ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জব্দ করা পাঁচ টন মাছ এতিমখানায় দিলো র‌্যাব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০১৯
  • ৩৭৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর কাওরানবাজারে বিক্রয়নিষিদ্ধ দুই টন আফ্রিকান মাগুর এবং তিন টন জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব মাছ বিক্রির অপরাধে ১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা মাছ নষ্ট না করে সেগুলো রাজধানীর বিভিন্ন এতিমখানায় পাঠানো হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান শেষে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে দেশে আফ্রিকান মাগুর মাছের চাষ ও বিক্রি নিষিদ্ধ। যে পুকুর বা ঘেরে এই মাছ চাষ হয় সেখানে অন্য কোনো মাছ চাষ করা যায় না। কারণ আফ্রিকান মাগুর মাছ খেকো। তারপরও কিছু অসাধু ব্যক্তি এসব মাছ চাষ করছে। এজন্য র‌্যাবের পক্ষ বাজার তদারকি করতে রাজধানীর কাওরান বাজারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১৪ জন ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ-দেওয়া হয়।’

‘অভিযানে মাছে ফরমালিন আছে কি না পরীক্ষার জন্য মাছের বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে আমদানি করা এবং স্থানীয় কোন মাছেই ফরমালিন পাওয়া যায়নি। যা ভোক্তাদের সুসংবাদ বটে।’

র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-৩) এসপি মহিউদ্দিন ফারুকী সাংবাদিককে বলেন, ‘অভিযানে দেখা গেছে আইন অমান্য করে অবাধে চার থেকে ছয় ইঞ্চি সাইজের জাটকা ইলিশ বিক্রি করা হচ্ছে। বেশ কয়েকটি আড়তে একই দৃশ্য দেখা গেছে। এ অপরাধে দশজনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদ-দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া সরকারি আদেশ অমান্য করে আফ্রিকান মাগুর বিক্রির অপরাধে চারজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ-দেওয়া হয়েছে। অভিযান জব্দ করা পাঁচ টন জাটকা ইলিশ ও আফ্রিকান মাগুর মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জব্দ করা পাঁচ টন মাছ এতিমখানায় দিলো র‌্যাব

আপডেট টাইম : ১১:১১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর কাওরানবাজারে বিক্রয়নিষিদ্ধ দুই টন আফ্রিকান মাগুর এবং তিন টন জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব মাছ বিক্রির অপরাধে ১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা মাছ নষ্ট না করে সেগুলো রাজধানীর বিভিন্ন এতিমখানায় পাঠানো হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান শেষে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে দেশে আফ্রিকান মাগুর মাছের চাষ ও বিক্রি নিষিদ্ধ। যে পুকুর বা ঘেরে এই মাছ চাষ হয় সেখানে অন্য কোনো মাছ চাষ করা যায় না। কারণ আফ্রিকান মাগুর মাছ খেকো। তারপরও কিছু অসাধু ব্যক্তি এসব মাছ চাষ করছে। এজন্য র‌্যাবের পক্ষ বাজার তদারকি করতে রাজধানীর কাওরান বাজারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১৪ জন ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ-দেওয়া হয়।’

‘অভিযানে মাছে ফরমালিন আছে কি না পরীক্ষার জন্য মাছের বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে আমদানি করা এবং স্থানীয় কোন মাছেই ফরমালিন পাওয়া যায়নি। যা ভোক্তাদের সুসংবাদ বটে।’

র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-৩) এসপি মহিউদ্দিন ফারুকী সাংবাদিককে বলেন, ‘অভিযানে দেখা গেছে আইন অমান্য করে অবাধে চার থেকে ছয় ইঞ্চি সাইজের জাটকা ইলিশ বিক্রি করা হচ্ছে। বেশ কয়েকটি আড়তে একই দৃশ্য দেখা গেছে। এ অপরাধে দশজনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদ-দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া সরকারি আদেশ অমান্য করে আফ্রিকান মাগুর বিক্রির অপরাধে চারজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ-দেওয়া হয়েছে। অভিযান জব্দ করা পাঁচ টন জাটকা ইলিশ ও আফ্রিকান মাগুর মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।’