ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

সচেতনতায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮
  • ৪০২ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানুষ তার নিত্য নতুন দক্ষতা, চিন্তা-চেতনা, শ্রম, প্রতিভার সাহায্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করে চলছে এক একটি নতুন সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাগুলোর সফল বাস্তবায়নই এগিয়ে নিয়ে যায় এ সভ্যতাকে। সভ্যতার ক্রমবিকাশের এই পথ ধরে সুদূর অতীত থেকেই মানুষ তার নিজের মত করে গড়ে তুলেছে আজকের এই পৃথিবী। প্রযুক্তির আশীর্বাদ হচ্ছে সেই সভ্যতার বিবর্তনের ফসল। কিন্তু জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি, এবং এই বাড়তি জনসংখ্যার খাদ্য, জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অন্যান্য কাজে পরিবেশকে ব্যবহার করায় প্রাকৃতিক সম্পদ মাটি, পানি ও বায়ুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে। তাই জনস্বার্থেই প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সমাজের প্রতিটি মহলকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ সচেতনতার এই বিষয়টি মাথায় রেখেই কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।
সাধারণত, পরিবেশ রক্ষা এবং এর ভারসাম্য বজায় রাখার মৌলিক দিক গুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তাদের সামগ্রিক পরিকল্পনা পদ্ধতি প্রণয়ন করে থাকে। প্রধান যে দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তাদের পরিকল্পনা সাজিয়ে থাকে তার মধ্যে একটি হচ্ছে, গ্যাসের কি পরিমাণ মজুদ আছে এবং অন্যটি হচ্ছে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জল নির্গমনের পরিমাণ। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড আরেকটি বিষয় খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখে তা হল, ট্রান্সমিশন লাইনগুলো যেন কোন সুরক্ষিত এলাকার সীমানা লঙ্ঘন না করে।
গ্যাস একটি অনাবায়নযোগ্য জ্বালানি ও এর মজুদের পরিমাণও সীমিত হওয়ায় তার যথাযথ ব্যবহার না হলে অচিরেই ফুরিয়ে যাবে গ্যাসের মজুদ। তবুও দেশে নতুন নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের খবর আশার আলো দেখাচ্ছে। তাই বলে সচেতনতার বিষয়টি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলে হবে না। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিবেশ সচেতনতার দিকগুলোর ন্যায় গ্যাসের মত অন্যসব অনাবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। এছাড়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যে জল নির্গমন করা হচ্ছে তার ব্যাপারেও সচেতন থাকা আবশ্যক কেননা এই উষ্ণ জল নদী বা অন্যান্য জলাশয়ের তাপমাত্রা বাড়িয়ে বাস্তুতন্ত্রের চরম ক্ষতি করতে পারে।
দেশ শিল্পোন্নত হওয়ার সাথে সাথে দিনদিন কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে; সে দিকটিও বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, এবং যেখানে সম্ভব সেখানেই বিদ্যমান সাইটগুলো পুনঃনির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এসব কর্মসূচী ও কর্ম পরিকল্পনাগুলো পরিবেশ রক্ষা এবং তা সংরক্ষণের দিকটিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। আর এভাবে সম্ভব হবে ভবিষ্যৎ।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

সচেতনতায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

আপডেট টাইম : ১০:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮
হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানুষ তার নিত্য নতুন দক্ষতা, চিন্তা-চেতনা, শ্রম, প্রতিভার সাহায্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করে চলছে এক একটি নতুন সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাগুলোর সফল বাস্তবায়নই এগিয়ে নিয়ে যায় এ সভ্যতাকে। সভ্যতার ক্রমবিকাশের এই পথ ধরে সুদূর অতীত থেকেই মানুষ তার নিজের মত করে গড়ে তুলেছে আজকের এই পৃথিবী। প্রযুক্তির আশীর্বাদ হচ্ছে সেই সভ্যতার বিবর্তনের ফসল। কিন্তু জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি, এবং এই বাড়তি জনসংখ্যার খাদ্য, জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অন্যান্য কাজে পরিবেশকে ব্যবহার করায় প্রাকৃতিক সম্পদ মাটি, পানি ও বায়ুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে। তাই জনস্বার্থেই প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সমাজের প্রতিটি মহলকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ সচেতনতার এই বিষয়টি মাথায় রেখেই কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।
সাধারণত, পরিবেশ রক্ষা এবং এর ভারসাম্য বজায় রাখার মৌলিক দিক গুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তাদের সামগ্রিক পরিকল্পনা পদ্ধতি প্রণয়ন করে থাকে। প্রধান যে দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তাদের পরিকল্পনা সাজিয়ে থাকে তার মধ্যে একটি হচ্ছে, গ্যাসের কি পরিমাণ মজুদ আছে এবং অন্যটি হচ্ছে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জল নির্গমনের পরিমাণ। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড আরেকটি বিষয় খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখে তা হল, ট্রান্সমিশন লাইনগুলো যেন কোন সুরক্ষিত এলাকার সীমানা লঙ্ঘন না করে।
গ্যাস একটি অনাবায়নযোগ্য জ্বালানি ও এর মজুদের পরিমাণও সীমিত হওয়ায় তার যথাযথ ব্যবহার না হলে অচিরেই ফুরিয়ে যাবে গ্যাসের মজুদ। তবুও দেশে নতুন নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের খবর আশার আলো দেখাচ্ছে। তাই বলে সচেতনতার বিষয়টি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলে হবে না। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিবেশ সচেতনতার দিকগুলোর ন্যায় গ্যাসের মত অন্যসব অনাবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। এছাড়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যে জল নির্গমন করা হচ্ছে তার ব্যাপারেও সচেতন থাকা আবশ্যক কেননা এই উষ্ণ জল নদী বা অন্যান্য জলাশয়ের তাপমাত্রা বাড়িয়ে বাস্তুতন্ত্রের চরম ক্ষতি করতে পারে।
দেশ শিল্পোন্নত হওয়ার সাথে সাথে দিনদিন কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে; সে দিকটিও বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, এবং যেখানে সম্ভব সেখানেই বিদ্যমান সাইটগুলো পুনঃনির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এসব কর্মসূচী ও কর্ম পরিকল্পনাগুলো পরিবেশ রক্ষা এবং তা সংরক্ষণের দিকটিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। আর এভাবে সম্ভব হবে ভবিষ্যৎ।