ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
এক শ্রেণির রাজনৈতিক দল সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ইরানে হামলা করে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি নষ্ট করছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র: উ. কোরিয়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না এবার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ নতুন সংসদের যাত্রা শুরু স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত আজ ববি হাজ্জাজের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামুনুল হক গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় অবনতির শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র তদবিরের জন্য ‎কর্মস্থল ছেড়ে মন্ত্রণালয়ে না যেতে আইজিপির নির্দেশ প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে আলভীর বিস্ফোরক দাবি

প্রথমে কুমারী পরীক্ষা, তারপরে সেনা বাহিনীতে চাকরি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০১৫
  • ৫৯২ বার
ইন্দোনেশিয়ায় সেনা বাহিনীতে নারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরের বছর ধরে চলে আসছে এক নির্মম প্রক্রিয়া। সে দেশের নারীদের সেনা বাহিনীতে যোগ দিতে গেলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নারীকে কুমারী থাকতে হবে। সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগে সরকারি প্রক্রিয়ায় তা পরীক্ষা করে পুরুষ চিকিত্‍সকরা।
বিতর্কিত ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’-এর মাধ্যমে পুরুষ চিকিত্‍সকরা সেনা বাহিনীতে পদপ্রার্থী নারীকে পরীক্ষা করে। এই পরীক্ষায় উতরে গেলে তবেই খোলে সেনা বাহিনীর দরজা। ইন্দোনেশিয়া সরকারের যুক্তি হল, জাতীয় নিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। যদিও এহেন যুক্তির কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছে না মানবাধিকার সংগঠনগুলি। প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে বন্ধ করারও দাবি জানিয়েছে তারা।

কীভাবে পরীক্ষা করা হয়?
একটি ঘরে একের পর এক নারী প্রার্থীকে ঢোকানো হয়। সেখানে থাকে কয়েকজন পুরুষ চিকিত্‍সক। এরপর ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’-এর মাধ্যমে দেখা হয় তারা কুমারী কিনা। কোনও সেনা কর্মকর্তার প্রেমিকা সেনা বাহিনীতে যোগ দিলে, তাঁকেও এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে ছাড়পত্র আদায় করতে হয়।
সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়া সরকারের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা করা হয়। শুধু সহবাস করলেই যে যোনি-পর্দা ছেঁড়ে, তা নয়। অনেক সময় অভ্যাস দোষ বা অন্য কোনও কারণেও পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে।
এমনকি এহেন অমানবিক পরীক্ষার জন্য ইন্দোনেশিয়ার বহু যুবতী সেনা বাহিনীতে যোগ দিতেই চান না। সেনা কর্মকর্তাদের স্ত্রীদের কথায়, ‘এটা শুধু অমানবিক-ই নয়, এক ধরনের অত্যাচার।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

এক শ্রেণির রাজনৈতিক দল সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস

প্রথমে কুমারী পরীক্ষা, তারপরে সেনা বাহিনীতে চাকরি

আপডেট টাইম : ০৪:২৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০১৫
ইন্দোনেশিয়ায় সেনা বাহিনীতে নারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরের বছর ধরে চলে আসছে এক নির্মম প্রক্রিয়া। সে দেশের নারীদের সেনা বাহিনীতে যোগ দিতে গেলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নারীকে কুমারী থাকতে হবে। সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগে সরকারি প্রক্রিয়ায় তা পরীক্ষা করে পুরুষ চিকিত্‍সকরা।
বিতর্কিত ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’-এর মাধ্যমে পুরুষ চিকিত্‍সকরা সেনা বাহিনীতে পদপ্রার্থী নারীকে পরীক্ষা করে। এই পরীক্ষায় উতরে গেলে তবেই খোলে সেনা বাহিনীর দরজা। ইন্দোনেশিয়া সরকারের যুক্তি হল, জাতীয় নিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। যদিও এহেন যুক্তির কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছে না মানবাধিকার সংগঠনগুলি। প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে বন্ধ করারও দাবি জানিয়েছে তারা।

কীভাবে পরীক্ষা করা হয়?
একটি ঘরে একের পর এক নারী প্রার্থীকে ঢোকানো হয়। সেখানে থাকে কয়েকজন পুরুষ চিকিত্‍সক। এরপর ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’-এর মাধ্যমে দেখা হয় তারা কুমারী কিনা। কোনও সেনা কর্মকর্তার প্রেমিকা সেনা বাহিনীতে যোগ দিলে, তাঁকেও এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে ছাড়পত্র আদায় করতে হয়।
সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়া সরকারের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা করা হয়। শুধু সহবাস করলেই যে যোনি-পর্দা ছেঁড়ে, তা নয়। অনেক সময় অভ্যাস দোষ বা অন্য কোনও কারণেও পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে।
এমনকি এহেন অমানবিক পরীক্ষার জন্য ইন্দোনেশিয়ার বহু যুবতী সেনা বাহিনীতে যোগ দিতেই চান না। সেনা কর্মকর্তাদের স্ত্রীদের কথায়, ‘এটা শুধু অমানবিক-ই নয়, এক ধরনের অত্যাচার।’