ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আল্লাহর তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য জান্নাত সৃষ্টি করেছেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৭৪২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য চিরস্থায়ী বাসস্থান হিসেবে জান্নাত সৃষ্টি করেছেন। কুরআনে পাকের অনেক আয়াতে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে ঘোষণার সুস্পষ্ট বর্ণনা করে বলেছেন-

‘যারা তাওহিদের কালেমার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং তা কথা ও কাজে বাস্তবায়ন করবে তার জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত।’

‘যাদের জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত’ এ সম্পর্কে একটি লেখা লিখেছেন গভীর পাণ্ডিত্য, অসাধারণ মেধা ও দক্ষতার অধিকারী কালয়ুবি গ্রন্থের লেখক শায়খ আহমদ ইবনে আহমদ কালয়ুবি।

এক ঘোষককে বলতে শুনলাম, হে যূননূন! সে ওই ব্যক্তি; যাকে শয়তান পৃথিবীতে তালাশ করে পায়নি; জাহান্নামের দারোগা মালিক তাকে তালাশ করে পায়নি; এমনকি জান্নাতের রিদওয়ানও তাকে তালাশ করে পায়নি।

আমি গায়েবি ঘোষককে বললাম, ‘তবে এখন তিনি কোথায়? সে বলল, যোগ্য আসনে, যাবতীয় ক্ষমতার অধিকারী প্রভুর সান্নিধ্যে রয়েছেন। এ কারণেই বলা হয় ইবাদতের ক্ষেত্রে মানুষ ৩ শ্রেণীর; যাদের প্রত্যেকেই জান্নাতের নিশ্চয়তা পেয়েছেন। এ ৩ শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এক শ্রেণীর মানুষকে তিনি জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।

৩ শ্রেণীর মানুষের বিবরণ হলো-

>> রোহবানি : সেই শ্রেণীর মানুষ, যারা আল্লাহর ভয়-ভীতি নিয়ে ইবাদত করে। তাদেরকে কেয়ামতের দিন বলা হবে, ‘জাহান্নাম থেকে তুমি মুক্ত।’

>> হাইওয়ানি : সেই শ্রেণীর মানুষ, যারা আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাতের আশায় ইবাদত করে। তাদেরকে কেয়ামতের দিন বলা হবে, ‘তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর।’

>> রাব্বানি : এই ‘রাব্বানি’ শ্রেণীর মানুষের জন্যই আল্লাহ জান্নাত সৃষ্টি করেছেন বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের বৈশিষ্ট্য হলো-

‘তাঁরা এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করে যে, তারা দুনিয়া, পরকাল, জান্নাত, জাহান্নাম, নফস, রূহ কোনো কিছুই চিনে না। তাদেরকে আল্লাহ তাআলা বলবেন, তুমিই আমার প্রিয়তম; তুমি আমার উদ্দিষ্ট ব্যক্তি ও তুমিই আমার কাম্য। আমার ইজ্জত ও ক্ষমার কসম! এ শ্রেণীর লোকদের জন্যই আমি জান্নাত সৃষ্টি করেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

আল্লাহর তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য জান্নাত সৃষ্টি করেছেন

আপডেট টাইম : ০৯:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য চিরস্থায়ী বাসস্থান হিসেবে জান্নাত সৃষ্টি করেছেন। কুরআনে পাকের অনেক আয়াতে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে ঘোষণার সুস্পষ্ট বর্ণনা করে বলেছেন-

‘যারা তাওহিদের কালেমার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং তা কথা ও কাজে বাস্তবায়ন করবে তার জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত।’

‘যাদের জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত’ এ সম্পর্কে একটি লেখা লিখেছেন গভীর পাণ্ডিত্য, অসাধারণ মেধা ও দক্ষতার অধিকারী কালয়ুবি গ্রন্থের লেখক শায়খ আহমদ ইবনে আহমদ কালয়ুবি।

এক ঘোষককে বলতে শুনলাম, হে যূননূন! সে ওই ব্যক্তি; যাকে শয়তান পৃথিবীতে তালাশ করে পায়নি; জাহান্নামের দারোগা মালিক তাকে তালাশ করে পায়নি; এমনকি জান্নাতের রিদওয়ানও তাকে তালাশ করে পায়নি।

আমি গায়েবি ঘোষককে বললাম, ‘তবে এখন তিনি কোথায়? সে বলল, যোগ্য আসনে, যাবতীয় ক্ষমতার অধিকারী প্রভুর সান্নিধ্যে রয়েছেন। এ কারণেই বলা হয় ইবাদতের ক্ষেত্রে মানুষ ৩ শ্রেণীর; যাদের প্রত্যেকেই জান্নাতের নিশ্চয়তা পেয়েছেন। এ ৩ শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এক শ্রেণীর মানুষকে তিনি জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।

৩ শ্রেণীর মানুষের বিবরণ হলো-

>> রোহবানি : সেই শ্রেণীর মানুষ, যারা আল্লাহর ভয়-ভীতি নিয়ে ইবাদত করে। তাদেরকে কেয়ামতের দিন বলা হবে, ‘জাহান্নাম থেকে তুমি মুক্ত।’

>> হাইওয়ানি : সেই শ্রেণীর মানুষ, যারা আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাতের আশায় ইবাদত করে। তাদেরকে কেয়ামতের দিন বলা হবে, ‘তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর।’

>> রাব্বানি : এই ‘রাব্বানি’ শ্রেণীর মানুষের জন্যই আল্লাহ জান্নাত সৃষ্টি করেছেন বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের বৈশিষ্ট্য হলো-

‘তাঁরা এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করে যে, তারা দুনিয়া, পরকাল, জান্নাত, জাহান্নাম, নফস, রূহ কোনো কিছুই চিনে না। তাদেরকে আল্লাহ তাআলা বলবেন, তুমিই আমার প্রিয়তম; তুমি আমার উদ্দিষ্ট ব্যক্তি ও তুমিই আমার কাম্য। আমার ইজ্জত ও ক্ষমার কসম! এ শ্রেণীর লোকদের জন্যই আমি জান্নাত সৃষ্টি করেছি।