হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজপি) পদে কে নিয়োগ পাচ্ছেন এমন আলোচনা এখন সবত্র। আগামী ৩১ জানুয়ারি বর্তমান আইজিপির মেয়াদ শেষ হওয়াতে এমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, স্বাভাবিক নিয়মেই আইজিপি নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এখনো কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি পদটিতে নিয়োগ পেতে ইচ্ছুক র্যাব পুলিশ ও র্যাবের চার কর্মকর্তা। যেই ৪ জনের নাম আলোচনায় এসেছে তার মধ্যে স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান অতিরিক্তি আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী গ্রেড-১ এর কর্মকর্তা এবং তার চাকরির মেয়াদ আছে ২০২০ সাল পর্যন্ত। অপরদিকে বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরে অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) পদে কর্মরত মো. মোখলেসুর রহমানের চাকরির মেয়াদ আছে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। বর্তমানে র্যাবের ডিজি পদে কর্মরত অতিরিক্ত আইজিপি বেনজীর আহমেদ এর চাকরির মেয়াদ আছে ২০২২ সাল পর্যন্ত। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার চাকরির মেয়াদ আছে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। এই ৪ জনের মধ্য থেকেই যে কাউকে আইজিপি পদের জন্য নতুন মুখ হিসাবে আসতে পারে বলে জানা গেছে।
এদিকে, পুলিশ বাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক হিসেবে আইজিপি নিয়োগের নজির থাকলেও এবার তা যে হচ্ছে না, সেটা মোটামুটি স্পস্ট। বর্তমান আইজিপি নিজেই তার আভাস দিয়েছেন। ৬ জানুয়ারি পুলিশ সদর দপ্তরে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজ দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘যাবার আগে আরেকবার আসব আপনাদের সামনে।’ এ কে এম শহীদুল হক ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর এই পদে যোগ দিয়েছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন আইজিপি কে হচ্ছেন তা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সদর দপ্তরের কাজকর্মেও গতি কমে গেছে। সবাই তাকিয়ে আছেন পরবর্তী আইজিপির দিকে। বড় ধরনের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কেউ ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে, আইজি হিসেবে আলোচনায় যেসব কর্মকর্তার নাম শোনা যাচ্ছে, সবার নজরও তাঁদের দিকে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, কে আইজিপি হবেন, তা প্রধানমন্ত্রীর ওপরই নির্ভর করছে।
Reporter Name 






















