ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

পূর্ব হরিণ ধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করছে শিক্ষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭
  • ৪৪০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ “স্যার আমরা ঠিক মতো লেখা পড়া করতে পারিনা,সামনে আমাগরে সমাপনী পরিক্ষা ,স্কুলে স্যার আপা আসেনা” এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন ইসলামপুর চর গোয়ালীনি  ইউনিয়নের ৭৭ নং পূর্ব হরিণ ধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র আবু রায়হান।  তার কথা না শেষ হতেই  ছুটে এসে বলে আমি আলম বাবু ,আ: রশিদ, মিজান, শরিফুল আমরা সভাই ৫ম শ্রেণীর ছাত্র, আপা আসে মাসে দু একদিন করে আর  মাঝে মাঝে স্যার আসে ১২টা দিকে আবার চলে যায় ১দিকে, খালেদ সাইফুল স্যার আমাগরে । ক্লাশ করার জন্য সাকাওয়াত স্যার কে বলে দেয়,সে স্যার ওয়ান থেকে শুরু করে ফাইভ পর্যন্ত এক সাথে আমাগড়ে পরায় কোন মাসে ৭দিন আবার কোন মাসে ১০ দিন করে।  গত রোববার  বিদ্যালয়টিতে সরেজমিনে গেলে এমন আকুতি জানায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।  এসময় খুজঁ নিয়ে দেখা গেলো বিদ্যায়লয়টিতে কোন শিক্ষক নেই।  এসময় পাওয়া যায়  একজন প্রক্সি শিক্ষককে।  এভাবেই পাঠদান হচ্ছে ইসলামপুর চর গোয়ালীনি  ইউনিয়নের ৭৭ নং পূর্ব হরিণ ধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

স্থানীয়রা জানায়,কোন শিক্ষকই বিদ্যালয়ে আসে না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ফেরদৌসী জাহান মাসের পর মাস জামালপুরে  থাকেন।  খালেদ সাইফুল নামে শিক্ষক মাসে দুই একদিন স্কুলে এসে ভূয়া হাজিরা স্বাক্ষর দিয়ে যায়।  এসব অনুপস্থিত শিক্ষকদের বদলে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকরা  মাসে ২হাজার টাকার বিনিময়ে সাকাওয়াত হোসেন নামে একজন পক্স্রি শিক্ষক দিয়ে মাসে ৮/১০ দিন ক্ল্যাস করাচ্ছে।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি অফিসের কাজে ব্যাস্ত আছি।  সহকারী শিক্ষক খালেদ সাইফুল স্কুলে দায়িত্বে আছে।  স্কুলে সরেজমিনে অবস্থান কালে সহকারী শিক্ষক খালেদ সাইফুকে পাওয়া যায়নি।  এব্যাপারে খালেদ সাইফুলের পরবর্তীতে ইসলামপুরে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,আমার পরিবর্তে অন্য একজনকে দায়িত্ব দিয়েছি।
এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মারফত আলী জানান,বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে, ঠিকমত ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠদান হচ্ছে না। ।
এ ব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান জানান, অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

পূর্ব হরিণ ধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করছে শিক্ষক

আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ “স্যার আমরা ঠিক মতো লেখা পড়া করতে পারিনা,সামনে আমাগরে সমাপনী পরিক্ষা ,স্কুলে স্যার আপা আসেনা” এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন ইসলামপুর চর গোয়ালীনি  ইউনিয়নের ৭৭ নং পূর্ব হরিণ ধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র আবু রায়হান।  তার কথা না শেষ হতেই  ছুটে এসে বলে আমি আলম বাবু ,আ: রশিদ, মিজান, শরিফুল আমরা সভাই ৫ম শ্রেণীর ছাত্র, আপা আসে মাসে দু একদিন করে আর  মাঝে মাঝে স্যার আসে ১২টা দিকে আবার চলে যায় ১দিকে, খালেদ সাইফুল স্যার আমাগরে । ক্লাশ করার জন্য সাকাওয়াত স্যার কে বলে দেয়,সে স্যার ওয়ান থেকে শুরু করে ফাইভ পর্যন্ত এক সাথে আমাগড়ে পরায় কোন মাসে ৭দিন আবার কোন মাসে ১০ দিন করে।  গত রোববার  বিদ্যালয়টিতে সরেজমিনে গেলে এমন আকুতি জানায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।  এসময় খুজঁ নিয়ে দেখা গেলো বিদ্যায়লয়টিতে কোন শিক্ষক নেই।  এসময় পাওয়া যায়  একজন প্রক্সি শিক্ষককে।  এভাবেই পাঠদান হচ্ছে ইসলামপুর চর গোয়ালীনি  ইউনিয়নের ৭৭ নং পূর্ব হরিণ ধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

স্থানীয়রা জানায়,কোন শিক্ষকই বিদ্যালয়ে আসে না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ফেরদৌসী জাহান মাসের পর মাস জামালপুরে  থাকেন।  খালেদ সাইফুল নামে শিক্ষক মাসে দুই একদিন স্কুলে এসে ভূয়া হাজিরা স্বাক্ষর দিয়ে যায়।  এসব অনুপস্থিত শিক্ষকদের বদলে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকরা  মাসে ২হাজার টাকার বিনিময়ে সাকাওয়াত হোসেন নামে একজন পক্স্রি শিক্ষক দিয়ে মাসে ৮/১০ দিন ক্ল্যাস করাচ্ছে।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি অফিসের কাজে ব্যাস্ত আছি।  সহকারী শিক্ষক খালেদ সাইফুল স্কুলে দায়িত্বে আছে।  স্কুলে সরেজমিনে অবস্থান কালে সহকারী শিক্ষক খালেদ সাইফুকে পাওয়া যায়নি।  এব্যাপারে খালেদ সাইফুলের পরবর্তীতে ইসলামপুরে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,আমার পরিবর্তে অন্য একজনকে দায়িত্ব দিয়েছি।
এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মারফত আলী জানান,বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে, ঠিকমত ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠদান হচ্ছে না। ।
এ ব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান জানান, অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।