ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

নেকাব পড়ায় ৪ ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন জাবি শিক্ষিকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৭৫০ বার

নেকাব পরার অপরাধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক শিক্ষিকা। মঙ্গলবার প্রাণিবিদ্যা বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বুধবার ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতির মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত রোববার প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২য় বর্ষের চারজন ছাত্রী নেকাব পরে ক্লাসে এলে প্রভাষক সামিয়া ফারহানা সুমা সতর্ক করে তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এসময় পরবর্তীতে ক্লাসে নেকাব পরে আসতে তাদের নিষেধও করেন তিনি। এরপর গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রীরা আবারো নেকাব পরে ক্লাসে এলে ওই শিক্ষিকা তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ ক্লাস থেকে বের করে দেন।
এদিকে, উপাচার্য বরাবর দেয়া অভিযোগ পত্রে চার ছাত্রী জানান, মুসলিম পরিবারের মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই পারিবারিকভাবে নেকাবসহ পর্দা করে আসছি। নেকাব পরার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বাধার সম্মুখীন হইনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত আমরা স্বাধীনভাবে নেকাবের মাধ্যমে পর্দা রক্ষা করে আসছি। কিন্তু, দুঃখজনক হল সামিয়া ফারহানা ম্যাম দুইদিন ক্লাসে সকলের সামনে আমাদের নেকাব খুলতে বাধ্য করেছেন। তার চাপে আমরা দুইদিন নেকাব খুলে ক্লাশ করতে বাধ্য হয়েছি। এ ঘটনায় আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা সামিয়া ফারহান সুমা বলেন, ছাত্রীদের মুখভঙ্গী বুঝতে সমস্যা হওয়ায় তাদের নেকাব খুলে ক্লাস করতে বলেছি। কিন্তু তারা সব সময় আমার কথা প্রত্যাখান করে আসছে। এসময় শিক্ষার্থীদের গালিগালাজের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
তবে বিভাগের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ওই শিক্ষিকা সব সময় বিভাগের বিভিন্ন ব্যচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, আমি বাইরে আছি। তবে মূল ঘটনা জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

নেকাব পড়ায় ৪ ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন জাবি শিক্ষিকা

আপডেট টাইম : ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

নেকাব পরার অপরাধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক শিক্ষিকা। মঙ্গলবার প্রাণিবিদ্যা বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বুধবার ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতির মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত রোববার প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২য় বর্ষের চারজন ছাত্রী নেকাব পরে ক্লাসে এলে প্রভাষক সামিয়া ফারহানা সুমা সতর্ক করে তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এসময় পরবর্তীতে ক্লাসে নেকাব পরে আসতে তাদের নিষেধও করেন তিনি। এরপর গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রীরা আবারো নেকাব পরে ক্লাসে এলে ওই শিক্ষিকা তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ ক্লাস থেকে বের করে দেন।
এদিকে, উপাচার্য বরাবর দেয়া অভিযোগ পত্রে চার ছাত্রী জানান, মুসলিম পরিবারের মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই পারিবারিকভাবে নেকাবসহ পর্দা করে আসছি। নেকাব পরার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বাধার সম্মুখীন হইনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত আমরা স্বাধীনভাবে নেকাবের মাধ্যমে পর্দা রক্ষা করে আসছি। কিন্তু, দুঃখজনক হল সামিয়া ফারহানা ম্যাম দুইদিন ক্লাসে সকলের সামনে আমাদের নেকাব খুলতে বাধ্য করেছেন। তার চাপে আমরা দুইদিন নেকাব খুলে ক্লাশ করতে বাধ্য হয়েছি। এ ঘটনায় আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা সামিয়া ফারহান সুমা বলেন, ছাত্রীদের মুখভঙ্গী বুঝতে সমস্যা হওয়ায় তাদের নেকাব খুলে ক্লাস করতে বলেছি। কিন্তু তারা সব সময় আমার কথা প্রত্যাখান করে আসছে। এসময় শিক্ষার্থীদের গালিগালাজের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
তবে বিভাগের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ওই শিক্ষিকা সব সময় বিভাগের বিভিন্ন ব্যচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, আমি বাইরে আছি। তবে মূল ঘটনা জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।