ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

নেকাব পড়ায় ৪ ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন জাবি শিক্ষিকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৭৪২ বার

নেকাব পরার অপরাধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক শিক্ষিকা। মঙ্গলবার প্রাণিবিদ্যা বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বুধবার ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতির মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত রোববার প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২য় বর্ষের চারজন ছাত্রী নেকাব পরে ক্লাসে এলে প্রভাষক সামিয়া ফারহানা সুমা সতর্ক করে তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এসময় পরবর্তীতে ক্লাসে নেকাব পরে আসতে তাদের নিষেধও করেন তিনি। এরপর গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রীরা আবারো নেকাব পরে ক্লাসে এলে ওই শিক্ষিকা তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ ক্লাস থেকে বের করে দেন।
এদিকে, উপাচার্য বরাবর দেয়া অভিযোগ পত্রে চার ছাত্রী জানান, মুসলিম পরিবারের মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই পারিবারিকভাবে নেকাবসহ পর্দা করে আসছি। নেকাব পরার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বাধার সম্মুখীন হইনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত আমরা স্বাধীনভাবে নেকাবের মাধ্যমে পর্দা রক্ষা করে আসছি। কিন্তু, দুঃখজনক হল সামিয়া ফারহানা ম্যাম দুইদিন ক্লাসে সকলের সামনে আমাদের নেকাব খুলতে বাধ্য করেছেন। তার চাপে আমরা দুইদিন নেকাব খুলে ক্লাশ করতে বাধ্য হয়েছি। এ ঘটনায় আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা সামিয়া ফারহান সুমা বলেন, ছাত্রীদের মুখভঙ্গী বুঝতে সমস্যা হওয়ায় তাদের নেকাব খুলে ক্লাস করতে বলেছি। কিন্তু তারা সব সময় আমার কথা প্রত্যাখান করে আসছে। এসময় শিক্ষার্থীদের গালিগালাজের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
তবে বিভাগের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ওই শিক্ষিকা সব সময় বিভাগের বিভিন্ন ব্যচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, আমি বাইরে আছি। তবে মূল ঘটনা জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

নেকাব পড়ায় ৪ ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন জাবি শিক্ষিকা

আপডেট টাইম : ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

নেকাব পরার অপরাধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক শিক্ষিকা। মঙ্গলবার প্রাণিবিদ্যা বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বুধবার ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতির মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত রোববার প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২য় বর্ষের চারজন ছাত্রী নেকাব পরে ক্লাসে এলে প্রভাষক সামিয়া ফারহানা সুমা সতর্ক করে তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এসময় পরবর্তীতে ক্লাসে নেকাব পরে আসতে তাদের নিষেধও করেন তিনি। এরপর গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রীরা আবারো নেকাব পরে ক্লাসে এলে ওই শিক্ষিকা তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ ক্লাস থেকে বের করে দেন।
এদিকে, উপাচার্য বরাবর দেয়া অভিযোগ পত্রে চার ছাত্রী জানান, মুসলিম পরিবারের মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই পারিবারিকভাবে নেকাবসহ পর্দা করে আসছি। নেকাব পরার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বাধার সম্মুখীন হইনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত আমরা স্বাধীনভাবে নেকাবের মাধ্যমে পর্দা রক্ষা করে আসছি। কিন্তু, দুঃখজনক হল সামিয়া ফারহানা ম্যাম দুইদিন ক্লাসে সকলের সামনে আমাদের নেকাব খুলতে বাধ্য করেছেন। তার চাপে আমরা দুইদিন নেকাব খুলে ক্লাশ করতে বাধ্য হয়েছি। এ ঘটনায় আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা সামিয়া ফারহান সুমা বলেন, ছাত্রীদের মুখভঙ্গী বুঝতে সমস্যা হওয়ায় তাদের নেকাব খুলে ক্লাস করতে বলেছি। কিন্তু তারা সব সময় আমার কথা প্রত্যাখান করে আসছে। এসময় শিক্ষার্থীদের গালিগালাজের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
তবে বিভাগের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ওই শিক্ষিকা সব সময় বিভাগের বিভিন্ন ব্যচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, আমি বাইরে আছি। তবে মূল ঘটনা জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।