ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গোনাহ ও তাওবা সম্পর্কে প্রিয়নবির ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৫১২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানুষ আল্লাহর সেরা সৃষ্টি। শুধু সেরা সৃষ্টিই নয় বরং সবচেয়ে প্রিয় সৃষ্টি হলো মানুষ। আল্লাহ মানবজাতিকে অনেক ভালোবেসে তার দাসত্ব বা গোলামী করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। আবার মানুষ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন-

‘সময়ের কসম! নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। ওই সব লোক ব্যতিত যারা ঈমান গ্রহণ করেছে এবং নেক আমল করেছে।’ (সুরা আছর : আয়াত ১-২) মানুষের ক্ষতির মধ্যে থাকার মানে-ই হচ্ছে তাঁর অবাধ্যতায় লিপ্ত থাকা। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন, আল্লাহ ওই সব মানুষ দেখতে চান; যারা গোনাহ করে আবার ক্ষমা চায়। অন্যায় করার পর তাঁর কাছে ফিরে আসার আকুতি জানায়। আল্লাহ তাআলা ওই সব ক্ষমাপ্রার্থনাকারী মানুষদের ক্ষমা করে দেন।

মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। প্রতিনিয়ত তার কোনো না কোনো গোনাহ হয়ে থাকে। মানুষের পাহাড়সম গোনাহ হয়ে গেলেও ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। তার দোষত্রুটি গোপন রেখে তাকে করেন নিরাপদ।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

সে সত্ত্বার শপথ! যার হাতে আমার জীবন। যদি তোমরা গোনাহ না কর; তবে আল্লাহ তোমাদেরকে নিয়ে যাবেন এবং এমন এক সম্প্রদায় নিয়ে আসবেন, যারা গোনাহ করবে এবং আল্লাহর কাছে তাওবা করবে। অতপর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন। (মুসলিম)

মানুষ যখনই কোনো অন্যায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন দেন মর্মে ঘোষণা করেন, ‘আর যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করবে অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে, সে আল্লাহকে পাবে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১১০)

কুরআন ও হাদিসের আলোকে বুঝা যায়, তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয় ইবাদত। তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছে বারবার মুখাপেক্ষী হয়। আর বান্দার মুখাপেক্ষীতা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহ তাঁর নৈকট্য অর্জনে বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করার তাওফিক দান করুন। তাওবা ও ইসতেগফারের মাধ্যমে তাঁর প্রিয় বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

গোনাহ ও তাওবা সম্পর্কে প্রিয়নবির ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানুষ আল্লাহর সেরা সৃষ্টি। শুধু সেরা সৃষ্টিই নয় বরং সবচেয়ে প্রিয় সৃষ্টি হলো মানুষ। আল্লাহ মানবজাতিকে অনেক ভালোবেসে তার দাসত্ব বা গোলামী করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। আবার মানুষ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন-

‘সময়ের কসম! নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। ওই সব লোক ব্যতিত যারা ঈমান গ্রহণ করেছে এবং নেক আমল করেছে।’ (সুরা আছর : আয়াত ১-২) মানুষের ক্ষতির মধ্যে থাকার মানে-ই হচ্ছে তাঁর অবাধ্যতায় লিপ্ত থাকা। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন, আল্লাহ ওই সব মানুষ দেখতে চান; যারা গোনাহ করে আবার ক্ষমা চায়। অন্যায় করার পর তাঁর কাছে ফিরে আসার আকুতি জানায়। আল্লাহ তাআলা ওই সব ক্ষমাপ্রার্থনাকারী মানুষদের ক্ষমা করে দেন।

মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। প্রতিনিয়ত তার কোনো না কোনো গোনাহ হয়ে থাকে। মানুষের পাহাড়সম গোনাহ হয়ে গেলেও ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। তার দোষত্রুটি গোপন রেখে তাকে করেন নিরাপদ।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

সে সত্ত্বার শপথ! যার হাতে আমার জীবন। যদি তোমরা গোনাহ না কর; তবে আল্লাহ তোমাদেরকে নিয়ে যাবেন এবং এমন এক সম্প্রদায় নিয়ে আসবেন, যারা গোনাহ করবে এবং আল্লাহর কাছে তাওবা করবে। অতপর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন। (মুসলিম)

মানুষ যখনই কোনো অন্যায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন দেন মর্মে ঘোষণা করেন, ‘আর যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করবে অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে, সে আল্লাহকে পাবে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১১০)

কুরআন ও হাদিসের আলোকে বুঝা যায়, তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয় ইবাদত। তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছে বারবার মুখাপেক্ষী হয়। আর বান্দার মুখাপেক্ষীতা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহ তাঁর নৈকট্য অর্জনে বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করার তাওফিক দান করুন। তাওবা ও ইসতেগফারের মাধ্যমে তাঁর প্রিয় বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন