হাওর বার্তা ডেস্কঃ নেপালের কাঠমান্ডু ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত রানার গ্রুপের তিন কর্মীকে তেজগাঁওয়ের রানার গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে (১৩৮/১ তেজগাঁও) আনা হবে। সেখানে নিহত সহকর্মীদের শেষ বিদায় দেবেন রানার সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
দুর্ঘটনায় নিহত রানার গ্রুপের তিন কর্মী হলেন-এস এম মাহমুদুর রহমান, মোঃ মতিউর রহমান ও নূরুজ্জামান বাবু। তারা রানার অটোমোবাইলসে কর্মরত ছিলেন। সোমবার দুপুরে নিহতদের মরদেহ নেপাল থেকে ঢাকায় আনা হবে। সেখান থেকে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা শেষে রানারের তিন কর্মীর মরদেহ আনা হবে তাদের কর্মস্থলে।
রানার গ্রুপ এ তথ্য জানিয়েছে। তারা জানায়, আজ বিকাল ৫টায় তেজগাঁওস্থ রানার গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে রানার পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ভাইস চেয়ারম্যন মোজাম্মেল হোসেন, রানার অটোমোবাইলস্ লি. এর এমডি ও সিইও মুকেশ শর্মা, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আনোয়ারুল আজিম এবং রানার ব্রিক্স লি.সহ রানার গ্রুপের সব কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানাবেন।
গত ১২ মার্চ (সোমবার) ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ৬৭ যাত্রী ও চার ক্রুসহ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিমানটি বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫১ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে। বাকিদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি করা হয়।
বিমানটিতে মোট ৬৭ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, একজন মালদ্বীপের ও একজন চীনের নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে পুরুষ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৭, নারী ২৮ ও দু’জন শিশু ছিল।
Reporter Name 
























