ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

সারাদেশ গেয়ে উঠলো ‘আমার সোনার বাংলা’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮
  • ৩৪০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঘড়ির কাটায় সময় তখন ঠিক ৮টা ৮ মিনিট। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষ একযোগে গেয়ে উঠলেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। দেশের পাশাপাশি প্রবাসেও একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করতে নেয়া হয় এই উদ্যোগ। আজ সোমবার একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয়স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সঙ্গে সঙ্গে গেয়ে উঠেন ‘আমার সোনার বাংলা’। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অন্যরাও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। মুহূর্তের মধ্যে সেই সুরে মুখরিত হয়ে উঠে বাংলার আকাশ-বাতাস। মুখে মুখে উচ্চারিত হতে থাকে আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।

এর আগে সবাইকে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আহ্বান জানানো হয়। শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত ২০ জানুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ দেশব্যাপী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দলগত জাতীয় সংগীত পরিবেশন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

এ প্রতিযোগিতায় ৬৪টি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদরাসার ৬২ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৩ জন ছাত্র এবং ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ২৯৫ জন ছাত্রীসহ মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
২০ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পর্যায়ে আন্তঃশ্রেণি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি চলে ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিযোগিতা।
তারপর ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পর্যায়ে, ২২ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলা পর্যায়ে এবং ৫ থেকে ১১ মার্চ বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা হয়। ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

সারাদেশ গেয়ে উঠলো ‘আমার সোনার বাংলা’

আপডেট টাইম : ০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঘড়ির কাটায় সময় তখন ঠিক ৮টা ৮ মিনিট। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষ একযোগে গেয়ে উঠলেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। দেশের পাশাপাশি প্রবাসেও একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করতে নেয়া হয় এই উদ্যোগ। আজ সোমবার একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয়স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সঙ্গে সঙ্গে গেয়ে উঠেন ‘আমার সোনার বাংলা’। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অন্যরাও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। মুহূর্তের মধ্যে সেই সুরে মুখরিত হয়ে উঠে বাংলার আকাশ-বাতাস। মুখে মুখে উচ্চারিত হতে থাকে আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।

এর আগে সবাইকে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আহ্বান জানানো হয়। শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত ২০ জানুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ দেশব্যাপী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দলগত জাতীয় সংগীত পরিবেশন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

এ প্রতিযোগিতায় ৬৪টি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদরাসার ৬২ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৩ জন ছাত্র এবং ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ২৯৫ জন ছাত্রীসহ মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
২০ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পর্যায়ে আন্তঃশ্রেণি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি চলে ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিযোগিতা।
তারপর ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পর্যায়ে, ২২ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলা পর্যায়ে এবং ৫ থেকে ১১ মার্চ বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা হয়। ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা।