ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

প্রাথমিকে ২৩১ শিক্ষককে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০১৫
  • ৬৩৪ বার
রাজশাহীতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৩১ শিক্ষককে সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মামুনুন রহমান ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ-সংক্রান্ত রুল নিস্পত্তি করে এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব ও সুলতান মাহমুদ।

এর আগে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও নিয়োগ না পাওয়ায় ২৩১ জনের পক্ষে রাজশাহীর আব্দুল ওয়াহাব রিট দায়ের করেন। এরপর ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাদেরকে নিয়োগ দিতে রুল জারি করেন। আজ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২৩১ জন প্রার্থীকে স্ব স্ব জেলা রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, টাঙ্গাইল, যশোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝিনাইদহ, বগুড়া, জয়পুরহাটে নিয়োগের আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে এক সার্কুলার (বিজ্ঞপ্তি) প্রকাশ করেন। পরে এসব রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তিন নম্বর ক্রমিকে উল্লেখ করা হয় রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে নিয়ে উপজেলায় একটি প্যানেল গঠন করা হবে। কিন্তু ২০১২ সালের ২১ মার্চ রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ পায়।

ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর শর্ত পূরণ না করে উত্তীর্ণ ১০ হাজার শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ইনউনিয়নভিত্তিক প্যানেল গঠন করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। যার ফলে উপজেলাভিত্তিক প্যানেল গঠন করার জন্য যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল তার মধ্যে থেকে তারা নিয়োগ বাদ পড়েন। ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থীরা হাইকোর্টে আসেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

প্রাথমিকে ২৩১ শিক্ষককে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট টাইম : ০৫:৫০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০১৫
রাজশাহীতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৩১ শিক্ষককে সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মামুনুন রহমান ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ-সংক্রান্ত রুল নিস্পত্তি করে এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব ও সুলতান মাহমুদ।

এর আগে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও নিয়োগ না পাওয়ায় ২৩১ জনের পক্ষে রাজশাহীর আব্দুল ওয়াহাব রিট দায়ের করেন। এরপর ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাদেরকে নিয়োগ দিতে রুল জারি করেন। আজ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২৩১ জন প্রার্থীকে স্ব স্ব জেলা রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, টাঙ্গাইল, যশোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝিনাইদহ, বগুড়া, জয়পুরহাটে নিয়োগের আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে এক সার্কুলার (বিজ্ঞপ্তি) প্রকাশ করেন। পরে এসব রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তিন নম্বর ক্রমিকে উল্লেখ করা হয় রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে নিয়ে উপজেলায় একটি প্যানেল গঠন করা হবে। কিন্তু ২০১২ সালের ২১ মার্চ রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ পায়।

ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর শর্ত পূরণ না করে উত্তীর্ণ ১০ হাজার শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ইনউনিয়নভিত্তিক প্যানেল গঠন করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। যার ফলে উপজেলাভিত্তিক প্যানেল গঠন করার জন্য যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল তার মধ্যে থেকে তারা নিয়োগ বাদ পড়েন। ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থীরা হাইকোর্টে আসেন।