ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার বৈশাখী আড্ডা ও মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের: মাহদী আমিন কলেজছাত্রের বানানো রেসিং কার চালালেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি হাজিদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত সউদী আরব ইনশাআল্লাহ বলায় এবার কোরআন উপহার পেলেন অভিনেত্রী ধেয়ে আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে তীব্র খরা, দাবদাহ ও ঝড়ের পূর্বাভাস ইসলামাবাদে শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী লিমন-বৃষ্টির বিয়ের স্বপ্ন কেড়ে নিলো মার্কিন ঘাতক

মৌসুমে আউশের ভাল ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪৮৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ফসলের মাঠে এখন থোকায় থোকায় দুলছে আউশ ধান। এই মৌসুমে আউশের ভাল ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

যে মাঠে লবণের চাষ হয় সেই মাঠেই সোনালী ধান। তাও বাম্পার ফলন। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় এখন দেখা মিলে চোখ জুড়ানো এমন দৃশ্যের।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বাঁশখালী উপজেলার বিপুল পরিমাণ জমিতে প্রতিবছর লবণ উৎপাদন হয়। লবণ উৎপাদন শেষে আবহাওয়া পরিবর্তনে অতি বৃষ্টির কারণে লবণ সহিষ্ণু এলাকায় ব্রি-ধান ৪৭ ও ব্রি-ধান ৩৯, জাতের ধান রোপণ করেন কৃষকরা।

অসময়ে উৎপাদিত এই মৌসুমকে ব্রাউশ ধান হিসাবে চিহ্নিত করেছেন কৃষিবিদরা। আউশ ও আমনের মাঝামাঝি সময়ে গত ৩ বছর ধরে বাঁশখালীতে এই ধান উৎপাদন হচ্ছে।

আমন ও আউশ মৌসুম ছাড়াও নতুনভাবে ফসলি জমিতে জুন-জুলাই মাসে এ ধান বীজ রোপণ করে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে কৃষকরা ধান কাটা শুরু করেন। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে বাঁশখালীতে অসময়ের এই ধানকাটা শুরু হয়েছে।  কৃষক পরিবারগুলোতে নতুন জাতের এ ধান কাটা শুরু হওয়ায় খুশির আমেজ বইছে।

বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, বাঁশখালী উপজেলায় ১৪ ইউনিয়ন ও পৌরসভার মধ্যে জুন মাস থেকে ৬৫০ হেক্টর জমিতে ব্রাউশ ধান চারা রোপণ শুরু হয়। উপকূলীয় ইউনিয়ন গন্ডামারা, ছনুয়া, শেখেরখিল, সরল ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি কৃষকরা ব্রি-ধান ৪৭ ও ব্রি-ধান ৩৯ ধান রোপণ করে থাকেন। এছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়নেও এ ধান চাষাবাদ করে থাকেন কৃষকরা। প্রতিবছর মার্চ ও এপ্রিল মাসে আউশ ধান রোপণ এবং জুলাই-আগস্ট মাসে আমন ধান চাষাবাদ শুরু করলেও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সবজি মৌসুমে জুন মাসেই দুই জাতের ধান রোপণ করে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

গত তিন বছর ধরেই লবণ চাষের জমিতে বাঁশখালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ব্রাউশ নামের ধানের চারা রোপণ করে চাষিরা অক্টোবর থেকেই ফলন ঘরে তুলতে শুরু করেন।

স্থানীয় কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির কারণে অসময়ে লবণ মৌসুমের পর কৃষকরা ধান চারা রোপণে উৎসাহী হয়ে পড়েছে। নতুন জাতের ব্রি-ধান ৪৭ রোপণ করার সুযোগ পেয়ে সার, বিষ প্রয়োগ করে ব্রাউশ ধান ফলাচ্ছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মুখে হাসি ফিরেছে। ফিরেছে স্বচ্ছলতাও।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার বৈশাখী আড্ডা ও মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত

মৌসুমে আউশের ভাল ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে

আপডেট টাইম : ০৪:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ফসলের মাঠে এখন থোকায় থোকায় দুলছে আউশ ধান। এই মৌসুমে আউশের ভাল ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

যে মাঠে লবণের চাষ হয় সেই মাঠেই সোনালী ধান। তাও বাম্পার ফলন। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় এখন দেখা মিলে চোখ জুড়ানো এমন দৃশ্যের।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বাঁশখালী উপজেলার বিপুল পরিমাণ জমিতে প্রতিবছর লবণ উৎপাদন হয়। লবণ উৎপাদন শেষে আবহাওয়া পরিবর্তনে অতি বৃষ্টির কারণে লবণ সহিষ্ণু এলাকায় ব্রি-ধান ৪৭ ও ব্রি-ধান ৩৯, জাতের ধান রোপণ করেন কৃষকরা।

অসময়ে উৎপাদিত এই মৌসুমকে ব্রাউশ ধান হিসাবে চিহ্নিত করেছেন কৃষিবিদরা। আউশ ও আমনের মাঝামাঝি সময়ে গত ৩ বছর ধরে বাঁশখালীতে এই ধান উৎপাদন হচ্ছে।

আমন ও আউশ মৌসুম ছাড়াও নতুনভাবে ফসলি জমিতে জুন-জুলাই মাসে এ ধান বীজ রোপণ করে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে কৃষকরা ধান কাটা শুরু করেন। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে বাঁশখালীতে অসময়ের এই ধানকাটা শুরু হয়েছে।  কৃষক পরিবারগুলোতে নতুন জাতের এ ধান কাটা শুরু হওয়ায় খুশির আমেজ বইছে।

বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, বাঁশখালী উপজেলায় ১৪ ইউনিয়ন ও পৌরসভার মধ্যে জুন মাস থেকে ৬৫০ হেক্টর জমিতে ব্রাউশ ধান চারা রোপণ শুরু হয়। উপকূলীয় ইউনিয়ন গন্ডামারা, ছনুয়া, শেখেরখিল, সরল ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি কৃষকরা ব্রি-ধান ৪৭ ও ব্রি-ধান ৩৯ ধান রোপণ করে থাকেন। এছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়নেও এ ধান চাষাবাদ করে থাকেন কৃষকরা। প্রতিবছর মার্চ ও এপ্রিল মাসে আউশ ধান রোপণ এবং জুলাই-আগস্ট মাসে আমন ধান চাষাবাদ শুরু করলেও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সবজি মৌসুমে জুন মাসেই দুই জাতের ধান রোপণ করে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

গত তিন বছর ধরেই লবণ চাষের জমিতে বাঁশখালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ব্রাউশ নামের ধানের চারা রোপণ করে চাষিরা অক্টোবর থেকেই ফলন ঘরে তুলতে শুরু করেন।

স্থানীয় কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির কারণে অসময়ে লবণ মৌসুমের পর কৃষকরা ধান চারা রোপণে উৎসাহী হয়ে পড়েছে। নতুন জাতের ব্রি-ধান ৪৭ রোপণ করার সুযোগ পেয়ে সার, বিষ প্রয়োগ করে ব্রাউশ ধান ফলাচ্ছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মুখে হাসি ফিরেছে। ফিরেছে স্বচ্ছলতাও।