঘটনা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুপ্রেরণা বলেও উল্লেখ করা হয়।